দেশের অর্থনীতিতে
আবার যেন
প্রাণের সজীবতা
সরকারি দলের দৃঢ়তা, স্থিরতা এবং সুশাসনের কারণে অর্থনীতির উন্নতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে। অপরপক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি সহিংসতার কারণে অর্থনীতি আবার ধ্বংসের দিকেও চলে যেতে পারে। সুতরাং অর্থনীতির উন্নতি ও অবনতি নির্ভর করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর। তাই ২০১৩ সালের শেষদিকে বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাস এক কলঙ্কজনক অধ্যায় ছিল। যার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা প্রায় অচল হয়ে গিয়েছিল। তবে এমন রাজনৈতিক সহিংসতা না থাকায় দেশের অর্থনীতিতে আবার যেন প্রাণের সজীবতা ফিরে এসেছে। কিন্তু আবার যেন বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা আগের মতো না হয়, সেজন্য সরকারি দলের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করছি।
খাজা মাহ্দী
ফটোসাংবাদিক (DUPS)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মসূচি
না থাকায় দেশের অর্থনৈতিক
অবস্থা অনেকটা ভাল
প্রতিটি দেশের উন্নয়ন নির্ভর করে অর্থনীতির উপর। যে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যত ভালো সে দেশ তত উন্নত। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর দিয়ে যে দুর্যোগ প্রবাহিত হয়ে গেছে তাতে অনেকেই ধারণা করেছে যে বাংলাদেশের অর্থনীতি অচল হয়ে যাবে। কেননা যখন নির্বাচন নিকটবর্তী হয় তখন রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতির তীব্র গরমে চরম রূপে জনগণের নিকট উপস্থিত হয়। রাজনৈতিক দলগুলো ব্যস্ত থাকে রাজপথকে নিজেদের দখলে রাখতে। কিন্তু বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মসূচি না থাকায় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটা ভাল অবস্থানে আছে। ব্যবসায়ীরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো কতদিন আশার আলো দেখতে পাবে? যদি আবারও রাজনীতির মাঠ গরম হয়ে যায়, হরতাল, অবরোধ হয় তাহলে কী হবে? তখন আবারও কী অর্থনৈতিক অবস্থা আগের অবস্থানে ফিরে যাবে? হতে পারে সেই রকম, কিন্তু এটা আমাদের কাম্য নয়।
মো: আব্দুর রহমান সুমন
বিএসএস সরকারি তোলারাম কলেজ
ও বিশ্ববিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ।
স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনীতির
দেশ হবে বাংলাদেশ
দেশকে যদি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উন্নত করতে হয় তাহলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। উন্নয়ন করতে হবে দেশের সবাইকে নিয়ে। নানা অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত হয়েছে আমাদের অর্থনীতির ভিন্ন খাত। অর্থনীতির প্রতিকূলতার মাঝে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। অর্থনৈতিক এ দৈন্যদশা কাটিয়ে ওঠা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। একটি স্থিতিশীল রাজনীতিই অর্থনীতিকে ভঙ্গুর দশা থেকে মুক্তি দেবে। আশাকরি বাংলাদেশের যে সম্ভাবনা রয়েছে সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে ভবিষ্যতের দিকে।
সুমন আহমেদ (বিবিএ)
ফজলুর রহমান হল
সিটি ইউনিভার্সিটি, সাভার, ঢাকা।
ঘুরছে চাকা সচল
দেশ ডিজিটাল
বাংলাদেশ
গত অর্থবছরে রেমিটেন্সের পরিমাণ জিডিপির প্রায় ১০.৪৩% বর্তমানে যা ১১.১১%। তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। প্রবেশ করেছে থ্রিজি যুগেও। উপরোল্লিখিত বেড়ে উঠা বিষয়গুলো একটা দেশের জন্য খুব কম বলে মনে হতে পারে কিন্তু আমি মনে করি একটা রাজনৈতিক সহিংসতাপূর্ণ দেশের জন্য মোটেও কম নয়। দেশের রাজনৈতিক দলগুলো যদি এই রাজনৈতিক দুরবস্থা দূর করতে পারে তবেই বাংলাদেশ গর্জে উঠবে, ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশের অর্থনীতি, হবে শতভাগ ডিজিটাল বাংলাদেশ।
ইকবাল হোসাইন
অনার্স ১ম বর্ষ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
ঢাকা কলেজ, ঢাকা
সহিংস রাজনীতি
পঙ্গু অর্থনীতির
মূল কারণ
অর্থনীতি একটি দেশের প্রধান মেরুদণ্ড। যে দেশের অর্থনীতি যত শক্তিশালী সে দেশ তত উন্নত সুতরাং দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে সে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে হবে আর যাপিত জীবনের সকল অনুষঙ্গগুলোর মধ্যে অর্থনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। চলতি বছরের ২য় প্রান্তিকে দেশ জুড়ে সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতি হরতাল, অবরোধের কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছিল। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের সকল খাত। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন তার লক্ষ্যমাত্রা থেকে কমে গেছে, রাজস্ব আদায় কমে গেছে, সহিংসতায় সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়াও এ সময়কালে রপ্তানি আয়, রেমিটেন্স, বৈদেশিক সাহায্যের প্রবাহমাত্রা কমে গেছে। বিগত বছরগুলোর সূচকে অর্থনীতির যে উন্নয়ন হয়েছিল চলমান রাজনৈতিক পরিবেশের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে তা আজ হুমকির মুখে। তবে একথা শতভাগ সত্য যে, রাজনৈতিক পরিবেশ ভাল থাকলে দেশের অর্থনীতি হু হু করে বেড়ে উঠবে। বর্তমানে তা জ্বলন্ত প্রমাণ, কিছু দিন ধরে রাজনৈতিক পরিবেশ সুস্থ থাকার কারণে দেশের অর্থনীতি তার লক্ষ্যমাত্রায় ফিরে আসতে শুরু করেছে।
মু. সানাউল্লাহ
টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ
টঙ্গী-গাজীপুর
