টেলিফোনে পাঠকের মতামত

হলফনামা এবং রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন প্রসঙ্গ

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৪, ২১:২১
যেকোন মানুষ অন্যায় করলে তা একদিন প্রকাশ হবেই। হলফনামা রাজনীতিবিদদের সে রকম একটি বিষয়। তাদের দাখিলকৃত হলফনামায় আসল ও সত্য তথ্য দেয়াটাই একজন নির্বাচনী প্রার্থীর সততার বহি:প্রকাশ। মাসুদ আলম বিপ্লব উর্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা একজন সত্ রাজনীতিবিদের যেকোন নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য তার হলফনামায় সত্যিকারের সব তথ্য দেয়াটাই উত্তম। দুনীতির অভিযোগে তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হলেও পরবর্তীতে সে নিজেকে শুধরে নিতে পারেন। জাহাঙ্গীর হোসাইন পীরেরবাগ, ঢাকা রাজনীতিকদের চরিত্র হননের অনেক পথ রয়েছে। তার মধ্যে হলফনামা অন্যতম। নির্বাচনে দাখিলকৃত হলফনামা হচ্ছে এক ধরনের চরিত্র হননের মূল দলিল। যদিও ওই হলফনামা রাজনীতিকদের চরিত্রকে রক্ষা করবার জন্য দাখিল করা হয়। আসলে নির্বাচনী হলফনামা রাজনীতিকদের চরিত্রকে রক্ষা করতে পারে না। বরং তাদের চরিত্র হনন করে থাকে। এখন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী নির্বাচনী হলফনামা বাতিল করার ঘোষণা দেয়ায় রাজনীতিকদের যেমন উত্সাহিত করা হলো তেমনি রাজনীতিকদের চরিত্র হননের পথকে পরিষ্কার করা হলো। সুতরাং নির্বাচনী হলফনামা বহাল/বাতিল যাই করা হোক না কেন চরিত্র হননের পথ বন্ধ করতে হলে চরিত্রবান এবং সত্ চরিত্রের মানুষকে নিয়ে নির্বাচন করতে হবে। নইলে রাজনীতিকদের চরিত্র হনন যেভাবে চলছে তা বাড়তেই থাকবে। শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু কালিহাতী, টাঙ্গাইল একজন রাজনীতিবিদের উচিত অবশ্যই তার নিজের সম্পর্কে সত্য প্রকাশ করা। বিভিন্ন প্রার্থীর দাখিলকৃত হলফনামার সূত্র ধরে রাজনীতিবিদদের চরিত্র হননের চেষ্টা করা হয়। এটা কোনভাবেই ঠিক নয়। যেহেতু একজন রাজনীতিবিদ তার নিজের মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যান। সুতরাং এ বিষয়ে কোন ভুল নেই। রিফাত মালিবাগ, ঢাকা নির্বাচন আচরণ নিয়ম অনুযায়ী মহামান্য হাইকোর্টের অনুযায়ী হলফনামা প্রকাশে বাধ্য রয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করেছেন সে অনুযায়ী সবারই তথ্য জানার অধিকার রয়েছে। এমতাবস্থায় হলফনামা বন্ধের আইন প্রণয়ন করার কোন যৌক্তিকতা নেই। হলফনামা প্রকাশ করলেই যে রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন হয় এমন ভাবাটা ঠিক নয়। মো. আবদুল মজিদ সর্দার নির্বাহী পরিচালক ভিলেজ ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম সোসাইটি বাংগালপাড়া শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ নির্বাচনে প্রার্থীর প্রথম শর্ত হচ্ছে সত্, আদর্শ ও যোগ্যতা। অসত্ হলে সেটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় সর্বসাধারণের কাছে। কাজেই এ ব্যাপারে সচেতনতা ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। হলফনামার সূত্র ধরে রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন করা হয়- অভিযোগ উঠেছে। এটা সব ক্ষেত্রে সমান নয়। অবশ্য যদি নির্বাচনে প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য তুলে ধরেন। এটা চরিত্র হননের চেষ্টা করা হয় বটে। জাহাঙ্গীর খান বাবু মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা অবশ্যই এই নিয়মটি নির্বাচনী প্রার্থীকে হেয় করা ছাড়া আর কিছু নয়। যারা ভাবেন আমাদের দেশের রজনীতিবিদরা শুধু টাকা কামায়, তারা দেশের কথা ভাবে না, এমন