প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা : বাংলা

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৪৩
ভাবুক ছেলেটি প্রশ্ন-৭। ‘তাঁর প্রত্যেকটি আবিষ্কার বিজ্ঞান জগতে এক একটি বিজয়স্তম্ভ’-এমন কথা কোন বিখ্যাত ব্যক্তি বলেছিলেন? উত্তর: আলোচ্য কথা যে বিখ্যাত ব্যক্তি বলেছিলেন: জগদীশচন্দ্র বসুর আশ্চর্য সব আবিষ্কার দেখে সুবিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছিলেন ‘জগদীশচন্দ্র বসুর প্রত্যেকটি আবিষ্কার বিজ্ঞান জগতে এক একটি বিজয়স্তম্ভ।’ প্রশ্ন-৮। ‘পলাতক তুফান’ নামে লেখাটির আগে কী নাম ছিল? তাঁর কোন বইয়ে এটি ছাপা হয়? উত্তর: লেখাটির আগে যে নাম ছিল: ‘পলাতক তুফান’ লেখাটির আগের নাম ছিল ‘নিরুদ্দেশের কাহিনী’। এটি বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী। যে বইয়ে ছাপানো হয়: এটি পরে ‘অব্যক্ত’ নামক বইয়ে ছাপা হয়। জগদীশচন্দ্র বসু শুধু আবিষ্কারই করেননি, তিনি লিখেছেনও। বিশেষ করে শিশু কিশোরদের জন্য। তাঁর এসব রচনা বেশ মজার। প্রশ্ন-৯। অধ্যাপনা থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি কী প্রতিষ্ঠা করেন? উত্তর: ১৯১৬ সালে অধ্যাপনা থেকে অবসর গ্রহণের দু বছর পর ‘জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞানমন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রশ্ন-১০। বিজ্ঞান শিক্ষা ও চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর সফলতাকে কোন নামকরা বৈজ্ঞানিকদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে? উত্তর: তাঁর সফলতাকে গ্যালিলিও, নিউটন প্রমুখ নামকরা বৈজ্ঞানিকদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ১৯২৭ সালে লন্ডনের ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকা এ মহান বৈজ্ঞানিককে-গ্যালিলিও নিউটনের সমকক্ষ বলেছেন। কবিতা : প্রার্থনা গোলাম মোস্তফা (১৮৯৭ — ১৯৬৪) প্রশ্ন-১। আমরা কার গুণগান করি এবং কার কাছে প্রার্থনা জানাই? উত্তর: আল্লাহ মহান। তিনি এ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমাদের দয়া করেন। তিনি অসীম শক্তির অধিকারী। আমরা স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা জানাই। তাই আমরা মহান সৃষ্টিকর্তার গুণগান করি। প্রশ্ন-২। ‘অনন্ত অসীম প্রেমময় তুমি’ — এ চরণ পড়ে আমরা কী বুঝি? উত্তর: এ চরণ পড়ে আমরা বুঝি যে, সৃষ্টির প্রতি সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসা ও দয়ার কোনো কমতি নেই, সীমা নেই। তিনি আমাদের ভালোবাসেন বলে আমাদের জন্য এ সুন্দর পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। প্রশ্ন-৩। আমরা কেন সৃষ্টিকর্তার কাছে করুণা ও শক্তি প্রার্থনা করি? উত্তর: সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান ও দয়াময়। তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টিকর্তার কাছে আমাদের প্রার্থনা আমরা যেন সঠিক, সুন্দর ও ন্যায়ের পথে চলতে পারি। তাই আমরা তাঁর কাছে করুণা ও শক্তি প্রার্থনা করি। প্রশ্ন-৪। আমরা কোন পথে চলতে চাই না? কেন? উত্তর: যে পথে রয়েছে সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ, যে পথ ভ্রান্তি ও পরিতাপের, সে পথে আমরা চলতে চাই না। এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি নেই।