[রা জ নী তি ]

ইতিহাস বিকৃত করা যায় না

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৪, ২২:১৩
নিজের শক্তি-সামর্থ্য আর মেধায় কোনো পক্ষ যখন অভীষ্টে পৌঁছতে পারে না বা প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হেরে যেতে থাকে তখন হতাশা গ্রাস করে। এমন অবস্থায় আমাদের ক্ষমতার রাজনীতির কুশীলবরা নানা অন্ধকার পথ হাতড়ে টিকে থাকতে চান। তার একটি হচ্ছে ইতিহাসের বুকে ছুরি চালিয়ে সত্যকে মিথ্যের পোশাকে জড়িয়ে নিজের অনুকূলে নিয়ে আসতে চাওয়া। এমন অপকাণ্ড দেখে আমরা হায় হায় করে উঠি। আর বলি অমুক দল অমুক গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃত করে ফেললো। আসলে ইতিহাস বিকৃত করার কোনো বস্তু নয়। ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যুগ থেকে যুগান্তরে প্রবহমান থাকে। যতই আড়াল করার চেষ্টা থাক না কেন ইতিহাসের সত্য নির্মমভাবে অথবা গর্বিত ভঙ্গীতে নিজেকে প্রকাশ করবেই। ইতিহাসের বিকৃতি নয়—বলা ভালো কোনো অশুভ তত্পর গোষ্ঠী সমকালের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে ইতিহাসের সত্যকে আড়াল রেখে বানোয়াট কাহিনী তৈরি করে তা ইতিহাস বলে চালাতে চায়। এমন বিভ্রান্ত মূর্খদের ক্ষেত্রে বলতে হয় ইতিহাসের সত্যকে শেষ পর্যন্ত অন্তরালে রাখা যায় না। সময়ের ডাকে একসময় ইতিহাসের সত্য অন্ধকার তাড়িয়ে আলোকোজ্জ্বল অবয়ব নিয়ে দাঁড়াবেই। তখন এসব হতাশ ও বিভ্রান্ত দলগুলোর নেতা-নেত্রীরা মুখ লুকোনোর জায়গা খুঁজে পাবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক অমিত তেজ আছে। এই চৈতন্যের দীপশিখা জাগরুক থাকলে তাতে আলোকিত হবে চারদিক। আর আলো থাকলে অন্ধকার যে পালাবে এ তো চিরসত্য। তাই অন্ধকারের জীবরা আলোকে ভয় পাবেই। মুক্তিযুদ্ধের সাইনবোর্ড বয়ে বেড়ায় যারা আর মুক্তিযুদ্ধের তথাকথিত ঘোষক হয়ে যারা সাধারণ মানুষের চোখে অঞ্জন পরাতে চায়—উভয়পক্ষেই বাঁদুড়ে স্বভাবের অন্ধকারের জীব আছে। দিনে দিনে যে চেহারা উন্মোচিত হচ্ছে তাতে এদের আর সাধারণ বাঁদুড় বলা যাচ্ছে না; রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার বলাই যথার্থ। ক্ষমতায় থেকে এরা কেউই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আপনগতিতে এগিয়ে যেতে দেয়নি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির দাবিদার আওয়ামী লীগ সরকারের অতীত আমলগুলোতে মুক্ত বিহঙ্গের মতো ইতিহাস তার আপনগতিতে এগুবে—এটাই প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে কি তা ঘটেছে? মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে থাকা আওয়ামী লীগের বিরোধী পক্ষ হিসাবে রাজনীতিতে আবির্ভূত বিএনপি বিকৃতপথে মুক্তিযুদ্ধের অধিকারে ভাগ বসাতে চাইবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর জামায়াত সংশ্লি¬ষ্টতার পর এরা নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভুলিয়ে দিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগের এ যুগের নেতারা যদি ভাবতে পারতেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করা আমাদের প্রথম মহত্ দায়িত্ব তাহলে তারা নিয়মতান্ত্রিক পথেই শক্তিমান থাকতে