মন-মানসিকতা যাদের মনে আশ্রয় নেয় তারাই এই কাজটি করে থাকে। অথচ রাজনীতিবিদ না থাকলে, দেশে গণতন্ত্র না থাকলে দেশে যে কখনো উন্নতি হবে না, এটা তারা ভাবে না। তারা ভাবে কি করে রাজনীতিবিদদের হেয় করা যায়, কিভাবে দেশের গণতন্ত্রকে নস্যাত্ করা যায়। এমন মন-মানসিকতা নির্বাচন কমিশনে যারা আছে তাদের পরিহার করতে হবে। জসিম উদ্দিন পুরান থেকে কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ২ দফা নির্বাচন ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আর এর মধ্যে আইন শৃঙ্খলা প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ব পূর্ণ রাখতে নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম তা দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষণীয় নয়। তাই সত্ ও যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে নিতে হবে আমাদের। কেয়া আক্তার স্টাফ রিপোর্টার টাইমস ২৪ ডা নেট, দক্ষিণখান, মোল্লার টেক, ঢাকা হলফনামাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিবিদদের শুধু শুধু চরিত্রহনন করা ঠিক নয়। বরং দেখতে হবে তারা আসলেই প্রকৃত পক্ষে কতটুকু সত্ ও যোগ্য প্রার্থী। শিশির আজিমপুর, ঢাকা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার পূর্বে হলফনামা প্রদান বিষয়টি সত্যি বর্তমান সরকারের সময় একটি যুগান্তর বিষয়। আমি মনে করি সরকারের প্রতিটি শাখায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের হলফনামার ব্যবস্থা থাকা দরকার। এতে করে অনিয়ম, দুর্নীতি, বা আয়বৃদ্ধির কারণসমূহ দেশবাসী জানতে পারবে। সুতরাং বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। শাহীন ডিওএইচএস, মহাখালী, ঢাকা উপজেলা পরিষদের তৃতীয় দফা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী সহিংসতা বেড়েছে। হলফনামাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিবিদদের হেয়প্রতিপন্ন করাটা ঠিক নয়। বরং তাদের যোগ্যতাকে বিবেচনায় অগ্রাধিকার দেয়াটা দরকার। তা-না হলে শুধু শুধু বিচার-বিবেচনা না করে রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন চেষ্টা করা কোনভাবেই সমীচীন নয়। এম,কে, আকন্দ ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি টাইমস ২৪ ডক নেট, মতিঝিল, ঢাকা হলফনামায় সম্পূর্ণ তথ্য এখন আর থাকে না। এতে পরবর্তীতে বহু সমালোচনা উঠে। কাজেই এতে করে রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন হয় না। ফারুক আহমেদ মালিবাগ, ঢাকা হলফনামায় সব তথ্য বেরিয়ে আসে না। যেহেতু সেখানে সত্য তথ্য দেয়া হয় না। পরবর্তীতে দেখা যায় টাকা ও সম্পত্তির পাহাড় অনেক। সেগুলো দেখে মানুষের সমালোচনায় টনক নড়ে প্রার্থীর। তবে এখানে কিছু নেই। চরিত্রহননের এখানে কিছু হয় না। লাড্লা পিলখানা, ঢাকা যারা হলফনামায় সম্পত্তির হিসাব দেয় এটা তাদের নিজের তৈরি করে দেয়া। সুতরাং এই হিসাব দেখে তাদের সমালোচনা না পূর্বের সম্পদের হিসাব মিল করা তখন এটা চরিত্রহননের কোন বিষয় নয়। যেহেতু তাদের অজানা আরো বহু সম্পদ থেকে যায়। তাদের স্ত্রীর নামে, শ্যালকের নামে। ভাইয়ের নামে আত্মীয়-স্বজনদের নামে সম্পদ থেকে যায়। সুতরাং এটা নিয়ে অবশ্যই সমালোচনা করা যাবে- এতে তাদের চরিত্রহনন হোক বা না হোক সেটা কারোর কিছু আসে যায় না। মোঃ আলাউদ্দিন প্রভাষক, চান্দিনা রেদাউন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, চান্দিনা, কুমিল্লা হলফনামাকে কেন্দ্র করে যে উক্তি উঠেছে চরিত্রহননের সেটা ঠিক নয়। হলফনামার যেহেতু সম্পূর্ণ সব হিসাব দেয়া হয় না। বহু সম্পদের হিসাবও তারা দেন না। সুতরাং বিষয়টি রাজনীতিবিদদের আরো সচেতন হতে হবে। আলমগীর মতিঝিল বা/এ, ঢাকা নির্বাচনে অংশগ্রহণ ইচ্ছুক প্রার্থীদের সম্পত্তির বিবরণ হলফনামার মাধ্যমে দাখিল করা সাংবিধানিক নিয়মনীতি। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন এবং স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া যা গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করে থাকে। সরকারকেও স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার জন্যে সত্ ও দক্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিতি প্রয়োজন। বিধায় হলফনামায় তারই বহিঃপ্রকাশ। সত্ ও অসতের প্রশ্ন উঠেছে বলেই রাজনীতিবিদদের বিভিন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণে হলফনামায় উল্লেখিত সম্পত্তি, অর্থের বিস্তারিত বিবরণ সঠিক কিনা তার খতিয়ে দেখার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়ে থাকে। চরিত্রহনন যদি উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তবে নিঃসন্দেহে নিন্দনীয় ও অবিলম্বে এটা বন্ধ করা উচিত। শুধু এ ব্যবস্থা বন্ধ করলেই চলবে না সাথে সাথে নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রার্থীদের হলফনামায় ব্যতিক্রম কিছু দেখা দিলে তাহা গোপনীয়তার মাধ্যমে তদন্ত করে তবে পর জনসম্মুখের প্রকাশ করা নিয়মের মধ্যে অন্তর্ভুক্তের ব্যবস্থা করা। আমার প্রত্যাশা দেশ সমৃদ্ধিশালী, দুনীতিমুক্ত, রাজনীতিবিদরা সোনার বাংলা গড়তে দুনীতিকে না বলুক এবং সোনার বাংলায় সোনার মানুষ গড়ার অঙ্গীকারে আবদ্ধ হোক। মন্জ খন্দকার চুয়াডাঙ্গা মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের হলফনামা নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়ার জন্য মহামান্য আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা আছে। সে মোতাবেক প্রার্থীরা স্বজ্ঞানে, সুস্থ মস্তিষ্কে, নিজে পড়ে ও বুঝে, কারো কর্তৃক প্ররোচিত না হয়ে নিজ নিজ নামে স্বাক্ষর করেই তা যথারীতি জমা দিয়ে থাকেন। কাজেই তার সূত্র ধরে রাজনীতিবিদদের চরিত্রহননের কোন অবকাশ আছে বলে আমরা মনে করি না। বরং মিথ্যা হলফনামার বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইনী প্রক্রিয়া গ্রহণ করা কোন মতেই দোষের নয় এবং সেটা রাষ্ট্রের আশু দায়িত্ব ও কর্তব্য বটে। ‘পাপ না শরীরে ভয় কিসের’ বলে গ্রাম্য একটা প্রবাদ আছে। ফলে আমরা দেখতে পাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ; অর্থমন্ত্রী এ.এম.এ. মুহিত; কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী; যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের; শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ; সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ অনেক মন্ত্রী, এমপি ও অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের হলফনামা নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। কাজেই যাদের মাথাব্যথা আছে তাদের সঠিক রোগ নির্ণয়সহ যথোপযুক্ত চিকিত্সার ব্যবস্থা নেয়া উচিত। পাশাপাশি সরকারি, বেসরকারি, কর্পোরেট ও সামরিক আমলা এবং বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও শীর্ষ পর্যায়ের পেশাজীবীদের এ ধরনের হলফনামার আওতায় বার্ষিক ভিত্তিতে আনা উচিত। ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী ৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩ সাম্প্রতিক সময়ে রাজনীতিতে আদর্শিক বিষয়টি লোপ পেয়েছে। এখন অতিশয় সত্ ও সজ্জন ব্যক্তিরা রাজনীতিক হতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। শুধুমাত্র রাজনীতি বিষয়টি অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ার কারণে। কয়েকদিন আগেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানা গেল এমপি, মন্ত্রীদের সহায় সম্পদের হিসেব, আর এতেই প্রতীয়মান হয়েছে স্ফীতি হয়েছে সম্পদের, রুগ্ন হয়েছে ব্যক্তির আদর্শের। এই যখন অবস্থা তখন প্রার্থীদের হলফনামার সূত্র ধরে রাজনীতিকদের চরিত্রহননের চেষ্টা তা রাজনীতিকদের সততার অবস্থানে দাঁড় করতে কতোখানি অনুকূল তা অবশ্যই বিচার্য বিষয়। হলফনামায় প্রার্থীরা তাদের সম্পদের, শিক্ষার, ঋণ ও বিল খেলাপির বিষয়টি যে সহজ সরল ভাবে উপস্থাপন করেন এটা শতভাগ নিশ্চিত করে বলা যাবে না। চপ্পলপরা প্রার্থী এমপি নির্বাচনে জিতে পদ-পদবী বলে অল্পদিনে নব্বই বিঘা জমি কেনার খবরও সংবাদপত্রে পড়েছি। চরিত্রহননের বিষয়টি কোনক্রমে যদি কোন আদর্শবান ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঘটে থাকে, তাহলে ঐ ব্যক্তির উচিত হবে কঠোর অবস্থান নিয়ে, চরিত্রহননকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, মানহানির মামলা ঠুকে আইনের অশ্রায় নেয়া। নির্বাচনের প্রার্থী, ও হলফনামা যাচাই-বাছাই কারীরা অত্যন্ত সাবধানতার সাথে স্ব-স্ব অবস্থানকে আদর্শের মাপকাঠিতে শতভাগ পরিষ্কার থাকবেন। দেশবাসী সেটাই আশা করেন। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর হলফনামায় প্রদত্ত তথ্য নিশ্চয়ই হলফ করে দেয়া। যারা দেশ ও জনগণের সেবার ব্রতে রাজনীতি করেন তাদের নিজের বিষয়ে নিজে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দেবেন না এটাই আমজনতার প্রত্যাশা। অথচ বর্তমান প্রসঙ্গে রাজনীতিবিদগণের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা উঠে যাবার ভয় রয়েছে। তবে রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন করা হয় বিশেষ উদ্দেশ্যে এবং যারা করেন তারাও ভাল না বরং গণতন্ত্রের শত্রু ও সুযোগ সন্ধানী। আবার রাজনীতিবিদগণের ব্যাপারে যে অভিযোগই করা হোক না কেন, তার শেষ দেখা হয় না জনগণের। সবকিছু ক্ষমতা ও কৌশলে ঢাকা পড়ে যায়। তাই কখনো কখনো মনে প্রশ্ন জাগে যখন নির্বাচনী প্রচারে বলা হয় ‘গরিবের বন্ধু, জনদরদী, সত্, ধার্মিক, সমাজসেবক’ ইত্যাদি তখন কেন বলা হয় না, এগুলো নির্বাচনের আগ পর্যন্ত থাকবে! অধ্যাপক মোঃ আলী এরশাদ হোসেন আজাদ বিভাগীয় প্রধান ইসলামিক স্টাডিজ কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ কাপাসিয়া গাজীপুর -১৭৩০। হলফনামাকে সূত্র ধরে রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন করা হয় এটা অসচ্ছ রাজনীতিবিদদের কথা। একজন খাঁটি রাজনীতিবিদ কখনো তার হলফনামায় সম্পত্তির হিসাব গোপন করে না এবং নির্বাচনে জয়লাভ করার পর অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের প্রতিযোগিতায় মেতে থাকে না। অথচ এ সরকারের অসংখ্য এমপি, মন্ত্রীদের সম্পদ কিভাবে শত শত গুণ বেড়ে গেল। নির্বাচনের আগে একজন রাজনীতিবিদ যদি হলফনামা প্রদান না করে তবে জাতির কাছে তার দায়বদ্ধতা থাকে না। বর্তমানে আমরা লক্ষ্য করছি রাজনীতিবিদদের হলফনামা প্রদানের পরও তাদের জাতির কাছে বিন্দুমাত্র দায়বদ্ধতা তৈরি হয়নি। তাদের নির্বাচনের পূর্বের হলফনামা এবং পরের হলফনামার মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। এতো সম্পদ তাদের কিভাবে হলো তার দায়সারা ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। বিগত গুটিকয়েক এমপি মন্ত্রীদের অবৈধ সম্পত্তির তদন্ত করছে দুদক এটা ইতিবাচক তবে এটা এক ধরনের আইওয়াশ ছাড়া আর কিছুই না। বর্তমান মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যই