নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক ধারা

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০১৪, ২১:৪০
গত ২৩ মার্চ চতুর্থ ধাপে এবং গতকাল পঞ্চম ধাপে উপজেলা নির্বাচন হয়ে গেল। নির্বাচন সম্পন্ন হলেও কিছু প্রশ্ন জনমনে দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সে বিষয়ক খবরও প্রকাশিত হয়েছে। উদ্বেগ-আশঙ্কা নির্বাচনের আগেও ছিল, পরে তার প্রতিক্রিয়াও তৈরি হয়েছে। এখানে ভোটার, ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ ও প্রার্থিত ফলাফল—এসবের সঙ্গে যুক্ত থাকে স্থানীয় প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও দলীয় রাজনীতি। যদিও বলা হয়, স্থানীয় নির্বাচনে দল নেই কিন্তু এবারে তা ব্যাপকভাবে দলভিত্তিকই সংঘটিত হয়েছে এবং হচ্ছে। আর সে কারণেই ভোটে হারজিত বা প্রেসটিজ ইস্যু এতো বেশি উত্তাপ ছড়াচ্ছে। এখন নির্বাচনে ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও প্রার্থিত ফলাফল সকলেরই কাম্য। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এমনটা জনগণের ন্যূনতম প্রত্যাশা। আর ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রযুক্তির কল্যাণে এখন কোনো কিছুই লোকচক্ষুর আড়ালে থাকে না। সবকিছুই প্রকাশ্য যেমন হয়ে পড়ে তেমনি দ্রুত তার প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়। হয়তো আজ থেকে দশ বছর আগেও প্রযুক্তির এতো ব্যাপক ব্যবহার ছিল না, তাতে করে অনেক বিষয়ই সংবাদের আড়ালে থেকে যেত। এখন সেটি প্রতি মুহূর্তে বাইরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে লাভ-লোকসান যাই হোক, আমাদের দেশের মানুষের সচেতনতা ও যোগাযোগ যে অনেকটা পরিপক্বতা পেয়েছে এবং তা গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছেছে— সেটি আশার সংবাদ। যা হোক, এ প্রক্রিয়াতেই আমরা গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে চাই এবং নির্বাচনকে সর্বজন গ্রহণযোগ্য করতে চাই। গণতন্ত্র ও নির্বাচন যে একসূত্রে বাঁধা এবং নির্বাচনের ভেতর দিয়েই যে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে— সেটা আমরা সবাই যেমন জানি তেমনি তা বাস্তবে কার্যকরও দেখতে চাই। কিন্তু এটির প্রয়োগ এবং কার্যকর করার শক্তি এখনও বেশ দুর্বল। সেটি কাটিয়ে ওঠার জন্য সর্বস্তরে যে চেষ্টা চলছে না, তা নয়। ট্রান্সপারেন্ট হওয়ার বিষয়টি হয়তো নানা কারণে একশ ভাগ সম্ভব হয় না, কিন্তু তা করার চেষ্টাটুকু তো সকলের আছে এবং তা অবশ্যই থাকতেও হবে। একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের সঙ্গে আমাদের অনেক কিছু জড়িত। রাষ্ট্র ও রাজনীতি নিশ্চয়ই এর বাইরে নয়। সেজন্য তার পরিশুদ্ধতা দরকার। দলে দলে হানাহানি বা প্রার্থীতে প্রার্থীতে কোন্দল, বিদ্রোহীদের বেপরোয়া পরস্পরবিরোধী হয়ে ওঠা কেউই পছন্দ যেমন করবে না তেমনি সুষ্ঠু জীবনের জন্যও তা কাম্য হতে পারে না। আবার স্থির ও শান্তিময় পরিবেশ সৃষ্টির জন্য শুধু একটি পক্ষই যে সব দায়িত্ব নেবে, তা সম্ভব নয়। উভয় পক্ষকেই এগিয়ে আসতে হবে, থাকতে হবে সহিষ্ণুতা ও ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। একটি সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তাই তো দরকার! নির্বাচন গণতন্ত্রের অনিবার্য ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণে হয়ে ওঠে গ্রহণযোগ্য ও উত্সবমুখর। শুধু প্রার্থীই নয়, ভোটাররাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাতে অংশ নিলে যে নির্বাচনী পরিবেশটি তৈরি হয় তা গণতন্ত্রকে দৃঢ় ভিত্তি দেয়। ‘গভর্নমেন্ট ইজ দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল’ বললে তার শর্তটি অবশ্যই ওই নির্বাচন বা নির্বাচনী পরিবেশে বিদ্যমান। চলতি নির্বাচনটি সকল দলের অংশগ্রহণে বেশ উত্সবমুখর পরিবেশেই হচ্ছে। সেটি এক ধরনের নির্বাচনী আবহও তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন কিছু বিষয়ও কারো দৃষ্টি এড়িয়ে যায়নি। দলীয় রেষারেষি, বলপ্রয়োগ, প্রভাব খাটানো নৈমিত্তিক এসব ব্যাপার ভোটকেন্দ্র থেকে কিছুতেই যেন অপসারিত হচ্ছে না। কে কোন দলের প্রার্থী এটি বড় কথা নয়, ‘জোর যার মুল্লুক তার’ এই প্রবণতা আজও যদি মানুষের মধ্যে বজায় থাকে, তাহলে গণতন্ত্র বা নিরপেক্ষতা— উন্নত দেশ তৈরির স্বপ্ন আদৌ কি কখনও সম্ভব হবে! আমরা তো এটি জানি