পারতেন। মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগ ও গৌরবই প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ থেকে তাদের ব্যবধানে এগিয়ে রাখত। কিন্তু তারা তা সেভাবে ভাবতে পারেননি। পঁচাত্তরের নির্মম পটপরিবর্তনের পর অনেকটা দিশেহারা বিভ্রান্ত ছিলেন তারা। হারানো ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার জন্য স্থূল পথকে অবলম্বন করতে চেয়েছিলেন। একপর্যায়ে বিএনপি-ভীতি পেয়ে বসেছিল। বিএনপি যখন গায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে মুক্তিযুদ্ধের পারফিউম মাখতে শুরু করল তখনও আওয়ামী লীগ রাজনীতি দিয়ে মোকাবেলা করে মানুষের কাছে নিজের গৌরবের অবস্থানকে আরও শক্তভাবে ধরে রাখার কথা ভাবতে পারেনি। বিএনপি জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের কাণ্ডারি বলে প্রচার করতে শুরু করলে দুর্বলচিত্ত আওয়ামী নেতৃত্ব তাতে ভীত হয়ে পড়েছিল। তাই বঙ্গবন্ধুকে অসম প্রতিযোগিতায় জিয়াউর রহমানের প্রতিপক্ষ করে যেন যুদ্ধে নেমে পড়ে। একজন মহান বিশাল মানুষকে টেনে নামায় অনেক নিচে। এতে নতুন প্রজন্মের বিভ্রান্তির কারণ ঘটে, মনে প্রশ্ন জাগে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে কে বড়— জিয়াউর রহমান না বঙ্গবন্ধু? এমন হাস্যকর ও অপরিণামদর্শী খেলাটা কিন্তু শুরু হলো বিভ্রান্ত আওয়ামী শিবির থেকে। বিএনপির হাতে পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস কাটাছেঁড়ার পথ তৈরি করে দিল আওয়ামী লীগ ১৯৯৬-এ তাদের শাসন পর্বে। স্কুল পাঠ্যপুস্তকে তথাকথিত সংস্কার আনতে গিয়ে। ১৯৯৬-এ বিএনপি শাসনামলের শেষদিকে দেশে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের অধীনে নতুন করে পাঠক্রম প্রণয়ন ও গ্রন্থ লেখার মহাপরিকল্পনা গৃহীত হয়। নবম ও দশম শ্রেণির মানবিক শাখার ইতিহাস বইটি মুদ্রিত হওয়ার পর (প্রথম মুদ্রণ: জানুয়ারি ১৯৯৬) মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে বড় রকমের কোনো বিকৃতি চোখে পড়েনি। শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের ‘বঙ্গবন্ধু’টুকু ছেঁটে ফেলা হয়েছিল। কোনো একজন মেজরের একক ঘোষকের কৃতিত্ব নেয়ার ঘটনা তখনও ঘটেনি। বিএনপির শাসনামলে প্রকাশিত এই বইটিতে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা পর্বটি এভাবে মুদ্রিত ছিল, “... ২৭ মার্চ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।” এর কয়েক মাসের ব্যবধানে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণ করে। এবার উল্লি¬খিত গ্রন্থটি আওয়ামী বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে সংস্কার করে পুনরায় মুদ্রিত হয়। সংস্কারকৃত গ্রন্থটি (পুনর্মুদ্রণ : নভেম্বর ১৯৯৬) পড়ে মনে হলো আওয়ামী লীগ মানসিক দীনতায় ভুগছে। বিশাল ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধুকে জিয়াউর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী করে ছাড়ল। মুক্তিযুদ্ধের সূচনাকালে জিয়াউর রহমানের কৃতিত্বটুকুকে মেনে নিতে ভয় পেল। জিয়াউর রহমানের ঘোষণা পাঠের বিষয়টি এবার সুকৌশলে অনেক সাদামাটাভাবে উপস্থাপন করা হলো। ইতিহাসের সূত্রে প্রমাণিত অপ্রমাণিত