জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০১৪, ২০:১৫
Direct Speech-এ যদি কাউকে address (সম্বোধন) করা হয় তাহলে addressing as দিয়ে Indirect Speech শুরু করতে হয় ইংরেজি মো. জসিম উদ্দীন বিশ্বাস, প্রভাষক ইংরেজি বিভাগ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ গতকালের পর আবার একাধিক Interrogative Sentence-এর ক্ষেত্রে যদি একই speaker বা বক্তা থাকে সেক্ষেত্রে পরবর্তী Sentence গুলো again asked/also asked/further asked দ্বারা যুক্ত হয়। যেমনঃ Direct Speech: The man said to the boy, “Why do you disturb me? Have you performed your own duty?” Indirect Speech: The man asked the boy why he (boy) disturbed him. He (the man) again asked the boy if he had performed his own duty. Reporting Speech-এ “Yes” or “No” থাকলে Indirect Speech করার সময় যথাক্রমে replied in the affirmative and told that এবং replied in the negative and told that ব্যবহার করতে হয়। বা Subject + পূর্বের Interrogative Sentence-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ appropriate auxiliary verb বসাতে হয়। যেমনঃ Direct Speech: Mehenaj said to Rehnaj, “Have you completed your assignment?” “No, I have not completed yet. I will complete it today,” said Rehnaj. Indirect Speech: Mehenaj asked Rehnaj if she (R) had completed her assignment. Rehnaj replied in the negative and told that she (R) had not completed yet. She (R) added that she (R) would complete it that day. Direct Speech–এ “Sir” থাকলে Indirect Speech করার সময় “Sir” এর পরিবর্তে respectfully/ with respect ব্যবহার করতে হয়। তবে Sentence এর প্রথমে Addressing as sir ব্যবহার করেও Indirect Speech-এ রূপান্তর করা যায়।যেমনঃ Direct Speech: The boy said to the headmaster, “Sir, please pardon me this time.” Indirect Speech: The boy respectfully requested the headmaster to pardon him that time. Or Addressing the headmaster as sir, the boy requested him to pardon him that time. Direct Speech-এ যদি কাউকে address (সম্বোধন) করা হয় তাহলে addressing as দিয়ে Indirect Speech শুরু করতে হয়। যেমনঃ Direct Speech: “Are you hungry, friends?” said the shrewd king. Indirect Speech: Addressing them as friends, the shrewd king asked if they were hungry. Direct Speech- এ Speaker বা বক্তা যদি একই সাথে Assertive sentence এবং Interrogative sentence এর মাধ্যমে তার বক্তব্য প্রকাশ করে থাকে, সেক্ষেত্রে sentenceটি and দ্বারা যুক্ত হয় বা sentence এর শুরুতে then বসে। যেমনঃ Direct Speech: The teacher said to Mahmud, “Why are you talking in the class? You should behave yourself.” Indirect Speech: The teacher asked Mahmud why he was talking in the class and said that he (M) should behave himself. Direct Speech-এ by Allah, by Jove, by God, by my life ইত্যাদি থাকলে Indirect Speech-এ পরিবর্তন করার সময় swearing by Allah, swearing by Jove, swearing by God, swearing by my life ইত্যাদি ব্যবহার করতে হয়।যেমনঃ Direct Speech: “By Allah,” he replied, “I will not leave this place without completing this rescue operation.” Indirect Speech: Swearing by Allah, he replied that he would not leave that place without completing that rescue operation. Direct Speech-এ inverted comma-এর বাইরে কোন Phrase বা Clause থাকলে তা অপরিবর্তিত অবস্থায় শুরুতে বসে। এ ক্ষেত্রে Present Participle যুক্ত অংশ থাকলে তা শুরুতে লেখাই শ্রেয়।