এ অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। একজন রাজনীতিবিদের জন্য হলফনামা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এ সরকার বলছে হলফনামা রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন করে। এ ধরনের মানসিকতা হতে তাদের দ্রুত বের হয়ে আসা প্রয়োজন। এটা কি জাতির সাথে এক ধরনের তামাশা নয়? সকল দলের রাজনীতিবিদদের এ সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসা উচিত। মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন সারিয়াকান্দী, বগুড়া সকল নির্বাচনেই প্রার্থীদের দাখিলকৃত হলফনামার সূত্র অনেকের জীবনযাত্রার সাথে মিল থাকতে পারে। এটা চরিত্র হননের বিষয় নয়। নির্বাচনে জয়ী হয়ে ভালো কাজ করতে ও ভালো পথে চলতে প্রতিষ্ঠা করাই রাজনীতিবিদদের নেয়া উচিত। পুরোনোকে মুছে ফেলে নতুনের সমারোহে প্রার্থীদের মন-মানসিকতা তৈরি করতে রাজনীতিবিদদের ভালো মন বৈরী করতে হবে। নিজেদের ঢোল বাজালে চলবে কিভাবে? রাজনীতিবিদদের সংযত হতে হবে। তাহলে চরিত্র হননের বিষয়টি জনসম্মুখে আসবে না। আশা এলিজাবেথ ও গোমেজ, প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষিকা, সেন্টমার্টিন কিন্ডারগার্ডেন স্কুল লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা-১১০০ হলফনামার মধ্যদিয়ে একজন সংসদ সদস্যের নাড়ি-নক্ষত্র বের হয়ে আসে। বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের দাখিলকৃত হলফনামার মধ্যদিয়ে প্রার্থীর অবস্থা, দুর্নীতিপরায়ণ কি-না বা সত্ আদর্শবান কি-না সেটা আয়নার মতো স্পষ্ট দেখা যায়। সুতরাং হলফনামা যে কোন নির্বাচনী প্রার্থীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোঃ আতিকুর রহমান রূপনগর বা/এ, ঢাকা হলকনামাকে ধরে যে রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে তার দ্বিমত রয়েছে। সকলে সমান নয়, সব রাজনীতিবিদই তেমনি সমান নয়। কোন কোন ভালো আদর্শবাদ, ন্যায়নিষ্ঠ, সত্ রাজনীতিবিদদের কলঙ্ক লেপন করা নানারকম মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক কথা বলে। এটা কারোরই কাম্য নয়। যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য নেতৃত্ব দেবে এটাই সবার প্রত্যাশা। এম.কে. মোঃ রমিজউদ্দিন, প্রশিকা,প্রধান কার্যালয়, মিরপুর, ঢাকা হলফনামাকে সূত্র ধরে রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন করা হয় যে অভিযোগ উঠেছে তা কোনক্রমেই ভুল নয়। বিভিন্ন নির্বাচনে পদপ্রার্থীদের হলফনামায় অনেক সময় তার পদমর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করার জন্য এই নিয়ম করা হয়ে থাকে। একজন সংসদ সদস্য তার পদমর্যাদাকে নানাভাবে ভুলত্রুটিকে আরো বেশি করে উপস্থাপন করা হয় যা কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হয় না। সুতরাং আমরা মনে করি হলফনামার নামে দাখিলকৃত রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন করা কোনক্রমেই ঠিক নয়। মোঃ খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ দেশে যে কোন নির্বাচনেই জনগণ আশা ও প্রত্যাশা করে একজন সত্, যোগ্য প্রার্থী আসুক। নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পাশাপাশি হলফনামা সবার জন্য একান্ত জরুরি। মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহিদউল্লাহ ফেনী হলফনামাকে কেন্দ্র করে যে কথা উঠেছে সেটি অত্যন্ত জোরালো। যে অভিযোগটি উঠেছে নির্বাচন প্রার্থীদের তাদের দাখিলকৃত হলফনামার রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন অনেকক্ষেত্রেই করা হয় এটা বেমালুম ভুলে যাই। কাজেই এ বিষয়ের দিকে সুদৃষ্টি