নানা তথ্যে এই অঞ্চলটিকে পল্ল¬¬বিত করা হলো। আর এক ধরনের হীনমন্যতার ফসল হিসাবে ৭ মার্চের ভাষণের মাহাত্ম্যকে খাটো করা হলো। কালুরঘাটে জিয়াউর রহমানের ঘোষণা পাঠের কিছুটা আগে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠানোর কথা প্রচার করে যেন সংস্কার কমিটি বঙ্গবন্ধুকে জিতিয়ে দিলেন! এবার আর যায় কোথায়! মুক্তিযুদ্ধ-উত্তরকালে জন্ম নেয়া বিএনপি এমনিতেই সঙ্কটে ছিল। একজন সেক্টর কমান্ডারের সাইনবোর্ডে তো আর মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যাবে না? এবার আওয়ামী সংস্কার দেখে বিএনপি বুদ্ধি পেল ইতিহাস তো নিজের মতো করেও লেখা যায়। ২০০১-এ ক্ষমতায় এসেই বিএনপির কমিটি নাঙ্গা তলোয়ার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল ইতিহাস বইটির ওপর। আবার মুদ্রণ হলো (২০০৩)। এবার যতটা সম্ভব মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকাকে খাটো করার চেষ্টা নেয়া হলো। বঙ্গবন্ধুর গ্রেফতার এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বহীনতায় ২৫ মার্চের পর বাঙালি হতাশ হয়ে পড়েছিল এমন কথা বলতেও ছাড়ল না। আর এই হতাশ জাতিকে নতুন আশা আর আশ্বাস দিয়ে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করলেন এমন ইতিহাসও তৈরি হয়ে গেল। বিএনপি আমলের প্রথম প্রকাশিত বইতে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ ২৭ মার্চ মুদ্রিত হলেও এবার প্রতিযোগিতার কানামাছি খেলায় জেতার জন্য তারিখ একদিন এগিয়ে ২৬ মার্চ হলো। এভাবেই আওয়ামী-বিএনপি প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে জিয়াউর রহমান বিশেষ ধরনের স্বাধীনতার ঘোষক হয়ে গেলেন। পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাসের এসব কাটাছেঁড়া দেখে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিস্মৃত হয়ে যাবেন বলে যারা শঙ্কায় দিন কাটান আমি তাদের দলে নই। ইতিহাসের ছাত্র হিসাবে বিশ্বাস করি শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের সত্য বিকৃত করা যায় না। কে কি বলল বা লিখল তা দিয়ে ইতিহাস গ্রন্থিত হয় না। ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হচ্ছে, ইতিহাস লেখার সময় হয় ঘটনা ঘটার অন্তত দুই প্রজন্ম পরে। অর্থাত্ প্রায় ৫০ বছর পর। এর যুক্তি হচ্ছে ততদিনে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত অনেকে জীবিত থাকেন না অথবা বয়সের ভারে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন না। ইতিহাসবিদ তখন তথ্যসূত্র বিশ্লে¬¬ষণ করে ইতিহাস লিখন পদ্ধতি মেনে রচনা করেন ইতিহাস। সত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথ তৈরি হয় এভাবেই। বিএনপি রাজনৈতিক হতাশা থেকেই জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে আবিষ্কার করেছিল দলের নেতার ঘোষকতত্ত্ব, আর আরো পরে নতুন হতাশায় দলীয় সভানেত্রীর নতুন জন্মদিন। এখন তো নানাভাবে বিএনপির দুর্দিন চলছে। আওয়ামী লীগের শাসন দুর্বলতার সুযোগে রাজনীতিতে যতটা এগিয়েছিল বানরের তেলতেলে বাঁশে ওঠার তত্ত্বমত এক ঝটকায় আবার নিচে নেমে গেছে। জামায়াতের শক্তির ওপর ভর করে সরকার পতন আন্দোলন করতে গিয়ে দেশজুড়ে