যেমনঃ Direct Speech: “Are you brothers?” asked the mistress of the house, turning to the dervishes. Indirect Speech: Turning to the dervishes, the mistress of the house asked if they were brothers. Direct Speech-এ Assertive Sentence-এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকলে Indirect Speech করার সময় reporting verb-এর পূর্বে Being surprised লিখতে হয় এবং reporting verbটিকে ask/ asked দিয়ে পরিবর্তন করতে হয়। যেমনঃ Direct Speech: She said to me, “You have remembered how she looked all these years?” Indirect Speech: Being surprised, she asked me if I had remembered how she had looked all those years. Direct Speech-এ “Thank you” থাকলে Indirect Speech করার সময় Reporting verb এর subject + thanked+ reporting verb-এর object বসে। যেমনঃ Direct Speech: “Myn said to me, “Thank you.” Indirect Speech: Myn thanked me. Direct Speech-এ “Good bye” থাকলে Indirect Speech করার সময় reporting verb-এর subject + bade+ object+ good-bye বসে। মাধব রায়, সহকারী অধ্যাপক (পদার্থবিদ্যা) ব্লু-বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ, মিরের ময়দান, সিলেট গল্প-কথায় পদার্থবিজ্ঞান পর্ব— ২ আজ শুক্রবার। নীলকান্তবাবুর অফিস বন্ধ। সকালবেলা তিনি চা খাবার পর সীমাকে বললেন ফিতাটা দে তো মা। কেন বাবা ? বললো সীমা। তিনি বললেন— আজ রংমিস্ত্রি আসবে। বিল্ডিংটা রং করাতে হবে। দেখছিস না কেমন ময়লা হয়ে গেছে, পুরনো পুরনো লাগছে। মিস্ত্রি আসার আগে বিল্ডিংটা একটু মেপে নিলে কতটুকু রং লাগবে— হিসাব করতে সহজ হবে। সীমা একটা লম্বা ফিতা এনে দিলো। আকাশের সবকিছুতেই উত্সাহ। বললো, একদিকে আমি ধরছি মামা। এক প্রান্তে নীলকান্তবাবু ধরে আছেন, আর ফিতার মাথাটা নিয়ে আকাশ দৌঁড়ে গেলো বিল্ডিং মাপবে। নীলকান্তবাবু মেপে বললেন টুয়েন্টি পয়েন্ট ফাইভ মিটার। আকাশ বললো— মামা, কিলোগ্রামের মতো মিটারও কি ফ্রান্সেই ঠিক করা হয়েছে ? হ্যাঁ। বললেন নীলকান্তবাবু। আগে স্যাভ্রেতে 273 K বা জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় (00 C) প্লাটিনাম ও ইরিডিয়ামের 90:10 অনুপাতের সংকর ধাতুর তৈরি একটি দণ্ড রেখে এর মধ্যে দুইটা নির্দিষ্ট দাগের মধ্যবর্তী দূরত্বকে সবাই এক মিটার বলতো। এখন শূন্য স্থানে আলো এক সেকেন্ডে যতদূর যায়, এর ত্রিশকোটি ভাগের এক ভাগকে এক মিটার হিসেবে সবাই ধরে নেয়। সেই হিসাবে একটা স্কেল বাজারে কিনতে পাওয়া যায় বা আরো বেশি মাপতে গেলে ফিতা কিনতে পাওয়া যায়। এক মিটারের একশ ভাগের এক ভাগকে এক সেন্টিমিটার বলি। এটিও এসআই। ব্রিটেনের লোকজন এই হিসাবে মাপে না। তাঁরা মাপে ফুট হিসেবে। আমাদের দেশেও কয়েক বছর আগে আমরা গজ ফুটে মাপতাম। এখন এসআইতে মাপি। মিটার আর ফুট কি এক সমান ? বললো আকাশ। না না, বললেন নীলকান্তবাবু। এক মিটার হলো 3.28 ফুট এর সমান, অর্থাত্ এক গজের কিছু বেশি। বলতে বলতেই রংমিস্ত্রি চলে এলো। আকাশ তখনকার মতো মাপজোখ বন্ধ করে দিলো। মামা আর মিস্ত্রি মিলে বাকি মাপামাপিটা সারবে। মাপজোখ শেষ করে নীলকান্তবাবু রংমিস্ত্রিকে নিয়ে ড্রইংরুমে এসে বসলেন, বাকি কথাবার্তাটুকু শেষ করবেন। কণিকা একটা ট্রেতে করে চা নিয়ে এলো। চা আর বিস্কুট। অনেকক্ষণ আলাপ করলেন তাঁরা দুইজনে মিলে। মিস্ত্রি চলে যাবার পর নীলকান্তবাবু ডাকলেন— এই তোমরা কে