যে, ক্ষমতা দেখানোর লোকের সংখ্যা আমাদের সমাজে খুব বেশি নেই। মুষ্টিমেয় কিছু দুষ্টবুদ্ধির লোকই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে সমাজে অস্থির পরিবেশ তৈরি করে। ভোটারদের আস্থা অর্জন নয়, শক্তি প্রয়োগই তাদের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। কারণ, এভাবেই তারা ক্ষমতাবান হতে চায়। জনসেবা তাদের লক্ষ্য নয়, জনশোষণই তাদের কাম্য। জনবিচ্ছিন্ন হয়েই তারা ক্ষমতা লাভ করতে চায়। যেখানে দেশের অধিকাংশ মানুষই শান্তিপ্রিয়, স্বস্তিপ্রবণ— সেখানে গুটিকয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি কেন সমাজের নিয়ন্ত্রক শক্তিতে পরিণত হবে! দলীয় পরিচয়ই কী তাদের সবকিছু? দলইবা তাদের প্রশ্রয় দেয় কেন? কিংবা দলকে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করে তারা কী ব্যক্তিস্বার্থ কায়েম করতে ব্যস্ত? প্রশ্ন হলো, যে দল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, গণতন্ত্রের কথা বলে— সে দলে কীভাবে এরকম জনসমর্থনহীন, শক্তিপ্রদর্শনকারী ব্যক্তি আশ্রয় পায়? আর তাতে কী দলের ভাবমূর্তি প্রশংসিত হয়! অবশ্যই না। সুতরাং মুষ্টিমেয় এসব ব্যক্তি শুধু দল নয়, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কলুষিত করে, দেশের ভাবমূর্তিকে বিনষ্ট করে, গণতন্ত্রকে ব্যাহত করে আর মধ্যযুগীয় কায়দায় জনসমর্থন আদায়ের ঘৃণ্য স্বপ্ন দেখে। এসব সমাজের জন্য কখনোও সুখকর হয় না। শক্তি বা ভয় দেখিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করার বাসনা— আজকাল কী সম্ভব? এসব কেউ কী মেনে নেয়? নিলেও তা কতোকাল? কেউই মেনে নেয় না। এক্ষেত্রে সুষ্ঠু পরিবেশের স্বার্থে সকলের সম্মিলিত প্রতিরোধ এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার প্রয়োজন। দরকার সার্বিক সহায়তা। একচক্ষু নীতি সুষ্ঠু নির্বাচনের সহায়ক নয়। তা পরিহার করে সকল পেশীশক্তি উত্পাটনে এবং প্রভাবমুক্ত নির্বাচনে আমাদের সকলের ঐক্য ও সহনশীলতা একান্ত কাম্য। সেটি কীভাবে সম্ভব? প্রশ্নটি শুধু গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে সামনে রেখে নয়, একটি স্থিতিশীল সমাজ গঠনের স্বার্থেই ভেবে দেখা প্রয়োজন। সমপ্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন না হলে নির্বাচনের কী-ইবা মূল্য আছে; সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি না হলে নির্বাচন করে কী হবে ইত্যাদি। বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা নতুন নয়। সে লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হলেও বাস্তবিক অর্থে তা নানা প্রতিবন্ধকতায় আটকে আছে। নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ চাইলেও বিগত নির্বাচনে তা সম্ভব হয়নি। গত জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ও পরে ক্ষমতাসীনের অধীনে যে স্থানীয় নির্বাচন হয়েছে তাতে জনগণ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করলেও তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি— এমনটা বলা যাবে না। এ পর্যায়ে পাশ্চাত্যের বিভিন্ন সংস্থা ও দেশ সকল দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের কথা তারা বলছে। এটি বাংলাদেশের সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টির জন্যও প্রয়োজন। বিশেষ করে, গণতন্ত্র বিকাশে এর কোনো বিকল্পও নেই। গণতান্ত্রিক ধারাটি এদেশের আপামর জনসাধারণের ভাগ্য-উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত। কারণ, গণতন্ত্রই দিতে পারে সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের নিশ্চয়তা। পাঁচ ধাপে যে উপজেলা নির্বাচন সম্পন্ন হলো, তা সর্বাংশে সকলের কাছে গ্রহণীয় এমনটা বলা মুশকিল। এতে জনমনে অস্থিরতা আছে। রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরেও পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসে নতুন কোনো ক্ষেত্র দেখা যায়নি। নির্বাচনে পেশীশক্তির দাপট কাজ করেছে। প্রভাবমুক্ত ছিল না রাজনৈতিক দাপটও। এ বিষয়গুলো গণতন্ত্রের বা আমাদের সংবিধানের জন্য সুরক্ষিত যেমন নয় তেমনি স্বস্তিদায়ক অভিজ্ঞতাও বলা যায় না। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হলে শুধু সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প কী কিছু আছে! বাইরের দেশ শুধু নয়, এদেশের মানুষও তাই চায়। গণতন্ত্রের জন্য এদেশের মানুষ সংগ্রাম করেছে, ভোটাধিকার তাদের অস্ত্র, রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহিতার জায়গাও এই নির্বাচনকেন্দ্রিক। সেটি সঠিক পথে না চললে জনমনে সন্তোষ সৃষ্টি হয় না। ভোট এলে, নির্বাচনী পরিবেশে যে উত্সবমুখরতা লক্ষ্য করা যায়, তার মূল কারণ জনগণের স্বাধীন অধিকার প্রয়োগের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা। এটি কায়েম হলে, অনেক সমস্যার নিয়মমাফিক সমাধান হয়ে যায়। বিশ্বাস ও আস্থার জায়গাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শান্তি নেমে আসে সমাজে। সকলেই এ শান্তিটুকু চায়। মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত এই বাংলাদেশ খুব কম সময়ের ভেতর একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান হয়েছিল। এখন এ রাষ্ট্রের বয়স সাড়ে তিন যুগেরও বেশি। জনসংখ্যা যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে জনসচেতনতা। ভূমির পরিমাণ কমছে, জনসংখ্যার ঘনত্ব বেড়েছে। চাহিদা বেড়েছে অনেকগুণ। প্রযুক্তির কল্যাণে ভোগও বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার ভেতরেই মানবাধিকার, যোগাযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বেড়েছে। বেড়ে ওঠা প্রজন্ম এখন যোগাযোগ-নির্ভর। সেভাবেই মন ও মস্তিষ্কও তৈরি হয়েছে। এ পর্যায়ে বর্তমান প্রজন্মও দেশকে সম্মুখে এগিয়ে নেয়ার স্বপ্ন দেখে উচ্চতর মানসিকতা থেকে। সেখানে ভোট ও ভোটাধিকারের বিষয়টি গুরুত্বহীন নয়। নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণও ব্যাপক। গণতন্ত্রের এ অভিযাত্রায় তারা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ চায়। উন্নত গণতন্ত্র, উন্নত দেশ— এটিই তাদের মনের আকাঙ্ক্ষা। সুতরাং নির্বাচনী পরিবেশ ও কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র সর্বস্তরের মানুষের গভীর চাহিদা। এবং এটি পূর্ণও হয়ে ওঠে সকলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র নিয়ে পাশ্চাত্যের দেশগুলো ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার কথা জানায় সেটি এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্থিতিশীল জীবনযাপন ও নিরাপদ সমাজ গঠনের নিশ্চয়তার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ নয়। আমাদের উন্নত জীবনযাপন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তির জন্য তা দরকার। এর কার্যকর ভিত্তিটি তৈরি করে দিতে পারে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা। সেটি মানুষের ন্যূনতম অধিকারের বিষয়। স্বাধীন দেশে নিশ্চয়ই এটি খুব বেশি প্রত্যাশা নয়! বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে নির্বাচনী ব্যবস্থা পরিচালিত হয় যে নির্বাচন কমিশনের দ্বারা তাকে স্বাধীন এবং সংবিধানসম্মত ভাবে চলার সুযোগ করে দিতে হবে। নির্বাচনকালীন অভিযোগসমূহ দ্রুত আমলে নিয়ে যেমন সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা কমিশনের থাকতে হবে তেমনি ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ তৈরিতেও সক্ষমতা দেখাতে হবে। এগুলো কার্যকরের সমস্ত ক্ষমতা হাতে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি নিকট অতীতের মতো অনেক ভালো অভিজ্ঞতার আবারও প্রমাণ দিতে পারে। আর এ আস্থার আনুকূল্যই তো জনগণ চায়। সাংবিধানিক ক্ষমতাটুকুই যথাযথ প্রয়োগ করে সকলের জন্য সমান সুযোগটুকু প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করুক। অন্যান্য দেশের মতো দৃষ্টান্ত হোক। এ প্রতিষ্ঠানের জন্য সে পরিবেশটি খুব কঠিন কী? অবশ্যই নয়। কারণ, সংবিধানেই সে ক্ষমতা দেয়া আছে। ইতিপূর্বে তার প্রয়োগ হয়নি, তাও নয়। আর তাছাড়া যে কোনো দল কিংবা ব্যক্তিই এ পরিবেশ তৈরির পক্ষে যেমন ইতিবাচক সাড়া দেবেন তেমনি কায়েমের পক্ষেও সহযোগিতা করবেন— দ্বিমতের কোনো অবকাশ নেই। নির্বাচন নিয়ে দেশ-বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্যতার বা প্রশ্নও তখন থাকবে না। সুতরাং উত্কৃষ্ট এই পথটি যতো তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠা পাবো, ততোই সকলের মঙ্গল। আর তখন গণতন্ত্রের পালেও লাগবে স্বস্তির সুবাতাস। লেখক:অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় [email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন