[আন্তর্জাতিক ]

ইউক্রেন-রাশিয়া দ্বন্দ্ব্ব একটি পর্যালোচনা

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০১৪, ২১:২২
হঠাত্ করে ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার সাথে ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যে একটা প্রচণ্ড শীতল যুদ্ধ শুরু হয়েছে। রাশিয়া হঠাত্ করে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে আত্মসমর্পণের হুমকি দিয়ে দিল। তবে মনে হচ্ছে এটা ইউক্রেনকে একটা চাপে ফেলানোর কৌশল। কারণ সামরিক দিক দিয়ে রাশিয়ার সাথে ইউক্রেন , মস্ত শক্তিশালী হাতির সামনে একটা দুর্বল ভেড়ার মত। আর তাই বলা যেতে পারে যে, small state’s mental syndrome এই ধারণাটা আজ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরিধিতে ব্যাপকভাবে অনুভূত হচ্ছে বিশেষ করে ক্ষুদ্র দেশগুলোর মধ্যে। ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ে পদার্পণ করেছে ইউক্রেন। অর্থনৈতিক সঙ্কটে জর্জরিত দেশটি বহির্বিশ্বের কাছে বিপুল পরিমাণ আর্থিক সহায়তা চেয়েছে। সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ দেশটির ঐক্য ধরে রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। তবে বর্তমান রুশ প্রধানমন্ত্রী দেশটির নয়া নেতৃত্বের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এই মুহূর্তে একটি টেকনোক্র্যাট সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছে। তিন মাস ধরে চলা আন্দোলনের মুখে প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচকে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তাকে রাজধানী কিয়েভ ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যেতে হয়। ইউক্রেনের পার্লামেন্ট ইয়ানুকোভিচকে ভোটাভুটির মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে। তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনে পরোয়ানা হয়েছে। আন্দোলন তুঙ্গে ওঠার পর গত সপ্তাহে তিন দিনে মোট ৮২ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন। ‘গণহত্যার’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে নিজ দলের কাছেও তিনি প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। তার অবস্থান সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে তিনি হয়ত ক্রিমিয়া উপদ্বীপে পৌঁছে থাকতে পারেন। অনেকের মতে, তিনি ছিলেন একজন ‘নিপীড়ক’। কারও মতে, ‘একজন দুর্বল চিত্ত’ ব্যক্তি। তার এমন পতনে খুব অবাক হয়নি নিজ এলাকা ডোনেস্কের বাসিন্দারাও। রাশিয়ার নিকটবর্তী পূর্বাঞ্চলীয় এ শহরের প্রাণকেন্দ্র লেনিন স্কয়ারেরও ইয়ানুকোভিচের বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের দিনগুলোতেও তার সমর্থনে মুষ্টিমেয় মানুষকে সমবেত হতে দেখা গেছে। ইয়ানুকোভিচের পতনে ক্ষুব্ধ হয়েছে রাশিয়া। রুশ প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভ কোন রকম রাখঢাক না রেখেই সদ্য ক্ষমতাসীন ইউক্রেনীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কিয়েভের অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষকে ‘সশস্ত্র বিদ্রোহী’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বসবাসরত রুশভাষীরা ধরপাকড়ের শিকার হচ্ছে। মস্কো অভিযোগ করেছে, পশ্চিমা দেশগুলো নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে তড়িঘড়ি করে নতুন সরকারকে সমর্থন দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইউক্রেনে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সহায়তা দিতে তারা প্রস্তুত। হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, মার্কিন সহায়তা ইউক্রেনের সংস্কার এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র নতুন অন্তর্বর্তী সরকারকে পুরোপুরি স্বীকৃতি না দিয়ে একটি টেকনোক্র্যাট সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছে। অর্থনৈতিক সঙ্কটে জর্জরিত দেশটি সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে। রাশিয়া দেড় হাজার কোটি ডলারের একটি জরুরি তহবিল আটকে দেয়ার পর সঙ্কটে পড়েছে ইউক্রেন। রাশিয়া ও ইইউ দেশটিকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ দেশটির ঐক্য ধরে রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত সফররত গর্বাচেভ বার্তাসংস্থা এসোসিয়েট প্রেসকে বলেছেন, ‘ইউক্রেনের বর্তমান সমস্যা দেশটির জনগণকেই সমাধান করতে দেয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া বা ইইউ কারও এখানে নাক গলানো উচিত নয়। বাইরের পক্ষগুলো এখানে কেবল মধ্যস্থতা করতে পারে।’ ২০১৩ সালের নভেম্বরের শেষদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তিতে না গিয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেন ইয়ানুকোভিচ। এরপর থেকে তার সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, যার পরিণতিতে তিনি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। ২৫ মে দেশটিতে আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়েছে। কিয়েভের নতুন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রুশভাষীরা আন্দোলন করছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় উপদ্বীপ ক্রাইমিয়াতে কিছু অস্ত্রধারী মানুষ স্থানীয় সরকারি ভবনে ইউক্রেনের পতাকা সরিয়ে রাশিয়ার পতাকা টানিয়েছে। ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ওলেক্সান্দর তুরচিনভকে রুশ সেনাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, তারা যদি ক্রিমিয়া অঞ্চলে নৌ-ঘাঁটি ত্যাগ করে তবে তা সেনা-আগ্রাসন হিসেবে গণ্য হবে। রাশিয়ার একটা বিশাল নৌ-ঘাঁটি রয়েছে ক্রিমিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে। গত দুই দশকে ধরে দু’দেশের মধ্যে অঞ্চলটি ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাশিয়া তার সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন এবং বেশিরভাগ ইউনিটকে রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রস্তুত রয়েছে দেড় লাখ সেনা, ৮৮০টি ট্যাংক, ৯০টি বিমান এবং ৮০টি জাহাজ। রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইউক্রেনের নিকটবর্তী কৃষ্ণ সাগরে নিজের নৌ-ঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর উদ্দেশ্যে তাদের এই প্রস্তুতি নয়, নিজেদের প্রতিরক্ষার খাতিরেই তারা এটা করছে। ইউক্রেনের নতুন সরকারের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পুটিন। ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণের রুশ ভাষাভাষীরা হুমকির মুখে রয়েছে বলে দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। কিয়েভের নতুন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রুশভাষীরা আন্দোলন করছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় উপদ্বীপ ক্রিমিয়াতে কিছু অস্ত্রধারী মানুষ স্থানীয় সরকারি ভবনে ইউক্রেনের পতাকা সরিয়ে রাশিয়ার পতাকা টানিয়েছে। ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ওলেক্সান্দর তুরচিনভকে রুশ সেনাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, তারা যদি ক্রাইমিয়া অঞ্চলে নৌ-ঘাঁটি ত্যাগ করে তবে তা সেনা-আগ্রাসন হিসেবে গণ্য হবে। রাশিয়ার একটা বিশাল নৌ-ঘাঁটি রয়েছে ক্রাইমিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে। গত দুই দশকে ধরে দু’দেশের মধ্যে অঞ্চলটি ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওদিকে ইউক্রেনকে নিয়ে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে লড়াই শুরু হয়নি বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, ইউক্রেন বিষয়ে কোনো পক্ষেরই হার-জিতের কিছু নেই। বরং সবাই ইউক্রেনকে সমর্থনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। মঙ্গলবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগের সঙ্গে ইউক্রেন বিষয়ে বৈঠকের পর কেরি এসব কথা বলেন। প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের পদত্যাগসহ আরো কয়েকটি দাবিতে গত নভেম্বর থেকে ইউক্রেইনের রাজধানী কিয়েভে বিক্ষোভ চলছে। তবে গত সপ্তাহে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে রক্তাক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিন দিনের বিক্ষোভে অন্তত ১শ’ মানুষ নিহত হয়েছে। এই সহিংসতার পর ক্ষমতাচ্যুত হন ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোচি। হোয়াইট হাউসের দেয়া এ সংক্রান্ত বিবৃতিতে দুই নেতার মধ্যে কথাবার্তায় উত্তেজনার আভাষ পাওয়া গেছে। শীতল যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এই