এখানে, ট্রেটা নিয়ে যাও তো। আকাশ কাছেই ছিলো। দৌড়ে এসে হাত লাগালো। শুধু হাত নয়, পা-ও লাগালো। মেঝেতে একটা বিস্কুটের টুকরা পড়েছিলো, আকাশের পায়ের নিচে পড়ে একেবারে গুড়ো। নীলকান্তবাবু বললেন— কীরে আকাশ একেবারে কণা বানিয়ে ফেললি যে ! কণা কী মামা ? বললো আকাশ। কণা বুঝিস না ? কণা হলো অণু। ও আমাদের অণুদা ? হাসলেন নীলকান্তুবাবু। আমাদের অণু নয়। একটা পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ হলো অণু। আবার অণুর মধ্যেও আরো অংশ থাকে। একে বলি পরমাণু। পরমাণু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। রাসায়নিক বিক্রিয়া কী মামা ? বললো আকাশ। দাঁড়াও বলছি। আগে পরমাণুটা বলে নিই। প্রাচীন গ্রিসে খ্রিষ্টপূর্ব 400 অব্দে লুসিপাস ও তাঁর ছাত্র ডেমোক্রিটাস বলেছিলেন, সব পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য অংশ দিয়ে গঠিত। ডেমোক্রিটাস এই অংশের নাম দেন এটম (Atom)। এই শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ a (not) এবং temnein (to cut) শব্দের সমন্বিত রূপ। অর্থাত্ এটম ভাগ করা যায় না। কিন্তু অন্য গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল এর বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন— পদার্থকে যত ইচ্ছা ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায়। অন্য একটি মতে খ্রিষ্টজন্মের ছয়শত বছর পূর্বে ভারতীয় সাধক ও দার্শনিক কণাদ বলেন, সকল পদার্থ অতি ক্ষুদ্র অবিভাজ্য কণিকা দিয়ে গঠিত। এই কণিকার নাম দেয়া হয় পরমাণু। আরো অনেক পরে ব্রিটেনের গণিত ও প্রকৃতিবিজ্ঞানের অধ্যাপক 1803 খ্রিষ্টাব্দে পরমাণুর বৈজ্ঞানিক মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বলেন, প্রতিটি মৌলিক পদার্থই... আকাশ আবার থামিয়ে দিলো। বললো মামা কী বলো আমি তো বুঝি না, আগে বলো মৌলিক পদার্থ কী ? মামা হাসলেন, বললেন মৌলিক পদার্থ হলো যে পদার্থকে ভাঙলে অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না। এই যেমন বিস্কুটটা আমি ভাংলাম এতে তো অন্য কিছু পেলাম না। চকলেট, চানাচুর,মুড়ি... বললো আকাশ। না রে আকাশ, বললেন নীলকান্তবাবু। এভাবে ভাঙলে তো বৈজ্ঞানিক কর্মকাণ্ড হলো না। এটাকে ভাঙতে হবে পরীক্ষাগারে, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে, বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করে এবং বিশেষ ব্যবস্থায়। আকাশ শুনছে। মামা বলছেন, তুই বিস্কুটটা ভেঙ্গে মুখে দিলি। মিষ্টি, নাকি নুনতা ? আকাশ বললো— নুনতা। মামা বললেন— তাহলে এতে লবণ আছে। মিষ্টি হলে চিনি আছে। ময়দা আছে। আরো অনেক কিছুই আছে। তাহলে এটি মৌলিক পদার্থ নয়। বুঝলি ? আকাশ চুপ করে থাকলো। মানে বুঝেছে। সে কিন্তু মেধাবী ছাত্র। তার ক্লাসে সে ফার্স্ট বয়। বললো তা হলে মৌলিক পদার্থ কোনটি ? মামা বললেন, যে পদার্থে আর অন্য কিছু নেই। যেমন ধর লোহা, সোনা, অক্সিজেন। এদেরকে ভাংলে অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না। এরকম মৌলিক পদার্থ মোট কয়টি আছে ? প্রশ্ন করলো আকাশ। মামা হিসাব করে বললেন, প্রায় একশ আঠারোটি। এরমধ্যে প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে মাত্র আটানব্বইটি আর বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন বিশটি। মামা আবার শুরু করলেন— ডাল্টন বললেন, প্রতিটি মৌলিক পদার্থই ঐ পদার্থের অতি ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত। মৌলের এই ক্ষুদ্রতম কণাকে বলা হয় সেই মৌলের পরমাণু বা এটম (Atom)। এই মতবাদ ডাল্টনের পরমাণুবাদ নামে পরিচিত। আর এরজন্য ডাল্টনকে আধুনিক পরমাণুবাদের জনক বলা হয়।