ঘুরে দাঁড়ানো অর্থনৈতিক
সম্ভাবনাকে কাজে
লাগাতে হবে
আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে যদি বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়, তাহলে এখনই ঘুরে দাঁড়িয়ে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে কাজে লাগাতে হবে, তাই অর্থনৈতিক স্বার্থে দেশের কথা চিন্তা করে আমাদেরকে যেকোন সহিংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন মানে দেশের উন্নয়ন, তাই আমাদের রাজনীতিবিদদের কাছে অনুরোধ দেশ ও জনগণের কথা চিন্তা করে আপনারা এমন কোন কর্মসূচি দিবেন না যেটাতে আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। কারণ অর্থনীতি যতই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চাকরির বাজার ততই সমৃদ্ধ হবে। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে আমরা মুক্তি পাবো। তাই দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
শারমিন সালাম উর্মি
ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এন্ড টেকনোলজি
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
বজায় থাকলে, ঘুরে দাঁড়াবেই
বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল ও অর্থনীতিতে সম্ভাবনাময় একটি দেশ। দেশের আয়তন জনসংখ্যার তুলনায় কম হলেও সম্পদে ভরপুর আমাদের এ দেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু গত এক বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতায় দেশের অর্থনীতির চাকা প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হওয়ায় দেশের অর্থনীতি আবার সামনের দিকে এগুচ্ছে। তাই দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে হরতাল, অবরোধ, মিছিল, মিটিং বাদ দিয়ে দেশ ও দেশের জনগণের মঙ্গলের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
সেন্টু দাস
১ম বর্ষ ২য় সেমিস্টার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ
আসুন উইপোকামুক্ত
অর্থনীতি গড়ার প্রত্যয়
ব্যক্ত করি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।
আমরা যদি একটি ঘর নির্মাণ করতে চাই তাহলে প্রথমত প্রয়োজন এক টুকরা জমি। তবে দ্বিতীয়ত প্রয়োজন সে ঘরের খ্ুঁটি। যা ছাড়া ঘর নির্মাণের কল্পনা করা যায় না। আর এর উপর নির্ভর করে ঘরটি দাঁড়িয়ে থাকে। মনে রাখতে হবে, খুঁটি মজবুত হলে ঘর মজবুত হবে। তবে এই খুঁটির মধ্যে যদি কোনপ্রকার উইপোকা ধরে যায় তাহলে ঘর আস্তে আস্তে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই, আমার মনে হয় প্রত্যেকটি দেশ এক একটি ঘরের মত। প্রথমত জায়গা দ্বিতীয়ত খুঁটির ন্যায় অর্থনীতি। যার উপর ভর করে দেশ পরিচালিত হয়। যদি অর্থনীতি ভাল অবস্থানে থাকে তাহলে দেশ ঘরের মত দীর্ঘস্থায়ীভাবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে টিকে থাকে। আর যদি খুঁটির ন্যায় অর্থনীতিতে উইপোকা ধরে যায় অর্থাত্ হরতাল অবরোধ ইত্যাদি ধ্বংসাত্মক কার্যাবলী আক্রমণ করে বসে তাহলে দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়।
নুরউদ্দিন আহসান
দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
দেশের উন্নতি
অর্থনীতির উপর
নির্ভরশীল
সাম্প্রতিক সময়গুলোতে রাজনৈতিক সংঘাত থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতির রেখা ক্রমবর্ধমান। তাছাড়া আমাদের বিশাল জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতি আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। যখন আমাদের দেশের জনসংখ্যা জনশক্তিতে পরিণত হবে তখন দেশের অর্থনীতি শুধু এশিয়া মহাদেশ নয় সারা বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি হবে। আমাদের দেশের তরুণ সমাজের একটা বিশাল অংশ বেকার। কিন্তু এই বেকারত্ব কাটাতে পারলে ও বিশাল এ অংশকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের এই দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরও এগিয়ে যাবে। তাই আমাদের সকলেরই উচিত সময়ের সদ্ব্যবহার করে যে সমস্যাগুলো অর্থনীতির উন্নতির পথে বাধাস্বরূপ তা খুঁজে বের করে সমাধান করা ও অর্থনীতির উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখা। সর্বোপরি স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের হিংসাত্মক রাজনীতি পরিহার করে সঠিক গণতন্ত্র চর্চা করা উচিত বলে মনে করি।
বিশ্বজিত্ ভট্টাচার্য
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, ১ম বর্ষ ২য় সেমিস্টার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।
দেশকে এগিয়ে নিতে হলে
হরতাল, অবরোধ
বন্ধ করতে হবে
বাংলায় একটি প্রবাদ আছে ‘দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল’ কথাটি কেন বলা হয় তা আমরা সকলেই জানি। হরতাল, অবরোধ যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্য সংবিধান স্বীকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য হরতাল, অবরোধ অবশ্যই বর্জনীয়। বিগত কয়েক মাসের হরতাল, অবরোধের কারণে আমাদের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা যে আইসিঊতে চলে গিয়েছিল তা তো আমরা সকলেই জানি। সেই সঙ্কটাপূর্ণ অবস্থা থেকে আমরা উত্তরণের চেষ্টা করছি মাত্র। আর এই মুহূর্তে হরতাল, অবরোধ কারোরই কাম্য নয়। আমাদের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য হরতাল, অবরোধ মুক্ত সুস্থ ধারার রাজনীতি দেখতে চায় দেশের সাধারণ জনগণ।
রকিবুল ইসলাম শাকিল
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, প্রথম বর্ষ,
দ্বিতীয় সেমিস্টার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।
