ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৪, ২১:৩৪
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন সমৃদ্ধির দিকে এগুচ্ছে বিগত এক বছর যাবত্ দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের যে জোয়ার বয়ে আসছিল তা ক্রমশ কাটিয়ে উঠছে। বর্তমানের রাজনৈতিক অবস্থা পূর্বের তুলনায় অনুকূল হওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি আজ আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। দেশের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হল ১৯০৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা দেশের আগামী ৬ মাসের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পাকিস্তানের দ্বিগুণ প্রায়। তবে এ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রথমে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। কারণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া কোন গণতান্ত্রিক দেশ কখনো উন্নয়ন করতে পারেনি। বরং তা প্রতিযোগিতা করেছে হেরে যাবার সাথে। তাই আমাদের দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর একসাথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় করতে হবে এবং মতবিরোধ বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি টানতে হবে। তবেই আমরা একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ে তুলতে পারব। মোঃ রুকুনুজ্জামান তাহমিদ, ইসলামিক ষ্টাডিজ বিভাগ (৩য় বর্ষ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী। অর্থনীতি উন্নয়নে ফ্রিল্যান্সারদের ভূমিকা আমাদের দেশে প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে অনবরত তৈরি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সার। যারা ঘরে বসে বসে ইন্টারনেট থেকে প্রতিমাসে উপার্জন করছে হাজার-হাজার মার্কিন ডলার, যা আমাদের উন্নয়নশীল দেশে অর্থনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে । হরতাল-অবরোধসহ সবসময় ফ্রিল্যান্সারদের চাকরি খোলা, তাই আপনিও প্রযুক্তি সম্বন্ধে জ্ঞানলাভ করুন, আপনার জীবনকে গড়ে তুলুন প্রযুক্তিতে আরও অবদান রাখুন আমাদের এই সবার প্রিয় বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নয়নের । আরাফাত রহমান একাদশ শ্রেণি (বিজ্ঞান শাখা), সায়েরা-সাফায়েত স্কুল এন্ড কলেজ, ভালুকা, ময়মনসিংহ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হলে ঘুুরে দাঁড়ানো অর্থনীতি থমকে দাঁড়াবে না স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ শব্দদয় বাক বিতণ্ডার যুক্তিকে ক্রমশই প্রসারিত করে চলেছে। এমন কেন! একজন জন রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে ভাবতেই কষ্ট হয়। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করলেও, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহারকারীরা যেন বিষয়টিকে এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল অবলম্বন করছেন। যার ক্রমাগত ফল অর্থনীতিকে পিছু হাঁটতে বাধ্য করল। সহিংসতায় কতিপয় প্রাণ জনক-জননীর বুককে শূন্য করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমাল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য আর কত প্রাণহানি হবে! কত সম্পদ ধ্বংস হবে! তাই বলপ্রয়োগ না, বরং সাম্যেরনীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানো অর্থনীতি এগিয়ে নেয়া সম্ভব। সিকদার রেদোয়ান আহমেদ আইন ও মুসলিম বিধান বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। সত্যি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি বাংলাদেশ পৃথিবীর সুন্দরতম বদ্বীপ। অবস্থানগত কারণে এখানে প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য রয়েছে। ৫ জানু’ ১৪ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশ যেন অচল হয়ে গিয়েছেল। হরতাল, অবরোধের কারণে দেশের অর্থনীতির গতিমন্থর (বিকলই বলা যায়) হয়ে গিয়েছিল। সত্য বলতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি যদি ভাল থাকে তবে এদেশের উন্নতি ঠেকাবে এমন কে আছে? যদিও হরতাল, অবরোধ শেষ হওয়ার পর পর্যটন খাত আবার রমরমা ব্যবসা শুরু করেছে। আমি নিজেও কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন ঘুরে দেখেছি সেখানে পর্যটকদের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের অর্থনীতি যেভাবে এগুচ্ছে, এটা যদি ক্রমবর্ধমান থাকে তাহলে মধ্যম আয়ের দেশ হতে বেশি সময় লাগবে বলে মনে হয় না। আমরা তরুণ প্রজন্ম দেশটাকে বড় বেশি ভালবাসি, বিশ্বের কাছে দেশের সম্মান অনেক উঁচুতে দেখতে চাই। তাই রাজনীতিবিদদের কাছে করজোড়ে অনুরোধ হরতাল, অবরোধের মত অর্থনীতি ধ্বংসের কর্মসূচি দিয়ে দেশটাকে পিছনের দিকে ধাবিত করাবেন না। সৌমিত বিশ্বাস এমবিএ, হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া দিন যতই যাচ্ছে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন ততই চাঙ্গা হচ্ছে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। এদেশের অর্থনীতির উন্নয়ন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিগত বছর পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, দেশের অর্থনীতি প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছিল। এর জন্য প্রধানত দায়ী রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য হরতাল, অবরোধ, পিকেটিংসহ নানা রকম কর্মকাণ্ড ও কর্মসূচি পালন করে। যা এ দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের পথে বাধা ও হুমকিস্বরূপ। সুতরাং, প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই উচিত দেশের ও জনগণের জন্য বৃহওম স্বার্থে একযোগে মিলেমিশে কাজ করা ও গণতন্ত্র চর্চা করা। তাহলে এ দেশের উন্নয়ন আরও চাঙ্গা হবে। মো. আউয়াল মিয়া কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন