স্থিতিশীল রাজনৈতিক
চাকা এগিয়ে নিচ্ছে
সম্ভাবনাময় অর্থনীতি
দেশের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে আছে অর্থনীতির উপর। যে কলঙ্কজনক অধ্যায় ২০১৩ সালের শেষার্ধে সৃষ্টি হয়েছিল তা অর্থনীতির শিরদাঁড়াকে ভেঙ্গে দিয়েছিল। সুন্দর, সুষ্ঠু, স্থিতিশীল রাজনীতি পারে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করতে। আজ তাই হচ্ছে, কিছুটা হলেও সহিংস রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে এসে সুধীমহল দৃঢ়তার সাথে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে উন্নতির দিকে। উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে অর্থনীতির চলমান ধারাকে আরো গতিশীল করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে এটাই সকলের কাম্য। উন্নততর অবস্থার জন্য প্রত্যেক মানুষ সুশৃঙ্খল ও নিরাপত্তা আশা করে। বাধাহীনভাবে এগিয়ে যাক আমাদের অর্থনীতি। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অর্থনীতিকে আরো চাঙ্গা করে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা সফল হোক।
জতি
বিএসসি (সম্মান), ৪র্থ বর্ষ, ইডেন কলেজ, গণিত বিভাগ, ঢাকা।
চলমান ঘুরে দাঁড়ানো অর্থনীতির
চাকা সচল রাখতে প্রয়োজন
দেশে সুশাসন নিশ্চিত করা
বাংলাদেশের অর্থনীতি মিশ্র অর্থনীতি। গতবছরের শেষদিকে বিরোধী দলের টানা হরতাল-অবরোধ ভেঙ্গে পড়েছিল এদেশের তৈরি পোশাক কারখানা। যার ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশ থেকে জিএসপি সুবিধা তুলে নিয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন শর্ত পূরণের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে আবার জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে সহায়তা করবে। এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা লাভ করবে। আর এই অর্থনীতিকে বাধাহীনভাবে এগিয়ে নিতে সরকারের উচিত দেশে সুশাসন নিশ্চিত করা।
মো. রুবেল আশওয়ান
বি.বি.এ (ব্যবস্থাপনা বিভাগ)
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের অর্থনীতি
স্বঅবস্থানে ফিরে
যাচ্ছে
রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশ অন্ধকারের অতল গহ্বরে চলে গিয়েছিল। এখন একটু ঘুরে দঁ্াড়ানোর চেষ্টা করছে। আবার সেটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠার পাঁ্য়তারা করছে। সেদিকে খেয়াল না করে গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানো কখনই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। সাধারণত জনগণের উপর বেশি প্রভাব পড়ে জিনিসপত্রের দাম বাড়লে এবং গ্যাস বিদ্যুত্ যদি বেশি মূল্য দিয়ে কিনতে হয়। তখন জনগণ এত চাপ সহ্য করতে না পেরে রাস্তায় নেমে পড়বে। রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত নিজেদের স্বার্থে মাঠে নামতে ডাকে। কোন রাজনৈতিক দল সারাজীবন ডাকলেও নামবে না। কিন্তু যখন দেয়ালে পিঠ টেকবে তখন জনগণ রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে। অতএব, এটা সরকারকে মাথায় রেখে সামনে এগুতে হবে।
মোহাম্মদ এহিয়া,
মিরপুর ল’ কলেজ মিরপুর, ঢাকা।
সচল অর্থনীতি অচল
করার উত্তম
হাতিয়ার—হরতাল
বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। বস্ত্রশিল্প, পাটশিল্প, চাশিল্প, চামড়া শিল্প ইত্যাদি বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে এ দেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। পাশাপাশি স্বদেশে উত্পাদিত কাঁচামাল বিভিন্ন জেলায় দেয়া-নেয়ার মাধ্যমে ভোক্তার চাহিদা সঠিকভাবে মিটানো সম্ভব হচ্ছে। যদিওবা কিছু কিছু পণ্য সামগ্রীর সংকট দেখা দিলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে আনতে হচ্ছে। তবু পণ্যদ্রব্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি মোটামুটি সচল রয়েছে। কিন্তু দেশে যখন হরতাল অবরোধ শুরু হয় তখন দেশবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ে। চতুর্দিকে জ্বালাও-পোড়াও, ধর-মার-কাট শুরু হয়ে যায়। গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কারণ সচল অর্থনীতিকে অচল করে দেয় হরতাল। বিগত দশম নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা, অবরোধ আর হরতাল আমাদেরকে তাই জানিয়ে দিয়ে গেল। ভবিষ্যতে আবার হরতাল এলে অর্থনীতির চাকা খরগোশ থেকে কচ্ছপগতিতে চলতে থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দেশবাসীর তা কাম্য নয়।
নূর সালাম খান
অনার্স (শেষ বর্ষ), বাংলা বিভাগ
সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা।
অর্থনীতির ক্ষেত্রে
দেশপ্রেমিকের
চাওয়া
একটি দেশের মানুষের চলা-ফেরা জীবন-যাপন সর্বোপরি সে দেশকে মূল্যায়ন করা হয় তার অর্থনীতির গতির মাধ্যামে। দেশের সম্মান বজায় রাখতে একজন দেশপ্রেমিকের চাওয়া হবে তার দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকা। আমরা চাই না আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর অপ-রাজনীতি হরতাল অবরোধের কারণে আমাদের সেই আশার আলো নিভে যাক। তাই আজকের এই সময়ে দাঁড়িয়ে একজন দেশপ্রেমিকের চাওয়া হবে সরকারি দলের প্রতি তারা যেন এমন অবস্থা সৃষ্টি না করে যাতে দেশের শান্তি নষ্ট হয়। আর বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান তারা যাতে আমাদের অর্থনীতিকে রাজনীতির হাতিয়ার স্বরূপ ব্যবহার করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে না নিয়ে যায়। তারা হরতাল অবরোধ না দিয়ে বিকল্প পথ ধরে রাজনীতি করুক। অর্থনীতির চাকা সচল করার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াক বিশ্বের বুকে।
আব্দুল্লাহ আল মামুন
দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া।
