[ নি র্বা চ ন ]

নির্বাচনী সংস্কৃতি কোন পথে

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৪, ২২:৩৫
নির্বাচনকে বাদ দিয়ে বা নির্বাচন ব্যবস্থাকে তছনছ করে গণতন্ত্রের ‘মর্মার্থ’ উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। নির্বাচনের ‘স্বচ্ছতার’ ওপর এর মর্মার্থ উপলব্ধি এবং তার বাস্তবায়ন অনেকটাই ‘নির্ভরশীল। সম্ভবত সে কারণেই নির্বাচনের স্বচ্ছতার শর্তটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে গণতান্ত্রিক বলে দাবিদার এমন সব রাষ্ট্রের, সংবিধানে এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গণতন্ত্রের সমার্থ সম্বলিত শর্তগুলো উল্লেখ করতে হবে এবং বাস্তব জীবনাচরণে তার সুষ্ঠু প্রয়োগের ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে এ সম্পর্কিত দায়-দায়িত্ব কোনো বিশেষ মহলের নয়—সকলের। নির্বাচনী সংস্কৃতির উন্নয়নের সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিরতার সম্পর্কটি জড়িত হয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং বিশেষভাবে নির্বাচনী সংস্কৃতি বার বার সেই অগ্রগতির পথে বাধার সৃষ্টি করে চলেছে। নির্বাচনী সংস্কৃতিকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বিরাট অংশ আবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি মানা বা না মানা নিয়ে সংবিধান সংশোধন এবং রাজপথের আন্দোলন ক্ষণে ক্ষণে জমে ওঠে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার এজেন্ডা, সম্পদ এবং আয়ের সমানুপাতিক সুষ্ঠু বন্টন, গণসেবামূলক কর্মকাণ্ড, দুর্নীতি হটাও সংক্রান্ত তত্পরতা মূল “ফোকাসে” আসতে পারছে না। এলেও তা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছে। দেশের নির্বাচনী সংস্কৃতির প্রারম্ভ হতে শুরু করলে অদ্যাবধি অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের সীমা নেই। ১৯৭৩ সালের প্রথম নির্বাচনেও কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল যদিও তার পরিসর ছিল খুবই স্বল্প (মাত্র দু’ তিনটি আসনের ক্ষেত্রে)। তবে তা নিয়ে ব্যাপক কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে ওঠেনি। বঙ্গবন্ধুর হত্যা এবং বিশেষ করে সামরিক শাসন ও উর্দি পরিহিত সেনা কর্মকর্তাদের ‘জেনারেল আয়ুবখানের স্টাইলে’ রাজনীতি করার উচ্চাভিলাষ পূরণ করতে গিয়ে তথাকথিত আস্থা নির্ভর গণভোটের (রেফারেন্ডাম) আয়োজনের ভেতর দিয়ে নির্বাচনী সংস্কৃতি বড় মাত্রায় হোঁচট খায়। সেখানে শতকরা ৯৫-৯৬ ভাগ ভোট তত্কালীন সামরিক শাসক জেনারেল জিয়া অর্জন করেছেন বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল—যার কোনো প্রকার বিশ্বাসযোগ্যতা ছিল না। মূলত তখন থেকেই ভোটের মতো বিষয় ‘প্রহসনমূলক’ উপাধি পেতে আরম্ভ করে। তখন ব্যক্তিগত উচ্চাভিলাষ পূরণের স্বার্থে নির্বাচনী সংস্কৃতির মূলে কুঠারাঘাত করা হয়েছিল। ১৯৭৯ সালের সংসদীয় নির্বাচনে নির্বাচনী সংস্কৃতির পশ্চাত্ যাত্রা ভিত্তি পেয়েছিল। বিরোধী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ তখনও পায়ে ভর করে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে উঠতে পারেনি। ঐ নির্বাচনে সদ্যগঠিত এবং উপর থেকে চাপিয়ে দেয়া জেনারেল জিয়া’র দল ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে অধিকাংশ আসন দখল করে নিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। জেনারেল জিয়া পরবর্তী সামাজিক স্বৈরশাসক জেনারেল এরশাদের হাতে বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি রীতিমত ‘লাঞ্ছিত’ হয়েছিল। ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভোট কেন্দ্র দখল, ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়া, টাকার ছড়াছড়ি, মাস্তানদের ব্যবহার করার মতো অনৈতিক সংস্কৃতি নির্বাচন এবং গণতন্ত্রকে প্রায় ধ্বংস করে দেয়। তাই বলা চলে এরশাদ আমলে কার্যত বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতির উপর্যুপরি তছনছ মূলত একটি রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির জন্ম দেয়ার জন্য রাজনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। ১৯৯০ সালে ব্যাপক এবং অর্থপূর্ণ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এরশাদ সরকারের পতনের পর সাংবিধানিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে এবং অংশত অন্য কিছুর কারণে এক ধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন সংসদীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ নির্বাচন আপেক্ষিকভাবে এবং দৃশ্যত সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হলেও পরাজিত দল আওয়ামী লীগ ‘সূক্ষ্ম কারচুপির’ অভিযোগ উত্থাপন করেছিল। সম্ভবত এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তি ছিল বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী দলের মধ্যে গোপন আঁতাত সংশ্লিষ্ট। ঐ আমলে বিএনপি সরকারের অধীনে বিশেষ করে মাগুরা-২ উপনির্বাচনে ব্যাপকহারে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ নির্বাচনী সংস্কৃতিকে আবার গুরুতর সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করায়। এ ধরনের অপসংস্কৃতির হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে থাকে। জামায়াতে ইসলাম ‘ঝোপ বুঝে কোপ’ দেয় এবং ‘যুগপত্’ আন্দোলন চালিয়ে যায়। সম্ভবত তাদের উদ্দেশ্য ছিল গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো। কেননা, ইতোমধ্যে শহীদ জননী বেগম জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিটি ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। বলাবাহুল্য, জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের দল হিসেবে অভিযুক্ত ছিল এবং এখনও আছে। তাছাড়া দলটি গণতন্ত্রের অন্যতম মূলশর্ত জনগণের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না। তীব্র গণআন্দোলনের মুখে বিএনপি অনিচ্ছা সত্ত্বেও ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে সংসদীয় নির্বাচন দেয় এবং সে নির্বাচন ছিল প্রায় ভোটারবিহীন এবং সহিংসতায় পরিপূর্ণ। ঐ নির্বাচনে গণহারে সীল মেরে ভোটের বাক্স পরিপূর্ণ করার জোরালো অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনী সংস্কৃতির পেছনে যাত্রা স্পষ্ট হয়ে উঠলেও ঐ নির্বাচনে জয়ী বিএনপি আওয়ামী লীগের দাবি অনুযায়ী নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সংবিধান সংশোধন করে এবং সেই অনুযায়ী ১৯৯৬ পুনরায় সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ নির্বাচনে বিএনপি পরাজিত হলে পরে দলের পক্ষ থেকে ভোট কারচুপির অভিযোগ আনা হয়। অর্থাত্ পরাজিত দল সবসময়ই ভোট কারচুপির অভিযোগ উত্থাপন করে থাকে। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতির আরো একটি কমন দিক। ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেই নির্বাচনের জন্য গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগের জন্য লেভেন প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। উপরন্তু তারা আওয়ামী লীগ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীর ওপর নির্যাতন, নিপীড়ন থামাতেও ব্যর্থ হয়েছিল এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঐ নির্বাচনে জয়ী বিএনপি-জামায়াত জোট অব্যাহত রেখেছিল। ফলে তখন থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচনের সংস্কৃতি প্রশ্নবিদ্ধ হতে শুরু করে। পরবর্তী সময়ে ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিতব্য সংসদীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিজের মতো করে সাজাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। এতে করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধানটি বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে বসে। এমতাবস্থায় ব্যাপক গণ-আন্দোলনের মুখে ২০০৭ সালের ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং সেনাসমর্থিত একটি বদলি তত্ত্ববধায়ক সরকার গঠিত হয়। ঐ সরকার ভোটার আইডি কার্ড প্রদান করে এবং ব্যাপক সংখ্যক জাল ভোটার তালিকা থেকে বাতিলের ব্যবস্থা নেয়। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত মহাজোট বিপুল ভোট নিয়ে সংসদের অধিকাংশ আসনে জয়ী হয়। পরাজিত বিএনপি-জামায়াত জোট ঐ নির্বাচনকে স্বভাবসুলভ ভোট কারচুপি এবং পাতানো নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করে। যদিও জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মহল নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিয়মের মধ্যে হয়েছে বলে ‘সার্টিফিকেট’ প্রদান করে। বিএনপি এবং জামায়াতসহ ১৮ দলীয় জোট শুরু থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার দাবি উত্থাপন করতে থাকে। কারণ ইতিমধ্যে আদালতের রায় অনুযায়ী ঐ ব্যবস্থা বাতিল করা হয় এবং সংসদে সংবিধান সে অনুযায়ী সংশোধন করে নেয়া হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভার বিপুল সংখ্যক নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং অধিকাংশ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হন। (সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনসমূহ উল্লেখযোগ্য) কিন্তু তারপরও বিএনপি-জামায়াত জোট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে অনড় থাকে এবং দেশে ব্যাপক সহিংস ঘটনার জন্ম দেয়। অবশ্য এর সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি সংযুক্ত হয়ে যায় বলে অভিজ্ঞমহল মনে করে থাকেন। এ অবস্থায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তারিখে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি-জামায়াতসহ ১৮ দলীয় জোট ঐ নির্বাচন ‘বয়কট’ করে এবং নির্বাচন ‘প্রতিরোধের’ ঘোষণা দেয়। নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ফলে প্রচুর জান-মালের ক্ষতি হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো হয়। কেননা, ধরে নেয়া হয় তারা নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে রায় দিয়েছেন। ব্যাপক সহিংসতার কারণে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতির হার ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় কম। তাছাড়া প্রায় ১৫৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই প্রার্থী জয়ী হন। বিএনপি এ নির্বাচনকে ‘অবৈধ’ বলে ঘোষণা দেয়। উপর্যুক্ত পরিস্থিতিতে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি/ মার্চ মাসে ৫টি ধাপে দেশে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্রোহী প্রার্থীদের দল থেকে বহিষ্কারের মতো ঘটনাও ঘটেছে। দলীয় নেতারাও নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নেন। যে বিষয়টি ভেবে দেখার মতো তা হলো প্রথমত. এ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত অংশ নিয়েছে। দ্বিতীয়ত. নির্বাচনে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। প্রাণহানিসহ অন্যান্য প্রকারের অনিয়ম যেমন: কেন্দ্র দখল, ভোটের বাক্স ছিনতাই, সীল মারার মতো ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। ১ম থেকে ৫ম ধাপে উপর্যুপরি সহিংস এবং নির্বাচনী সহিংসতার মাত্রা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচনে কোন্ দল জয়ী হলো সে বিষয়টির চাইতেও বড় কথা হলো ছোট বা বড় যে আকারেই হোক না কেনো এরশাদ আমলের ভোট কারচুপির মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার বদৌলতে দেশবাসী যা প্রত্যক্ষ করেছে। এ ধরনের কাজকর্ম গোপন রাখার কোনো সুযোগ ছিল না। এ ধরনের ঘটনা জাতির জন্য খুবই বেদনাদায়ক এবং শঙ্কার কারণ। সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, এতে করে ক্ষমতাসীন সরকারের এবং নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। নির্বাচনী সংস্কৃতি পশ্চাত্পদ হয়েছে। এ ঘটনায় ভবিষ্যত্ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল খুব ভালো হবে বলে মনে হয় না। দেশে আবার হরতাল, অবরোধের মতো ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়। সবচেয়ে বড় কথা নির্বাচনী সংস্কৃতির পশ্চাত্গামিতা দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। সরকারের সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি এবং অহংকারের ওপর কালিমা লেপন হলো বলে মনে করা যায়। ভোটার আইডি কার্ড, মিডিয়ার নজরদারির ক্ষমতা সুষ্ঠু নির্বাচনকে সুনিশ্চিত করতে পারেনি—এটিও ব্যথা-বেদনার আর একটি জায়গা। জাতি প্রত্যাশা করে অংশগ্রহণকারী ক্ষমতাসীন দল, জোট এবং বিরোধী দলগুলো পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে নির্বাচনী সংস্কৃতিকে সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নিতে যত্নবান হবে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এ ক্ষেত্রে সরকার এবং বিরোধীদলগুলোর দায়-দায়িত্ব প্রায় সমান। লেখক: সাবেক চেয়ারম্যান, সরকার ও রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন