প্রমাণ করেন ‘গাছেরও প্রাণ আছে’

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৪, ২০:৩২
বাংলা মো.সুজাউদ দৌলা, প্রভাষক রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা ভাবুক ছেলেটি (প্রবন্ধ) প্রশ্ন-১। ভাবুক ছেলেটি আসলে কে ছিল? উত্তর: ভাবুক ছেলেটি আসলে যে: ভাবুক ছেলেটি আসলে বিজ্ঞানী স্যার জগদীশচন্দ্র বসু। প্রশ্ন-২। সে ছোটবেলায় কী কী নিয়ে ভাবতো? উত্তর: ভূমিকা: ‘ভাবুক ছেলেটি’ নামে জীবনীমূলক রচনায় আমরা জানতে পারি, স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর ছেলেবেলার ভাবনা সম্পর্কে। সে ছোটবেলায় যা যা নিয়ে ভাবত: স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ছোটবেলা থেকেই ভাবুক ছিলেন। পড়াশোনাও ছিলেন মেধাবী। খেলাধূলা করতেন। আর সময় পেলেই গাছ-গাছালির দিকে তাকিয়ে দেখতেন। রোদ-বৃষ্টির ব্যাপারটাও দেখতেন। মেঘ ডেকে আকাশে যখন বিদ্যুত্ চমকে বাজ পড়ে তখন অবাক হয়ে ভাবতেন। ঝড়ে গাছপালা ভাঙলে কষ্ট পেতেন। বাবা মাকে প্রশ্ন করতেন ‘ওদেরকে কাটলে ওরা ব্যথা পায় না?’ এভাবে ছোটবেলা থেকে তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবতেন। মন্তব্য: ভাবনা মানুষকে বড় করে তোলে। তাই ছোটবেলা থেকে ভাবতেন বলেই জগদীশচন্দ্র বসু বিখ্যাত হন। প্রশ্ন-৩। তিনি কবে কোথা থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন? উত্তর: ভূমিকা: ‘ভাবুক ছেলেটি’ একজন বাঙালি বিজ্ঞানীর জীবনী। তিনি স্যার জগদীশচন্দ্র বসু। তিনি যখন যেখান থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন: মহান বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন। ছোটবেলায় বাড়িতেই তাঁর পড়াশোনার আরম্ভ। তারপর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ময়মনসিংহ জেলা স্কুলে ভর্তি হন। অতঃপর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে ১৮৭৪ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। মন্তব্য: স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন। এ কারণে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। প্রশ্ন-৪। কখন থেকে তিনি ‘বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু’ হয়ে ওঠেন? উত্তর: ভূমিকা: ‘ভাবুক ছেলেটি’ বৈজ্ঞানিক জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনী। যখন থেকে তিনি ‘বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু’: জগদীশচন্দ্রের ইচ্ছা ছিল ডাক্তারি পড়ার। এ উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৮১ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। এখান থেকে ট্রাইপাস করেন। তারপর লন্ডন থেকে বিএস-সি পাশ করেন। ১৮৮৫ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হন। তাঁর পদটি ছিল অস্থায়ী। তখন ইংরেজ অধ্যাপকদের তিন ভাগের দুই ভাগ বেতন পেতেন ভারতীয়রা। কিন্তু অস্থায়ী হওয়ায় তাঁর আরও অর্ধেক বেতন কেটে রাখা হত। এ কারণে তিনি বেতন ছাড়াই তিন বছর চাকরি করেন। এ সময় তিনি অনেক গবেষণা করেন। তাঁর গবেষণাগুলো লন্ডনের রয়েল সোসাইটির জার্নালে প্রকাশিত হয়। ইংরেজ সরকার তখন থেকেই জগদীশচন্দ্রকে স্বীকৃতি দেয়। তিনি ‘বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র’ বসু হয়ে ওঠেন। মন্তব্য: জগদীশচন্দ্র বসু ছিলেন জ্ঞানী মানুষ। বেতন ছাড়াও তিনি মনোযোগ দিয়ে গবেষণা করেন। স্বীকৃতি পান বিজ্ঞানীর। প্রশ্ন-৫। তিনি বেশি পরিচিতি লাভ করেন কোন সত্য প্রমাণ করে? উত্তর : ভূমিকা :‘ভাবুক ছেলেটি’ বৈজ্ঞানিক জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনীমূলক রচনা। তিনি প্রথম বাঙালি বিজ্ঞানী। যে সত্য প্রমাণ করে তিনি বেশি পরিচিতি লাভ করেন: গাছের প্রাণ আছে এ সত্য প্রমাণ করে বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু বেশি পরিচিতি লাভ করেন। জগদীশচন্দ্র বসু বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে গবেষণা করেন। তিনি প্রথম উদ্ভিদ ও প্রাণীর মিল খুঁজে পান। প্রমাণ করেন ‘গাছেরও প্রাণ আছে’-আর এ সত্য তাঁকে পরিচিতি এনে দেয় বিশ্বে।