রাজধানী কেন্দ্রিক ক্লাবগুলোর আপত্তির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) একটি দল পেশাদার ফুটবল লিগের ঢাকার বাইরের ভেন্যুগুলো পরিদর্শন করেছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে হেলিকপ্টারে করে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সহ-সভাপতি বাদল রায়, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি মঞ্জুর কাদের, আবাহনী লিমিটেডের ম্যানেজার ও ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য সত্যজিত্ দাস রুপু, ডিএমপি’র যুগ্ম কমিশনার ও ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য শেখ মারুফ হাসান গোপালগঞ্জ শেখ ফজলুল হক মনি স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন।
বাফুফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এছাড়াও দলটির চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়াম ও ফেনীর ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়াম পরিদর্শনের কথা জানানো হয়।
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, প্রতিনিধি দল সেখানকার স্টেডিয়াম পরিমাপ, ডেসিং রুম পরিদর্শন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। এ সময় গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুব আলী খান, শেখ মোহাম্মদ ইউসুফ, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক মোঃ ইলিয়াস হোসেন, ক্রীড়া সংগঠক শিব শংকর অধিকারী, আহম্মদ আলী খান, আব্দুল মান্নান মানি. জিহাদ খান, আলী নাঈম খান জিমি, প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তাসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র গত মৌসুমের পেশাদার ফুটবল লিগে গোপালগঞ্জকে তাদের হোম গ্রাউন্ড করে। কিন্তু শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ও আবাহনী লিঃ গোপালগঞ্জ ভেন্যু নিয়ে ফুটবল ফেডারেশনে অভিযোগ দেয়। অপর দুটি ভেন্যু নিয়েও একই রকমের অভিযোগ ওঠে।
স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে সালাম মুর্শেদী বলেন, গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। কিন্তু ফিফা ও এফসি’র মাপের তুলনায় গোপালগঞ্জ স্টেডিয়াম একটু ছোট।
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি মঞ্জুর কাদের বলেন, এখানকার মাঠ আন্তর্জাতিক মাপের থেকে ছোট। বিষয়টি আমরা গোপালগঞ্জের প্রশাসনকে জানিয়েছি। আশাকরি, তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমরা ঢাকার বাইরের মাঠগুলোকে সচল করতে চাই। গোপালগঞ্জের মাঠ দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক মোঃ ইলিয়াস হোসেন বলেছেন, দেশের যে কোন ভেন্যু থেকে গোপালগঞ্জের ভেন্যু অনেক ভাল। আশাকরি, ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা এ ভেন্যুতে খেলার ব্যবস্থা রাখবেন।