যে সহিংসতা আর অরাজকতা সৃষ্টির দায়ভার বিএনপির কাঁধে পড়েছে তাতে দলটি অনেকটা গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তারমধ্যে স্থিতিস্থাপকতাহীন দাবিতে অটল থাকতে গিয়ে দশম জাতীয় সংসদে অংশ না নিয়ে বন্ধুর মত আওয়ামী লীগকে ওয়াকওভার পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। অন্যদিকে দলকে হতাশাগ্রস্ত করার সবল প্রেক্ষাপট রচনা করে দিয়েছে। বিএনপির প্রবাসী নীতি নির্ধারক তারেক জিয়া অনেকদিন থেকে নির্বাসনে। এবার আশা ছিল বিএনপি সরকার গঠন করবে। তারেক রহমান দেশে ফিরে দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হবেন। সে আশার গুড়ে বালি পড়ায় নতুনভাবে হতাশা ঘিরে ধরলো। আবারও একটি ঐতিহাসিক ভুল করে ফেললেন তিনি। স্বাধীনতার ৪৩ বছরের মাথায় এসে বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে জিয়াউর রহমানকে আবিষ্কার করলেন। বিদেহী আত্মার বুঝতে পারার ক্ষমতা থাকলে জিয়াউর রহমানের আত্মাও অমন আবিষ্কারে বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে পড়তো। সামপ্রতিক সময়ে লন্ডনে বসে তারেক রহমান অনেক বেফাঁস কথাই বলেছেন। বাংলাদেশের বিএনপি এর অনেক কিছুই বিবেচনায় আনেনি। কিন্তু এবার সরবে এই বাণী ছড়িয়ে দেয়ার প্রবণতা দেখে এখন বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয় বিএনপি বোধহয় এখন রাজনীতির সরোবরে হতাশার ভারে ডুবন্তপ্রায়। না হলে পৌঢ় থেকে কিশোর পর্যন্ত যেদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আর চেতনায় সমৃদ্ধ সেখানে বেগম জিয়া রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বিবর্জিত হয়ে প্রেসিডেন্ট তত্ত্ব নিয়ে কীসের কাসর ঘন্টা বাজালেন? আবার চলমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নেত্রীর কথা শিরোধার্য মানতে হয় বলে মনের শুভ রিপুগুলোকে পাথর চাপা দিয়ে বিএনপির প্রবীণ নেতারাও এই নতুন তত্ত্ব প্রচারে মাঠে নেমেছেন। এভাবে বিএনপির মত একটি বড় দল কেন দেশবাসীর কাছে করুণার পাত্র হতে চাইছে তা আমাদের বোধের অগম্য! ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে অনেক আগে বিএনপির ঘোষকতত্ত্ব ও ১৫ আগস্টের জন্মদিনতত্ত্ব দেখে সূত্র অনুযায়ী লিখেছিলাম- যেদিন প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশের ইতিহাস লেখার সময় আসবে সেদিন ইতিহাস লেখকের আরো অতিরিক্ত দু’পৃষ্ঠা যুক্ত করতে হবে। সেখানে লিখবেন রাজনৈতিক হীনস্বার্থ অর্জনের জন্য একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের সুবিধামত ইতিহাসের সত্য আড়াল করে প্রলাপ যুক্ত করেছিল। এখন মনে হচ্ছে এবারের প্রেসিডেন্টতত্ত্বের কারণে ভবিষ্যত্ ইতিহাস লেখকের আরো অতিরিক্ত দু’পৃষ্ঠা যুক্ত করার ক্লেশ স্বীকার করতে হবে। আমরা ইতিহাসের শাসন থেকেই বলতে চাই- শুধু বিএনপি কেন আমাদের দুর্বল রাজনৈতিক সংস্কৃতির এঁদো কাদায় সাঁতার কাটা সকল নেতা-নেত্রীকেই ইতিহাসের অমোঘ সত্য অস্বীকার করার মূর্খতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। লেখক: অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় [email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন