পতাকা শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে জাতীয় পতাকা উত্সব উদযাপিত হয়েছে। একইসাথে জাতীয় পতাকার ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে ভুলভাবে শেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে উত্সবে।
গতকাল রবিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এ চতুর্থ জাতীয় পতাকা উত্সবের আয়োজন করে জয়ধ্বনি সাংস্কৃতিক সংগঠন। উত্সবের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলেও স্বাধীন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষায় সর্বাত্মক সংগ্রামের সূচনা হয় ২ মার্চেই। এদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২ মার্চে জাতীয় পতাকার উত্তোলন ছাত্র-জনতার সংগ্রামের সাক্ষ্য দেয়। পতাকার মান রক্ষা করতে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলেও মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ও চেতনায় আমাদের নিরন্তর কাজ করতে হবে।
ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম বলেন, অগ্নিঝরা মার্চের সেই দিনগুলো আমাদের গর্বের-সাহসের দিন। সাহস নিয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। স্বাধীনতা অর্জন করার চেয়ে এটি রক্ষা করা কঠিন। এ কঠিন কাজটিই করতে হবে।
জাতীয় পতাকার প্রথম ডিজাইনার শিব নারায়ণ দাস বলেন, জাতীয় পতাকা আমাদের সম্মান, সংগ্রাম ও আবেগের কেন্দ্রস্থল। এ পতাকা এবং দেশের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে।
জয়ধ্বনি সাংস্কৃতিক সংগঠনের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নাজমুল হোসেন বলেন, জাতীয় পতাকার ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে তরুণ প্রজন্মকে ভুলভাবে শেখানো হচ্ছে। জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান নয়, শিব নারায়ণ দাস। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডাকসুর সাবেক জিএস মাহবুব জামান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ম হামিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর।