রাখা দরকার। মোঃ শহীদুল ইসলাম (রয়েল) নিশিদারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া সংসদ সদস্যদের হলফনামা কিংবা মন্ত্রীমহোদয়দের হলফনামা প্রদান কোনক্রেমেই বন্ধ করা উচিত হবে না। কারণ একটি দেশের মাননীয় আইন প্রণেতারা ও নেতারা বা মাননীয় মন্ত্রীমহোদয়দের জনগণের জ্ঞাতার্থে সম্পদের হিসাব প্রদান একটা উঁচুমানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দলিল। আমরা ভালো কোন কিছু ধরে রাখতে পারি না বা চাই না। হলফনামার দেয়ার মধ্যদিয়ে একটি মানুষের সততা, আয় বৃদ্ধির উত্স, এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের খুঁটিনাটিসমূহ জানতে পারি। একজন সংসদ সদস্যের আয়-উন্নতির কারণ উপার্জনের প্রেক্ষাপট এবং জীবনমানের ব্যাপক পরিবর্তনের মূল কারণসমূহ জানার অধিকার জনগণের আছে। সব পর্যায়ের জনগণের প্রতিনিধিদের এ ধরনের হলফনামা দেয়া একটি উত্তম ব্যবস্থা। জনগণ যদি সকল ক্ষমতার উত্স হয় তাহলে জনগণকে ভয় করে আর উন্নতির উত্সসমূহকে গোপন রাখা অনৈতিক কাজ। আমরা মনে করি হলফনামা দেয়া দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে ইউপি সদস্য পর্যন্ত চালু রাখা উচিত। এরফলে জনগণের শক্তি সম্পর্কে জনপ্রতিনিধিদের সত্যিকার অর্থে একটি ইতিবাচক ধারণা জন্মাচ্ছে। দেশব্যাপী সততা সংস্কৃতিতে একটি রেওয়াজ চালু হবে। ওয়াহিদ মুরাদ স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর রাজনীতিবিদদের সত্যিকার অর্থে দেশপ্রেমিক, সত্ ও আদর্শবান হওয়া দরকার। এতে করে দেশের সার্বিক উন্নতি সম্ভব। আর অন্যদিকে তাদেরকে চরিত্র হননের বিষয়টি নিয়ে শুধু শুধু হয়রানি করাটা ঠিক নয়। এতে তাদের ব্যক্তিজীবনেও নানা সমস্যা দেখা দেয়। মোঃ খায়রুল বাশার (চয়ন) কুতুবখালি, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা হলফনামা সংক্রান্ত যে কথা বলা হচ্ছে তার সাথে আমি একমত। যেহেতু সাধারণ মানুষ এখন সত্, আদর্শবান, নীতিবান, দেশপ্রেমিক মানুষ দেখতে চায়। সেজন্য রাজনীতিবিদদের সত্যিকার অর্থে আদর্শবান হওয়া বাঞ্ছনীয়। মোহাম্মদ ইব্রাহিম, উত্তরখান, মাজারপাড়া উত্তরা, ঢাকা ৫ বছর আগের সাধারণ কেউ ক্ষমতায় থাকার পরে হয়ে গেছেন কোটিপতি। এই টাকাগুলো কোথা হতে এসেছে? আলাদিনের চেরাগ পেয়েছেন। আসলে সরকারি খাসজমি দখল করা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং দুর্বল মানুষের সম্পত্তি দখল করা, মিথ্যা মামলা দিয়ে ভদ্রলোকদের হয়রানি করা এটাই হচ্ছে এদের কাজ। আগে রাজনীতি ছিল নেশার, এখন রাজনীতি হয়ে গেছে পেশা। সৈয়দ হায়দার আলী, সভাপতি, মহাখালি যুবকল্যাণ সমিতি মহাখালি, ঢাকা রাজনীতিবিদদের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য অবশ্যই ন্যায়সঙ্গতভাবে দেখা দরকার। শুধু শুধু হয়রানি ও তামাশা করার জন্য এই নিয়মনীতি করাটা ঠিক নয়। তবে নির্বাচন কমিশনের কঠোর হওয়ার ঘোষণা কথার কথা নয়। বাস্তবে দেশবাসী এর প্রতিফলন দেখতে চায়। মোঃ মনির হোসেন মনির বুক এন্ড সংবাদপত্র বিক্রয়কেন্দ্র মিরপুর-১, ঢাকা নির্বাচনে দাখিলকৃত হলফনামার মাধ্যমে রাজনীতিকদের রক্ষা করার কথা, কিন্তু এখন যা হচ্ছে তাতে মনে হয় হলফনামার মাধ্যমে রাজনীতিকদের চরিত্র হনন করা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। মনে রাখতে হবে দেশে রাজনীতি না থাকলে দেশ উন্নত হবে না। তাছাড়া রাজনীতিবিদরাই যে পারেন দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে তা যারা এর দায়িত্বে আছেন তাদের জানা উচিত। তাই হলফনামার মাধ্যমে রাজনীতিবিদদের চরিত্র হননের চেষ্টা করা উচিত নয়। আলমগীর হোসেন, ভালুকা বাজার, ভালুকা, ময়মনসিংহ বাংলাদেশে