দুই দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে আলোচনার এমন পরিবেশ খুব একটা দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা পুটিনকে বলেন, ইউক্রেনে সৈন্য পাঠিয়ে রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। এছাড়া ইউক্রেনীয়দের সার্বভৌমত্বের ওপর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ওবামা। নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের ক্ষমতা ইউক্রেনীয়দের রয়েছে বলে পুটিনকে মনে করিয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট পুটিন ওবামাকে জানিয়েছেন, ক্রিমিয়ায় থাকা রুশভাষী জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাশিয়ার। উল্লেখ্য, ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ক্রিমিয়ার প্রায় সাড়ে ৫৮ শতাংশ মানুষ এথনিক রুশ এবং সেখানকার প্রায় ৭৭ শতাংশ জনগণ রুশ ভাষায় কথা বলে। অন্যদিকে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল বলেছেন, ক্রিমিয়ার ঘটনা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। এছাড়া তিনি ইউক্রেনের ‘টেরিটোরিয়াল ইন্টেগ্রিটি রক্ষার’ উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। শনিবার তিনি ইউক্রেনের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আরসেনি ইয়ােসনইউকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। তবে তাদের মধ্যে কি নিয়ে কথা হয়েছে সেটা জানা যায়নি। ওদিকে, জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক ভাল্টার স্টাইনমায়ার এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের প্রতি রাশিয়ার শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এখন জ্বলন্ত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রিমিয়া। টিভি চ্যানেলগুলোর খবরে বার বার আসছে যে ক্রিমিয়া নিয়া এত সমস্যা। আসলে ক্রিমিয়া কোন সমস্যা নয়। সমস্যা হচ্ছে ইউক্রেনের সরকার ব্যবস্থা। ইউক্রেন কখনোই কোন যথার্থ ইউক্রেনিয়ান সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়নি । কখনো এখানে একটা শক্ত ইইউপন্থি অথবা কখনো শক্ত একটা মস্কোপন্থি সরকার ছিল। আর এদের একটাই কাজ ছিল আর সেটা হলো তাদের প্রভুদের পা চাটা। বর্তমান সরকারের আগের সরকারটা ছিল একটা কট্টর মস্কোপন্থি সরকার। সদ্য বিদায়ী সরকারের প্রত্যেকটা সিদ্ধান্ত ছিল মস্কো থেকে আগত। আর এখনকার সরকারের সিদ্ধান্তগুলো আসে সরাসরি ফ্রান্স অথবা ইইউ থেকে। পুরো দেশটা স্পষ্ট দুটো ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। একটা রাশিয়াপন্থি আর একটা ইইউপন্থি। আর সমসাময়িক রাজনীতিতে উদীয়মান এই ব্লক কখনোই আন্তর্জাতিক ভাল ফল বয়ে আনবে না। ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি এটার একটা বড় প্রমাণ। ইউক্রেন রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ করার কোন শক্তি রাখে না। যুদ্ধ করতে হলে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের মিত্র ইউরোপ ও আমেরিকাকে এগিয়ে আসতে হবে। তাতে রাশিয়ার মিত্র চীন আর ইরানসহ অন্য দেশগুলোও হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। তাছাড়া রাশিয়া একাই যদি যুদ্ধে নামে একেবারে ম্যাসাকার ঘটিয়ে ফেলবে। কারণ তাদের অস্ত্র সক্ষমতা। তবে আশার কথা হচ্ছে আমেরিকা বা ইউরোপ এই মুহূর্তে একটা সামগ্রিক যুদ্ধের জন্য আর্থিক ভাবে একেবারেই প্রস্তুত না। এছাড়া রাশিয়া বিশ্বে অস্ত্র নির্মাণের দিক দিয়ে অদ্বিতীয় একটা দেশ। তাদের যুদ্ধ বিমানগুলোর সমকক্ষের কোন বিমান এখনো ইউরোপ বা আমেরিকা তৈরি করতে পারেনি। এক মিগ-২৯ এর ধাক্কা এখনো পশ্চিমারা সামলাতে পারেনি । তার পরে তো মিগ-৩৫, সুখোই এর মত ভয়ানক সব জঙ্গিবিমান চলে আসছে। এস ৩০০ এর মত এন্টি এয়ার এন্ড মিসাইল সিস্টেম এখনো পশ্চিমাদের স্বপ্নের মধ্যে আছে। আমেরিকার হাতে যেটা আছে মানে আয়রন ডোম যেটা ইসরাইলের আছে সেটা হামাসের সামান্য ৭৫ কিমি: পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারে না। আর এস৩০০ কে ফাঁকি দিয়ে আমেরিকার লকহিড মার্টিন পালাতে পারে না। সিরিয়াতে বর্তমান পরিস্থিতি এটার বড় প্রমাণ। একটা সিঙ্গেল যুদ্ধ বিমান ইসরাইল বা তুরস্ক সিরিয়াতে ঢুকাতে পারছে না। লেখক : সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন