জনগণের প্রচেষ্টায় দেশের অর্থনীতি হবে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী
সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন পূর্ববর্তী হরতাল, অবরোধ দেশের অর্থনীতিকে নড়বড়ে করে দিয়েছে। কতটা ক্ষতির সম্মুখীন হলে ব্যবসায়ী মহল নেমে এসেছিলেন রাজপথে। পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। অর্থনীতির এই অবস্থার জন্য খেটে খাওয়া মানুষকে কোনোভাবেই দোষারোপ করা যায় না কারণ ভোর হলেই দেখা যায় শহরের বিভিন্ন স্থানে কাজের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে অপেক্ষা করছে এসব খেটে খাওয়া মানুষ। কেউ কাজ পায়, কেউ আবার অপেক্ষা করেই ঘরে ফিরে যায়। অভাব উদ্যোক্তার। তারপরও সাধারণ মানুষ নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনীতিকে উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। দেশ জনগণের, এই সাধারণ জনগণই একসময় দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে তুলবে। হয়ত রাজনৈতিক অস্থিরতা বার বার বাধা হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু সব বাধা পেরিয়ে ঠিকই বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। দেশের জনগণ সফল হবে।
আকিব ইমন,
বিজ্ঞান বিভাগ আইডিয়াল কলেজ,
৬৫, সেন্ট্রাল রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫
===
বিভেদ ভুলে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করতে হবে
যে কোন দেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি হচ্ছে ঐ দেশের অর্থনীতি। এই অর্থনীতি যখন যে কোন কারণে বাধাগ্রস্ত হয় তখন ভেঙ্গে পড়ে দেশটি। তেমনি গত বছরের শেষের দিকে রাজনৈতিক অস্থিরতায় থমকে দাঁড়ায় বাংলাদেশের অর্থনীতি। যে অর্থনীতির মূলে রয়েছে কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, কল-কারখানা, আমদানি-রপ্তানি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি যা একেবারে ধ্বংসের মুখে পতিত হয়। বন্ধ হয়ে যায় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ। এখন দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে সাথে সাথে ফিরে এসেছে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতাও। কিন্তু আবার যদি রাজনৈতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হয় তাহলে আবার অচল হয়ে যেতে পারে দেশের অর্থনীতি, অচল হয়ে পড়তে পারে দেশ। তাই সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করে যেতে হবে এবং দেশের অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
নাজিব মুবিন,
ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, লেভেল-১, আশরাফুল হক হল, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
===
আবার সচল হচ্ছে অর্থনীতির
চাকা
দিনের পর যেমন রাত আসে, তেমনি ভঙ্গুর অর্থনীতির পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের অর্থনীতি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল কিন্তু জনসচেতনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল ও অবরোধ বন্ধ করার ফলে আবার সচল অর্থনীতি। অবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্পরতা, শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে দিন দিন জিডিপি বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলমান এ অর্থনীতির শক্তিই পারে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে পরিণত করতে।
মো. মুসফিকুর রহমান সিফাত,
কৃষি অনুষদ, ১ম বর্ষ, ১৩৬/ ডি,
শহীদ শামসুল হক হল,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
===
অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে
দরকার স্থিতিশীল
রাজনীতি
বাংলাদেশের মত একটি উন্নয়শীল রাষ্ট্রে হঠাত্ ২০১৩ সালের শেষের দিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ঘূর্ণিঝড়ে এদেশে অর্থনৈতিক চাকা থমকে দাঁড়ায়। সীমাহীন দুঃখ-দুর্দশায় অতিষ্ঠ হয় জনজীবন। এর একমাত্র কারণ হলো অস্থিতিশীল রাজনীতি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পূর্বের মত আবার কল-কারখানার চাকা সচল হয় ও ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসে। এমতাবস্থায়, অর্থনীতি স্থায়ীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে দরকার স্থিতিশীল রাজনীতি। এজন্য বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থকে পরিহার করে দেশের বৃহত্ স্বার্থ হাসিলের জন্য দলীয় নেত্রীবৃন্দদের স্থিতিশীল রাজনীতিতে ফিরে আসতে হবে। সরকারকে গঠনমূলক কাজে এগিয়ে আসতে হবে এবং শ্রমিকদের প্রতি সরকার ও কর্তৃপক্ষের সহানুভূতিশীল হতে হবে।
শফিকুল ইসলাম শামীম,
বি.এ (অনার্স), বাংলা বিভাগ,
সিটি ক্যাম্পাস, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়,
ঢাকা
===
সুষ্ঠু রাজনীতিই পারে
অর্থনীতির চাকাকে
সচল রাখতে
সুশাসনের জন্য যেমন অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন ঠিক তেমনি অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু রাজনীতি ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক অবস্থা। অল্প কিছুদিন আগে, রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। হরতাল, অবরোধ, সংঘর্ষের কারণে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সরবরাহের অভাবে পণ্য-দ্রব্যের দাম বেড়ে তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গিয়েছিল। কিন্তু, এখন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। উত্পাদন, আমদানি ও রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পণ্য-দ্রব্যের দাম স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। নতুন নতুন চাকরির বাজার সৃষ্টি হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ছে। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নতির জন্য সকল রাজনৈতিক দল, ব্যক্তিকে স্থিতিশীল রাজনীতির দিকে আসা উচিত।
মোস্তাফিজুর রহমান,
ব্যবসায় প শাসন ১ম বর্ষ, ১ম সেমিস্টার,
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
