[ রা জ নী তি ]

সুষ্ঠু নির্বাচন, পরিচ্ছন্ন গণতান্ত্রিক রাজনীতি

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৪, ২১:১৪
দেশে এখন উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্বে ৯৭টি এবং ২৭ তারিখ দ্বিতীয় পর্বে ১১২টি উপজেলায় উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা-দুর্ঘটনা ছাড়া গত দুই পর্বের নির্বাচন মোটামুটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে একটু বেশি সংঘর্ষ হয়েছে। এরপর আরো তিন পর্বে উক্ত নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে। যদিও উপজেলা নির্বাচনটিতে নির্দলীয় পরিচয়ে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে থাকেন তথাপি এটি গোপন থাকছে না যে প্রার্থীদের প্রায় সকলেরই পেছনে কোনো না কোনো দলের সমর্থন রয়েছে। ইদানিং মিডিয়াগুলো আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। আসলে নির্বাচনের সব কিছুই চলছে দলীয় সমর্থনে। ভোট প্রদানেও দলীয় ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ একটি সুবিদিত বিষয়। দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি বা অন্য কোনো দলের প্রার্থী হয়ে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে এখন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। যদিও বিএনপি দুই পর্বেই নির্বাচনে আগে গলা ফাটিয়ে চিত্কার করছিল এই বলে যে, সরকার উপজেলা নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপি করতে যাচ্ছে, কেন্দ্র দখল করে নির্বাচন ব্যবস্থাই গুঁড়িয়ে দিতে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে নির্বাচনে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া তেমনটি ঘটেনি। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরাই উভয় পর্বে জয়লাভ বেশি করেছে। ফলে যে অভিযোগ নির্বাচনের আগে বিএনপি করে আসছিল তা নির্বাচনের ফলাফল দেখার পর আর করছে না। বাকি নির্বাচনগুলো আশা করা যাচ্ছে একইভাবে অনুষ্ঠিত হবে। মনে হচ্ছে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে কি হবে না—এ নিয়ে বিএনপি এবং ১৮ দলীয় জোটের সদস্য দলগুলো যে অভিযোগ এতোদিন করে আসছিল বা বারবার সে রকম অভিযোগের মধ্যেই ব্যস্ত তারা ছিল। এখন দেখা যাচ্ছে উপজেলা নির্বাচনে তারা আটঘাট বেঁধে নেমেছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে যে ১৮ দলীয় জোট কেন ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তা প্রতিহত করতে গেল, যদি তারা সত্যি সত্যি বিশ্বাস করে যে, বর্তমান সরকারের অধীন কোনো অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া সম্ভব না, সেই বিবেচনা থেকেইতো তারা ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন ও প্রতিহত করতে সকল শক্তি প্রয়োগ করেছিল, অবরোধ, হত্যা, সম্পদ ধ্বংস করাসহ নানা রকম অমানবিক কার্যক্রম করেছিল, যার ফলে বাংলাদেশ প্রায় তিন মাস থমকে দাঁড়িয়ে ছিল, এখন সেই সব প্রশ্নের যে উত্তর তারা উত্তর দিচ্ছেন তাতো আমরা সকলেই শুনছি। একেই বলে স্ববিরোধিতা। রাজনৈতিক দলগুলোর স্ববিরোধিতার কারণে পড়লে নির্বাচন কমিশন কেন, স্বয়ং রাষ্ট্রেরই অবস্থা কী হতে পারে-তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বিরোধী দলের সেই সব অভিযোগ তথা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেশে না করতে দেয়ার বাস্তবতা এখনও বিরাজ করছে কিনা। যদি অভিযোগের বাস্তবতা দেশে এখনো বহাল থেকেই থাকে তা হলে উপজেলা নির্বাচনে এখন কেন ১৮ দলীয় জোট অংশগ্রহণ করছে, এসব প্রশ্নে দলগুলোর নেতৃবৃন্দ কী বলছেন তাও আমরা শুনছি। যদি প্রশ্ন করা হয় ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে ১৮ দলীয় জোট অংশগ্রহণ করতো তাহলে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হতে সামান্যতম কোনো বাধা দেয়া কারো পক্ষে কি সম্ভব হতো? বর্তমান উপজেলা নির্বাচনের চিত্র দেখার পর যে কেউ এখন বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে যে, সরকার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, ১৪ দলীয় জোট ইত্যাদি কোনো শক্তির পক্ষেই নির্বাচনে কারচুপি করার সাহস হতো না। বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন এরই মধ্যে সাধিত হয়েছে তাতে এ কথা যে কেউ বিশ্বাস করতে বাধ্য