অধিকাংশ রাজনৈতিক ব্যক্তির চরিত্র ভাল নেই। আমরা আগে জানতাম যারা সমাজতন্ত্র কায়েম করবার জন্য রাজনীতি করে তারা ভাল কিন্তু এখন কি? যারা সমাজতন্ত্র করেন তারাই এখন কোটিপতি। হলফনামায় সবাই মিথ্যা কথা বলে। সত্যকে তারা আড়াল করে রাখে। কাজেই আমরা আগে নিজেরাই সংশোধন হই। নিজেরা ভাল হলে দেশটাই ভাল থাকবে। মোতাহার ইসলাম, নওপাড়া, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর যেসব রাজনীতিবিদ বিপুল দুর্নীতির মাধ্যমে ফুলে-ফেপে উঠেছে, তাদের কি আদৌ কোন চরিত্র আছে যে হলফনামার মাধ্যমে চরিত্র হনন করা যাবে? আমরা জানি এবং বিশ্বাস করি যে, হলফনামায় দেখানো সম্পদের চেয়ে প্রত্যেকের আরও একশ গুণ থেকে হাজার গুণ সম্পদ বেশি আছে। আমরা এমনও জানি যে, বাবা-মা, ভাই-বোন, ভাতিজা-ভাতিজি, শ্বশুর-শাশুড়ি কিংবা শ্যালক-শ্যালিকা ইত্যাদি আত্মীয়-স্বজনের নামে তারা সম্পদের পাহার বানিয়ে রেখেছেন। সত্যিকারভাবে দুর্নীতি মূল উত্পাটন করতে সরকারি কর্মচারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদদের প্রত্যেকের নিজের এবং আত্মীয়-স্বজনদের বছর বছর আর্থিক হিসাব দেয়া উচিত। গ্রামেগঞ্জে এমনও কথা আছে যে, রাজনীতি হলো বিনা পুঁজিতে একটি বড় ব্যবসা। শাহ্ আলম খান স্বরল, বাশখালী, চট্টগ্রাম রাজনীতিবিদেরা রাজনীতি করেন। তাদের মননশীলতা ও আদর্শবান ও সত্ হওয়া অবশ্যই উত্তম। আর তাদের হলফনামায় সমস্ত তথ্য সত্য দেয়াটাই শ্রেয়। কোন রকম তথ্য গোপন রাখা ঠিক নয়। নীলুফা আক্তার, টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা। হলফনামা প্রকাশের কারণে রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্র হনন হয় এমন ভাবা ঠিক নয়। কারণ ক্ষমতায় থাকলে আঙ্গুল ফলে কলাগাছ হয় তাই হলফনামার মাধ্যমে তার সত্যকে প্রকাশ করা হয়। মো. জাকির হোসেন, সেতু সংস্থা, ছিলিমপুর শাখা, টাঙ্গাইল বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের তাদের দাখিলকৃত হলফনামার সূত্র ধরে রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন সম্পর্কে যে কথা হয়েছে তা ঠিক নয়। বাশার, লালবাগ, ঢাকা হলফনামাকে এড়িয়ে যাবার কোন পথ নেই এটাই মূল মন্ত্র। রাজনীতিবিদদের তাদের সমস্ত কিছু তথ্য সত্য উপস্থাপন করাটাই হচ্ছে সততার পরিচয়। এতে তাদের চরিত্র হননের কিছু নেই। বাদশা মিয়া, মিরপুর-১৩, ঢাকা রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন করা হয় হলফনামাকে সূত্র ধরে যে বলা হয়েছে সেটা সত্যিকার অর্থে ঠিক। একজন মাননীয় মন্ত্রী, বা সংসদ সদস্য বা নির্বাচনী প্রার্থীকে তার আত্মমর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করা হয়। এটা করা ঠিক নয়। হোসনে আরা করিম নীলা, এনায়েতগঞ্জ লেন, পিলখানা, ঢাকা একজন সত্ আদর্শবান রাজনীতিবিদের প্রথম কাজ হচ্ছে তার নিজের তথ্যটি সঠিকভাবে হলফনামায় উপস্থাপন করা। নতুবা সত্য গোপন রেখে পরবর্তীতে তার ভুল ত্রুটিগুলোকে শুধরে নেওয়া। সাইফুল্লাহ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা হলফনামাকে নিয়ে যে সব কথা উঠেছে তা সবক্ষেত্রে ঠিক নয়। যেহেতু দেশে এখনো দেশ প্রেমিক বা আদর্শবান সত্ রাজনীতিবিদ আছে সেই নতুন মানুষকে খুঁজে বের করে আনতে হবে। পুরানোকে ছিন্ন করে নতুনকে আবিষ্কার করে বিভিন্ন নির্বাচনী প্রার্থীদের ঢেলে সাজাতে হবে। পাশাপাশি তাদের হলফনামাগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভালোভাবে পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিত করাই হবে দেশের জন্য মঙ্গল। মোটকথা নতুনদের সুযোগ করে দিতে হবে তাহলেই দেশের মানুষ শান্তি পাবে। মানুষ স্বস্তি পাবে দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী সাবেক ভিপি, কবির হাট সরকারি কলেজ, নোয়াখালী প্রত্যেক নির্বাচনী প্রার্থীকে হলফনামায় তাদের তথ্য সত্য প্রদান করাটাই শ্রেয়। এতে করে নির্বাচনের আগে পরে কোন কথা হয় না। মাসুম আহম্মেদ শিকড়ের সন্ধানে যাত্রাবাড়ী, ঢাকা হলফনামার ব্যবহার দরকার যেহেতু অনেকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন ও মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে থাকেন। এতে করে পরবর্তীতে তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। সবমিলে আমরা চাই সুস্থধারার রাজনীতি। আইরিন সুলতানা (সন্জু) মাইজপাড়া, ধুপপুর, চট্টগ্রাম নির্বাচনে প্রয়োজন সত্ ও যোগ্য প্রার্থী তিনি নিরপেক্ষ হলেও গ্রহণযোগ্য। কাজেই হলফনামা সূত্র ধরে যে রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন করা হয় বলা হয় তা ঠিক নয়। মোঃ মেজবাহউদ্দিন সেলিম শেওড়াপাড়া, ঢাকা বর্তমানে হলফনামাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিবিদদের যেভাবে হয়রানি করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। কারণ সত্যিকার অর্থে যে সকল দেশদরদী রাজনীতিবিদগণ তাদের বিষয় সম্পত্তির সঠিক তথ্য প্রদান করেছেন তারা এর আওতায় পড়েন না। ফলে তাদের চরিত্রহননের কোন প্রশ্নই ওঠে না। কেননা নির্বাচনের পূর্বেই তারা সঠিক হলফনামা দাখিল করেছেন। অথচ যারা মিথ্যা তথ্যের আশ্রয় নিয়েছেন এবং জালিয়াতি করেছেন ও জনগণকে ঠকিয়েছেন তাদেরকে অবশ্যই জাতির কাছে জবাবদিহিতার জন্য আইনের আওতায় এনে বিচার করা একান্ত দরকার বলে আমি মনে করি। কেন না অদূর ভবিষ্যতে যেন আর কোন ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান/ নির্বাচনী প্রার্থীগণ এহেন কাজ করতে আর সাহস না পায় বা জাতিকে ধোঁকা দেয় না। আলহাজ্ব মোঃ হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু) উপদেষ্টা, নজরুল একাডেমী, হাউজিং ষ্টেট রাজশাহী ৬২০২ সত্ রাজনীতি যারা করেন তাদের দাখিলকৃত হলফনামা নিয়ে কেউ কখনো সত্ রাজনীতিবিদদের চরিত্রহননের অপচেষ্টা চালায় না। অসত্ রাজনীতিবিদদের দাখিলকৃত অসত্ হলফনামা নিয়েই মানুষ সমালোচনামুখর হয়ে ওঠে। অন্যদিকে তাদের চরিত্রহনন করে, এটাই স্বাভাবিক। তাই রাজনীতিবিদদের আহ্বান করি হালাল হলফনামা দাখিল করুন, সত্ উপায়ে, অর্জিত অর্থে, হালাল খাবার খান এবং পরপারের ট্রেনে উঠার হালাল টিকেট ক্রয় করে রাখুন এবং মানুষের সমালোচনা হতে মুক্ত থাকুন। মোঃ লুত্ফর রহমান বাদল এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা নির্বাচনের সাথে নির্বাচন প্রার্থীর একটা সমন্বয় থাকা জরুরি। নির্বাচন প্রার্থী দাখিলকৃত হলফনামায় সম্পূর্ণ তথ্য দেবে। তবে অনেক সময় প্রার্থী মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে থাকে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে অনেক সমালোচনা হয়। পক্ষান্তরে নির্বাচন প্রার্থী বিভিন্নভাবে নির্যাতনে শিকার হোন। এক্ষেত্রে নির্বাচন প্রার্থীর অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে। অন্যদিকে বাহিরের কোন কথায় কান না দিয়ে ভবিষ্যত্ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া উচিত। আকাশ আহমেদ জারসা, কুমারখালী, কুষ্টিয়া ভালো কাজে পুরস্কার আছে এ কথা সর্বকালের সত্য। নির্বাচনে প্রার্থীরা যদি ভালো কাজ করেন তাদের জয় আছে ও থাকবে। কাজেই হলফনামার দাখিল বিষয়ে রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন সম্পর্কে যে কথা বলা হয়েছে তা অনেক ক্ষেত্রেই ঠিক নয়। সোহাগ ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা