[ রা জ নী তি ]

বর্তমান রাজনীতির কঠিন বাস্তবতা

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৪, ২১:৩৫
আগের যে কোন সময়ের তুলনায় শাসক দল আওয়ামী লীগ এখন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। দলটির সামনের চ্যালেঞ্জগুলো বহুমাত্রিক এবং বিচিত্রধর্মী। এই বাস্তবতা থেকে বিএনপি, জামায়াত এবং জাতীয় পার্টিও বিচ্ছিন্ন নয়। বর্তমান লেখায় সঙ্গত কারণে শাসক দল আওয়ামী লীগের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। মোটা দাগে এ সংকটগুলো আদর্শিক, সুশাসন প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়-সংশ্লিষ্ট। যদিও এর বাইরে আরও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং সব মিলিয়ে সেগুলো একটি আর একটির সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত। আদর্শিক সংকট যেমন অভ্যন্তরীণ তেমনি অন্যান্য শক্তির সঙ্গে দ্বন্দ্বমুখর। আওয়ামী লীগের প্রত্যয় এবং জাতি হিসেবে দেশের সত্যিকার অস্তিত্ব বজায় রাখার প্রশ্নটি প্রায় ‘সমান্তরাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার এ ধরনের বিশ্লেষণ অপরাপর প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমর্থকেরা এক দেশদর্শী বা পক্ষপাতমূলক বলে ভাবতে পারেন। বিশেষ করে দেশের অন্যতম বড় আরও একটি দল হতে এরূপ ধারণা পোষণ করা বিচিত্র কিছু নয়। কারণ বিএনপিও ‘মুক্তিযোদ্ধার’ দল হিসেবে নিজেদের দাবি করে আসছেন। দাবিটি মিথ্যে নয়। একজন অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এ দলটির প্রতিষ্ঠাতা। দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধ করেছেন এবং খেতাব অর্জন করা ‘মুক্তিযোদ্ধারাও’ সংযুক্ত রয়েছেন। তবে প্রশ্ন হলো মুক্তিযোদ্ধারা সংযুক্ত হলেই একটি দল ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক সম্পন্ন’ দল হয়ে ওঠে না। যাঁরা ’৭১ এ যুদ্ধ করেছেন নানা কারণে তাদের কেউ কেউ বিভ্রান্ত হয়ে পড়তে পারেন, কিংবা নিজেকে ‘মূলধারার’ সঙ্গে সম্পৃক্ত না-ও রাখতে পারেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পরে বেসামরিক (যদিও ছদ্মাবরণে ছিল উর্দি) ও প্রত্যক্ষ সামরিক শাসকেরা এবং তাদের উচ্চাভিলাষী মনোভাবের দ্বারা প্রভাবিত রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধের পূর্ববর্তী পাকিস্তানী ধারার রাজনীতি ও আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংকল্পে কাজ করতে সচেষ্ট ছিলেন। দেখা যায় মুক্তিযুদ্ধের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত পাকিস্তানী ধারার ধারক-বাহক শাসকেরা ৪২ বছরের মধ্যে প্রায় ৩০ বছর ধরে শাসন করেছেন। সুপরিকল্পিতভাবে তারা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক “ইতিহাস বিকৃত’ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের এদেশীয় শত্রুদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন, পুরস্কৃত করেছেন। রাজনৈতিক ক্ষমতার ভাগ দিতেও তারা পিছপা হননি। মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার জায়গা,— অসাম্প্রদায়িকতা, বাঙালি সংস্কৃতিকে তছনছ করতে তত্পর হয়েছেন। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নানা প্রকার চাপ সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছেন—এক কথায় পাকিস্তানী কায়দায় শাসন চালিয়ে যেতে চেয়েছেন। এ কারণে দেখা যায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা বিগত ৪২ বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। সংখ্যা হ্রাসের বিষয়টি পরিসংখ্যান দ্বারা পরিমাপ করলে হয়তো দেখা যাবে যে সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ‘বাংলাদেশী সংস্কৃতির’ প্রতিভু দলের সময়েই অথবা তাদের দ্বারা সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণেই ‘ক্লিনজিং’ প্রক্রিয়া দ্রুতগতি পেয়েছে। মূলধারা থেকে বিএনপির বিচ্যুতি এভাবেই ঘটেছে। এর সঙ্গে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে আরও একটা বিষয় সংগতভাবেই যুক্ত হয়ে পড়ে। বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী —ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতি করার ‘সনদ’ প্রদান