যে, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে হাইজ্যাক করার ক্ষমতা কারো নেই যদি নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করে। অধিকন্তু বলতে হবে কোনো একটি বড় দল বা জোট যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, তা যদি তারা প্রতিহত করতে যায় তা হলে প্রশাসন, সরকার বা অংশ নেয়া দলের পক্ষে নির্বাচন যেনতেনভাবে হলেও শেষ করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় থাকে না। এই যেনতেন নির্বাচনটি হয় তখন যখন বড় কোনো দল বা জোট নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তা প্রতিহত করতে চায়। গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে যারা এখন নানা ধরনের বিতর্ক করে থাকেন তারা বাস্তবতার এই বড় দিকটি কতোটা অনুধাবন করেন তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। আমার মনে হচ্ছে তারা তা পুরোপুরি করেন না। করলে সরকার বা নির্বাচন কমিশন কেন নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে গেল এমন শিশুসুলভ মন্তব্য ছুঁড়ে দেয়ার আগে বাস্তবতার এই দিকটি তারা বিবেচনায় নিতেন। আসলে রাষ্ট্র ও রাজনীতি নিয়ে দেশে যেসব কথা বলা হয় তাতে ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ ও বাস্তবতার উপস্থিতি খুব কমই থাকে। নির্বাচনটিকে কালিমালিপ্ত করার ক্ষেত্রে বর্জন ও প্রতিহত করার বিষয়টিই মুখ্য থাকলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার সাধ্য কার আছে? যারা প্রতিহত করার জন্যে তখন মাঠে নেমেছিলেন, ভাঙচুর, পোড়াপুড়িসহ নানা ধ্বংসাত্মক কাজ করেছিলেন তারা তা না করে নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচনটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে বাধ্য ছিল, তারা হয়তো ঢের বেশি ফলও পেতেন, নির্বাচনটি সহিংসতা থেকে অবশ্যই মুক্ত থাকতো, অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়ার সুযোগ পেতো। যদি কোনো পক্ষ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ক্ষেত্রে সামান্যতম বাধার সৃষ্টি করতো তা হলে দল বা জোটেরই শুধু নয়, সাধারণ মানুষও এর প্রতিবাদে আন্দোলনমুখর হয়ে উঠতো। কিন্তু ৫ জানুয়ারির আগে আন্দোলনের নামে আমরা দেশে কী দেখেছি তাতো সকলেরই মনে থাকার কথা। বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট তখন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা সম্ভব নয় এমন অভিযোগে নির্বাচনটিকে জিম্মি ও বিতর্কিত করার জন্য যা যা করা তারা দরকার মনে করেছিল তারা তাই করেছে, কিন্তু নির্বাচন-পরবর্তী আন্দোলনের বিষয়টি তারাও বাস্তবায়ন করতে পারেনি ফলে পুরো আন্দোলনের উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়েছে। এখন ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কথায় কথায় গালমন্দ করে তৃপ্তি পাওয়া যেতে পারে কিন্তু বাস্তব সত্যকে এভাবে গ্রহণ করতে চাইলে এর দায় কিন্তু নির্বাচন বর্জন ও প্রতিহতকারীদের ওপরই বেশি পড়ে। আসলে বাংলাদেশে রাজনীতির অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে, রাজনীতিকে যুক্তি, তথ্য-উপাত্ত এবং রাজনৈতিক ঘটনার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা হচ্ছে না। বিশ্বাস করা হচ্ছে না। গলাবাজিকে সর্বত্র প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। ৫ জানুয়ারির আগে যারা নৃশংস আন্দোলন করেছেন তারা দাবি করেছেন এই সরকার বা নির্বাচন কমিশনের অধীন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে না সেজন্য তারা নির্বাচনকে জিম্মি করেছিলেন। এখন সেই সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনেই উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অথচ এখন তারা তাতে অংশ নিচ্ছেন, কিন্তু তখন নেননি, নির্বাচনটিকে প্রতিহত করতে যা খুশি তাই করেছিলেন। তাতে দেশের যে বিপুল ক্ষতি হয়েছে তার উত্তর কে দেবেন? যারা মারা গেলেন তাদের দায় কে নেবেন? এ ধরনের হাজারো প্রশ্ন করা যায়, হাজারো উত্তরও খোঁজা যেতে পারে। কিন্তু এসব প্রশ্নের উত্তর সেই সব দলের নেতাকর্মী বা সমর্থকগণও দেবেন না, দিচ্ছেন না। বরং অন্যভাবে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। রাজনীতির এসব কথাবার্তা এটি প্রমাণ করে যে, আমাদের রাজনীতিতে স্ববিরোধিতা যতো ব্যাপক স্বচ্ছতা এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ততোবেশি অনুপস্থিত। এ কারণেই রাজনীতিতে কোনো কোনো দলকে মাসের পর মাস আন্দোলনের নামে ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে দেখা গেছে অথচ সমস্যা এক ধরনের রাজনীতি হচ্ছে অন্য ধরনের এটি বাংলাদেশে সুষ্ঠু রাজনীতির ক্ষেত্রে মস্ত বড় বাধা। এসব বাধা অতিক্রম না করা গেলে ভবিষ্যতেও আবার যখন জাতীয় নির্বাচন সমাগত হবে তখন আবার নতুন করে কোনো ছায়ার সঙ্গে আন্দোলনের নামে যুদ্ধ করার একই অবস্থা হয়তো দেখতে হবে। জনগণকে জিম্মি করা,ধন সম্পদ ধ্বংস করা, নির্বাচনকে প্রতিহত করাসহ অনেক কিছুই দেশে তখন ঘটতে হয়তো দেখা যাবে। এটি হচ্ছে সমাজ ও রাজনীতির পুরাতন, অসৃজনশীল ধারা। সে জন্য প্রয়োজন হচ্ছে সবেমাত্র অতিক্রান্ত ঘটনাবহুল রাজনীতির নামে ঘটে যাওয়া সব কিছুর বস্তুনিষ্ঠ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা, দেশের রাজনীতির সমস্যাগুলোকে যথাযথভাবে চিহ্নিত ও তুলে ধরা। সেখান থেকে সমাধানের যথাযথ পথের সন্ধান করা এখনই জরুরি। তা না করে আমরা এ ধরনের যদি গড্ডলিকায় চালিত হই তাহলে দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বপ্ন আবারও সেই তিমিরেই থেকে যাবে। সুতরাং প্রয়োজন স্ববিরোধিতা নয়, এখনই পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে সবাইকে ফিরে আসা, তা হলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বাংলাদেশে কোনো অধরা বিষয় হিসাবেই থাকবে না। আসলে সমস্যাটি থেকে গেলে জাতীয় জীবনে কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না। সমস্যাটি নির্বাচনে নয় স্ববিরোধী রাজনীতিতে বিরাজ করছে। গণতন্ত্রে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির কোনো বিকল্প নেই। বিষয়টি নতুনভাবে গুরুত্ব পেতে যাচ্ছে, যখন কোনো কোনো মহল থেকে নতুন করে আন্দোলনের হুমকি দেয়া হচ্ছে তখন বিষয়টি নতুন করে ভাববার রয়েছে। গত ১ মার্চ বিএনপি চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া রাজবাড়িতে অনুষ্ঠিত ১৯ দলের জনসভায় বলেছেন যে, বর্তমান চলমান উপজেলা নির্বাচন শেষে দল গুছিয়ে বিএনপি বর্তমান সরকারের পতনের আন্দোলনে নামবে। তিনি আবারও উল্লেখ করেছেন যে, নির্দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচন করার দাবিতে তিনি, তাঁর দল এবং জোট আন্দোলন করবেন। এ অবস্থায় নির্বাচন ইস্যুতে বাংলাদেশ নিকট অতীতে যে ধরনের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তা নতুন করে যেনো আন্দোলনের হুমকিতে ভবিষ্যত্ সম্পর্কে একই ধরনের অনিশ্চয়তার কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। সে ধরনের আতঙ্ক আবারও মানুষের মনে উঁকি দিতে শুরু করছে। বস্তুত, নির্বাচন ব্যবস্থার স্থায়ী গ্রহণযোগ্য কোনো সমাধান ব্যতীত যে কোনো জাতীয় নির্বাচন জাতীয় জীবনে মহাবিপদই যেন ডেকে নিয়ে আসবে। তেমন আন্দোলন কতটা গণতান্ত্রিক তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। রাজনৈতিক দলগুলোকেই একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা এবং নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার উদ্ভাবন করতে হবে, সেই উদ্ভাবিত ব্যবস্থার প্রতি নিষ্ঠ থাকতে হবে। এর জন্যে এখন থেকে জাতীয় নির্বাচন ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে সকল গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে একটি বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা শুরু হোক। আলোচনার প্রতি দৃষ্টি দিক সরকারি দল, বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ, দায়িত্বশীল সবাই। নির্বাচন বিষয়ে একটি স্থায়ী সমাধান আসবে। তা না করে আন্দোলন করলে দেশের পরিণতি কী হতে পারে তা সকলেরই জানা বিষয়। সেজন্যে প্রয়োজন ভবিষ্যত্ নির্বাচন নিয়ে সকলের মধ্যে যুক্তি, আন্তরিকতা ও দায়বোধের নজির সৃষ্টি করা। দেশকে বার বার জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আর যেন পুড়ে মারতে না হয়, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের দৃশ্য দেখতে না হয় সেই ব্যবস্থারই উদ্ভাবন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। রাজনৈতিক দলকে সেভাবেই হাঁটতে হবে। দেশের জনগণকেও সেভাবে বিষয়গুলোর সমাধানের কথা গুরুত্ব দিতে হবে। লেখক : অধ্যাপক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক