নরসিংদীতে নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৪, ২১:৫৩
৩১ মার্চ ভোট গ্রহণকে সামনে রেখে নরসিংদী জেলার নরসিংদী সদর, মনোহরদী ও রায়পুরা উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে। ৩টি উপজেলা শহরসহ গ্রামাঞ্চলগুলো এখন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের পদভারে প্রকম্পিত। শহর ও গ্রোথ সেন্টার থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রার্থীদের ছবি ও প্রতীক সংবলিত পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেটসহ বিভিন্ন প্রচার পত্রে ছেয়ে গেছে। নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীর সংখ্যা মোট ৪ জন। এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংখ্যা ৭ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে বিএনপি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনজুর এলাহী, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নরসিংদীর নিহত মেয়র লোকমান হোসেনের বিধবা পত্নী তামান্না নুসরাত বুবলী, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আব্দুল ওহাব মোল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন মোঃ হাবিবুল্লাহ বাহার হাবিব। সকল প্রার্থীই তাদের বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হলেও ভোটারদের হিসেব অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি প্রার্থী মনজুর এলাহী এবং আওয়ামী লীগ প্রার্থী তামান্না নুসরাত বুবলীর মধ্যে। মনোহরদী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৯ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৫ জন। এর মধ্যে বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন মোঃ শাহাদাত্ হোসেন সরকার, বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছেন সরদার মোয়াজ্জেম হোসেন বুলবুল। পক্ষান্তরে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান বীরু, বিদ্রোহী প্রার্থী মোল্লা জহিরুল ইসলাম মুকুল, জামায়াতে ইসলামীর মোঃ জাকারিয়া, ইসলামী আন্দোলনের মোঃ বেলায়েত হোসেন। কে বিজয়ী হবে তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ত্রিমুখী। বেলাব উপজেলা নির্বাচনে সরদার বকুল সমর্থিত বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী আহসান হাবিব বিপ্লব বিপুল ভোটে বিজয়ী হবার পর সরদার বকুলের আকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্র আরো বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি আশান্বিত হয়ে এবারো তার নিজ উপজেলা মনোহরদীতে বিদ্রোহী প্রার্থী দিয়েছেন। সাধারণ ভোটাররা বলেছেন, বিএনপির ভোট ভাগাভাগির সুযোগে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাইফুল ইসলাম খান বীরু বিপুল ভোটে জয়ী হবার সম্ভাবনা রয়েছে। রায়পুরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এবছর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৪ জনে। ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন ৭ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের সংখ্যা হচ্ছে ৬ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হচ্ছেন অ্যাড. শামসুল হক, পক্ষান্তরে বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হচ্ছেন যুবদলের মোঃ ফজলুর রহমান। তিনি জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান। বিএনপির একজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন তিনি হচ্ছেন গোলাপ মিয়া। চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর সংখ্যা ৪ জন হলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মূলত ত্রিমুখী। এই ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ফজলুর রহমান, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাড. শামসুল হক।