করা হয়েছে। অথচ বৈপরীত্য হলো ধর্মভিত্তিক’ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনৈতিক আদর্শ সম্পূর্ণভাবে গণতন্ত্র বিরোধী। কারণ তারা জনগণের সার্বভৌমত্বকেই বিশ্বাস করে না বা মানে না। দ্বিতীয়ত, এ ধরনের দল গঠন ও তার কার্যক্রম পরিচালনা করা সংগত কারণেই স্বাধীনতা অর্জনের পরে নিষিদ্ধ ছিল। কেননা, তাদের আদর্শ এবং কর্মকাণ্ড মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। শুধু তাই নয় ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট পরবর্তী শাসক-শক্তিগুলো নিজেদের বৈধ্যতার জন্য ধর্মকে অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয়। অর্থাত্ ‘ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার’ আরম্ভ করেন। বিষয়টি ধর্মের মূল প্রত্যয় বিরোধী এবং সেই সঙ্গে আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ের সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকেও খণ্ডিত করে ফেলেন, ধর্ম শিক্ষাকে রেখেও একমুখী শিক্ষা হতে পারতো সত্যিকারভাবে আধুনিক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ। প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিক ধারায় না এনে তাকে আরও ‘অন্ধকারমুখী’ করার ব্যবস্থা পাকা পোক্ত করা হয়। ফলে রাজনৈতিক সংস্কৃতি—প্রকৃতপক্ষে পশ্চাত্মুখী রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ধারায় এগিয়ে যেতে থাকলো—যে ধারা কিনা পরিপূর্ণভাবে অ-আধুনিক এবং উত্পাদন বিমুখ এবং গোঁড়া পন্থী। এই ‘বিষবৃক্ষ’ আজ শাখা প্রশাখা বিস্তার করেছে বিপুলভাবে—এই বাস্তবতাকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যয় নির্ভেজালভাবে সামনে এগিয়ে নেয়াই সম্ভবত আজকের আওয়ামী লীগের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এটি অত্যন্ত কঠিন বাস্তবতা। কেননা, এই বাস্তবতা আওয়ামী লীগের সামনে একটি বড় মাপের উভয় সংকট সৃষ্টি করছে। একদিকে মুক্তিযুদ্ধের নির্ভেজাল চেতনা—অন্যপ্রান্তে ৩০ বছরের নষ্ট রাজনীতির দ্বারা সৃষ্ট অগণতান্ত্রিক, সাম্প্রদায়িক এবং পাকিস্তানী স্টাইলে ধর্ম ব্যবহারকারী রাজনৈতিক প্রবণতা। নষ্টধারা কর্তৃক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের’ দ্বারা সৃষ্ট পরিস্থিতিটি এমন যে তাকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে বা রাতারাতি বদলিয়ে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ও ধারায় ফিরে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। যার ফলে আন্তর্জাতিক মুরুব্বি এবং দেশীয় সচেতন (?) সুশীল মানবেরা পর্যন্ত গণতন্ত্রের এই মৌলিক দিকটি উপেক্ষা করে তাদের বুলি এবং বিকৃততত্ত্ব অহরহ প্রচার করে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতির পাকে বাঁধা পড়ে একমাত্র ভরসার স্থল আওয়ামী লীগ—দলটি আজ আদর্শিকভাবে অনেক সময় দিশেহারা হয়ে পড়ে। সে জন্য দেখা যায় সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী দল নিষিদ্ধ করার দাবি মেনে নেয়ার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ কোনো প্রকার সুস্পষ্ট অবস্থান নিতে পারছে না। কারণ আওয়ামী লীগকে টিকে থাকার জন্য ‘ভোটের হিসাবও’ মাথায় রাখতে হচ্ছে। বাস্তবতা হলো মুক্তিযুদ্ধের নির্ভেজাল চেতনায় আস্থাহীন এবং বিভ্রান্ত ভোটারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে (কারণ ইতিমধ্যে ব্যাখ্যাত)। অতি সম্প্রতি আওয়ামী লীগ থেকে ঘোষণা এসেছে যে ‘আগামী জুন মাসের মধ্যে জামায়াত নিষিদ্ধ করা হবে।’ সম্ভবত এরই প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিভিন্ন স্থানে জামায়াত সমর্থকরা আগাম নিশ্চয়তার জন্য আওয়ামী লীগে যোগ দিতে আরম্ভ করেছে। আওয়ামী লীগে সম্ভবত এখন জামায়াতের সমর্থকরা যোগ দিচ্ছে—এক, আওয়ামী লীগকে ‘গিলবার’ জন্য, দুই, সাময়িক শেল্টার পাওয়ার জন্য। তবে আওয়ামী লীগ বিষয়টি কীভাবে দেখবে এটি তাদের দলের বিষয়। তবে এ প্রক্রিয়া জোরদার হলে বিএনপির জন্য সংকট বয়ে আনবে। যদিও আমার মনে হয় তা হবে ক্ষণস্থায়ী। চূড়ান্ত ভাবে জামায়াত শক্তি সময় সুযোগ মতো বিএনপির প্রতিই অনুগত থাকবে। তাছাড়া আরও একটি বিষয় এখানে আওয়ামী লীগকে ভেবে দেখতে হবে, তা হলো নতুন একটি প্রজন্ম তৈরি হয়েছে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্দীপ্ত—অত্যন্ত ধারালো অস্ত্রের মতো শাণিত। কেবল আবেগের দ্বারা চালিত নয়—প্রচুর লেখাপড়া ছাড়াও সমৃদ্ধ—এদের সংখ্যা সামান্য নয়—তাদের ডাকে সংকটকালীন সময়ে লাখো লাখো জনতার ঢল নামে (গণজাগরণ মঞ্চ)। এই বৃহত্ গোষ্ঠীর প্রতি অপমানজনক কোনো সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড আওয়ামী লীগকে খাদের কিনারে নিয়ে যেতে পারে। তাই এই কূলটিকে অবহেলা বা অবমূল্যায়ন করা আওয়ামী লীগের জন্য ‘আত্মহত্যার’ মতো হতে পারে। সুতরাং উপযুক্ত উভয় সংকট জনিত অবস্থা মোকাবেলা করার জন্য আওয়ামী লীগকেই রাস্তা বের করতে হবে। জাতি এখনও তাদের দিকেই তাকিয়ে আছে। এর ব্যর্থতা কার্যত বিএনপিকে উপকৃত করবে এবং বিএনপি স্থায়ীত্বের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে। আদর্শিক সংকটের পরেই সম্ভবত সুশাসনের প্রশ্নটি আসে। অস্বীকার করার উপায় নেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যে সুষ্ঠু প্রশাসন কোনো বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরিয়ে আনবার জন্য আওয়ামী লীগ যে সাহসী ভূমিকা (এজেন্ডা) নিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু রাজনৈতিক মতাদর্শিক এই কঠিন প্রত্যয় প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের চাহিদা মতো সুশাসন প্রতিষ্ঠাও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোন ফাঁকা বুলি নয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো সুশাসনের জায়গাটি আওয়ামী লীগ চাহিদা মতো পূরণ করতে পারছে না। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় ঊর্ধ্বতন নেতারা কতটুকু যত্নবান তা নিয়েও বার বার প্রশ্ন উঠছে। তাদের ‘দুর্নীতির’ খবর প্রায়ই তথ্যসহ বেরিয়ে আসছে। অঙ্গ সংগঠনগুলো বেপরোয়া ভাবে কাজ করছে আত্মস্বার্থ দ্বারা চালিত হয়ে। দলকে শক্তিশালী না করলে এবং দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ শাসন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত না করতে পারলে আওয়ামী লীগের ‘আম এবং ছালা’ দুটাই হারাবার সম্ভাবনা আছে। আওয়ামী লীগের নেতা-ক্যাডারদের বোঝা উচিত তাদের তত্পরতার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটিকে থাকা বা না থাকার বিষয়টি একাত্ম হয়ে পড়েছে। পরিশেষে যে বিষয়টি উল্লেখ করা জরুরি বলে মনে হয় তা হলো ‘আইনের শাসন’ প্রতিষ্ঠার সংকট সম্পৃক্ত। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ব্যতীত জাতি রাষ্ট্র গঠন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ সামনে এগিয়ে যাচ্ছে—এর পেছনে নিবেদিত প্রাণ একঝাঁক তরুণ উদ্যোক্তাদের মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের মিশ্রণ যুক্ত হয়েছে। সুশাসন এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়া স্বাভাবিক ও সহজ হয়ে উঠবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে বিষয়টি উপলব্ধি করে আচার-আচরণ লোভ-লালসার মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। সে অবস্থায় রাজনৈতিক সুস্থিরতাও অর্জিত হবে। বিচার বহির্ভূত হত্যা, গুম কোনো দেশের জন্য মঙ্গলজনক কিছু বয়ে আনেনি। বাংলাদেশেও আনবে না। প্রয়োজনে আইনকে আরও কঠোর করা যায়—বিচারিক প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার জন্য নতুন আইন করা যায়। প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করাও সমস্যা নয়। শুধু উদ্দেশ্য ও তার প্রয়োগ ‘মহত্’ হওয়া চাই। পিছু লোকে সব সময়ই কিছু বলে—আরও বলবে। এমতাবস্থায় দলকে সুগঠিত করে সংকট ও কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার মোকাবিলা করতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে গুটি কতক বাড়তি আসন অর্জন মনে গেঁথে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার মধ্যে স্থায়ী কোন সমাধান নেই—এটি মনে রাখা দলটির জন্য জরুরি বলে মনে করা যায়। আওয়ামী লীগের যে কোনো দুর্বলতা বিরোধী বিএনপি, জামায়াত এবং জাতীয় পার্টির জন্য পুঁজি হয়ে দেখা দিতে পারে। লেখক:সাবেক চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন