জাতীয় বাজেট আসছে। প্রথাগতভাবে আগামী জুন মাসের প্রথম ভাগেই ঘোষণা করা হবে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট। সম্ভবত জুনের ৫ তারিখেই ঘোষিত হতে পারে নয়া বাজেট। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। এগিয়ে চলেছে বাজেট প্রণয়নের কাজ। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে চাওয়া হয়েছে তাদের অর্থের চাহিদা। পেশাজীবী, রাজনীতিবিদ, সরকারি আমলা, বেসরকারি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সংগে অহরহই সভা করে চলেছেন অর্থমন্ত্রী। তাদের মতামত নিচ্ছেন আসন্ন বাজেট সম্পর্কে।
যতটা জানা যায়, আগামী বাজেট হবে উচ্চাভিলাষী। এর আকার হবে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে তা হবে প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। বর্তমান মূল্যস্ফীতির হার বাদ দিলে প্রকৃত বাজেট বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে প্রায় ৬ শতাংশ। এর অধিকাংশই যোগ হবে উন্নয়ন বাজেটে। এ বাজেটের আকার হবে প্রায় ৮৪ থেকে ৮৮ হাজার কোটি টাকা। চলতি সালের উন্নয়ন বাজেটের তুলনায় তা হবে প্রায় ২৮ শতাংশ বেশি। মূল্যস্ফীতির হার বাদ দিলেও আগামী উন্নয়ন বাজেটের আকার বৃদ্ধির হার ২০ শতাংশের কম হবে না। এরূপ অভিপ্রায় নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। এটি উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করতে সহায়ক হবে। অনুন্নয়ন খাতে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতাকেও হ্রাস করবে। তাতে সার্বিক আকারে সীমিত থাকবে রাজস্ব খাত। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি প্রধান নির্দেশক হচ্ছে দেশজ আয়ের প্রবৃদ্ধির হার। প্রতিটি বাজেটেই এ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাকে গুরুত্বের সংগে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ৪ বছর গড়ে এদেশে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে শতকরা ৬.৩ ভাগ। এটি অতীতের যে কোন সময়ে এদেশের গড় প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি। বিশ্বের উন্নত দেশসমূহ তো বটেই, উচ্চহারে প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী অনেক উন্নয়নশীল দেশের তুলনায়ও আমাদের বর্তমান প্রবৃদ্ধির হার বেশি। তবে গত ২ বছর ধরে এ প্রবৃদ্ধিতে কিছুটা ভাটা পড়েছে। ২০১০-১১ অর্থ বছরে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৮৫ শতাংশ। ২০১১-১২ সালে তা ৬.২৩ শতাংশে এবং ২০১২-১৩ সালে তা ৬.১৮ শতাংশে নেমে আসে। চলতি ২০১৩-১৪ সালে প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭.২ শতাংশ। অনেক গবেষকের ধারণা, এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না। বিশ্বব্যাংকের মতে এবার প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতে পারে বড় জোর ৫.৭ শতাংশ। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকও একই ধরনের হতাশাপ্রবণ পূর্বাভাস ব্যক্ত করেছে। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠে বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো যখন উচ্চমাত্রায় প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হচ্ছে, আমাদের দেশে তখন প্রবৃদ্ধির ক্রমহ্রাসমান ধারাটি দৃষ্টিনন্দন মনে হওয়ার কথা নয়। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ব্যক্তিখাতে চাহিদা ও ভোগ হ্রাস, কৃষি ও শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির অবনতি এবং সেবা খাতের প্রবৃদ্ধিতে শ্লথগতি আমাদের সার্বিক প্রবৃদ্ধিকে দমিয়ে দিয়েছে। আগামী অর্থবছরে অবশ্যই তা কাটিয়ে উঠতে হবে। নতুবা প্রয়োজনীয় হারে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাস করা সম্ভব হবে না।
শিল্পখাতে গত বছর প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল ৯ শতাংশ। এবার তা নেমে যেতে পারে ৮ শতাংশে কিংবা তারও নিচে। প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার অনুন্নয়ন, অবকাঠামোর অপ্রতুলতা, পোশাক খাতের নাজুক পরিস্থিতি, দেশীয় বাজারের সীমিত আকার এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সংকোচন এ খাতে প্রবৃদ্ধি হ্রাসের প্রধান কারণ। সেই সংগে রয়েছে বিদ্যুত্ সরবরাহে অপ্রতুলতা। বর্তমান সরকারের আমলে এ খাতে প্রভূত উন্নতি হয়েছে সত্য, তবে এর মূল্যও কম নয়। বিদ্যুতের ঘন ঘন মূল্যবৃদ্ধি সাম্প্রতিককালে শিল্পোদ্যোক্তাদের উত্পাদন খরচ বাড়িয়েছে।
কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধিতে গত ৩ বছর ধরে ক্রমহ্রাসমান ধারা অব্যাহত রয়েছে। ২০১০-১১ অর্থ বছরে এর আগের বছরের তুলনায় ০.৪৭ শতাংশ, ২০১১-১২ অর্থবছরে নীট ২.৬৩ শতাংশ এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে নীট ১.২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়েছে। শস্য খাতের প্রবৃদ্ধিতে ক্রমহ্রাস গোটা কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধিকে অবদমিত করে রেখেছে। গত ৩ বছর এদেশে তেমন কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতাও কৃষিখাতের উত্পাদনে তেমন বেশি প্রভাব ফেলে না। এ ক্ষেত্রে প্রথমত দায়ী বাজেট হ্রাস। বিশেষ করে শস্য খাতে সরকারি খরচ কমেছে আশংকাজনকভাবে। উপকরণখাতে ভর্তুকি বাড়লেও তার বিতরণ ও ব্যবহারে দক্ষতার অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। গবেষণা খাতে প্রাতিষ্ঠানিক ও অবকাঠামোগত তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। গবেষকদের চাকরি ক্ষেত্রে ও প্রণোদনায় কোন উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অর্থায়নে ও ঋণ সহায়তায় কিছু নতুন প্রকল্প ও ফাউন্ডেশন গড়ে উঠলেও তার অধিকাংশ সুবিধা নিয়েছে এক শ্রেণির অনুগত কর্মকর্তা বাহিনী। নিয়মিত চাকরি জীবনে তারা এসব প্রকল্প প্রণয়নে সহায়তা করেছে, নিজেদের মনের মাধুরী মিশিয়ে তা সাজিয়েছে, অবসর গ্রহণের পর তারাই এসব প্রকল্পে চাকরি নিয়েছে এবং তা বাস্তবায়নে সরাসরি অংশ নিচ্ছে। এক্ষেত্রে নৈতিকতার প্রশ্ন জড়িত। তাছাড়া নিয়মিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তুলনায় তারা উপভোগ করছে অনেক উন্নত জীবন। অথচ তার প্রভাব মাঠে তেমন দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। কৃষিখাতে অবিরাম বয়ে চলছে এক ক্রমহ্রাসমান ধারা। অতএব, বিদেশি ঋণ নির্ভর এ প্রকল্পগুলো এখনই বন্ধ করে দেয়া উচিত। অবসরপ্রাপ্তরা জাতীয় কৃষি উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে না— এখানে এমনটি বলা হচ্ছে না। অবশ্যই তারা যথেষ্ট অবদানের স্বাক্ষর রাখার দাবিদার। তবে তা হওয়া উচিত সামান্য সম্মানীর বিনিময়ে। কারণ তারা একবার অবসর সুবিধাদি গ্রহণ করেছেন। এখন প্রকল্প পরিচালনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিতে হবে তাদেরকে, যাদের বয়স আছে এবং যারা নিয়মিত চাকরিতে আছেন। তাছাড়া সকল উত্স থেকে সংগৃহীত কৃষি গবেষণার সমুদয় অর্থ সরাসরিভাবে পাঠিয়ে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহে, যেখানে প্রকৃতভাবে গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে। যেখানে অর্থ খরচের নৈতিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে সকল গবেষক ও প্রকল্পের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একই নিয়মের আওতায়, একই মাপকাঠিতে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে হবে। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রাক্তন পদবীর ভিত্তিতে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের উচ্চতর বেতনে পরামর্শক নিয়োগ না করে বিদেশি ঋণ ও অনুদানের অর্থে এবং রাজার বাজেটের আওতায় শত শত বেকার কৃষি গ্রাজুয়েটদের ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে কৃষকদের সংগে সরাসরিভাবে মাঠে কাজ করে দেশের উত্পাদন বৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য। তাছাড়া বিদেশি ঋণ ও অনুদানের টাকা উচ্চ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ যাতে এবং গবেষণার সরঞ্জামাদি ক্রয়ের জন্য ব্যয় করা যেতে পারে। আর কৃষি ভর্তুকির টাকা কিভাবে সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছে দেয়া যায় সে উপায় উদ্ভাবন করতে হবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর অত্যন্ত সাফল্যজনকভাবে নগদ কৃষি ভর্তুকি প্রদান করেছিল সেচের জন্য। ওই ভর্তুকির টাকা সরাসরিভাবে চলে গিয়েছিল কৃষকের ব্যাঙ্ক একাউন্টে। বর্তমানে ভারতসহ পৃথিবীর অনেক উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে কৃষি ভর্তুকির টাকা সরাসরিভাবে কৃষকের হাতে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সে ধরনের কার্যক্রম আমাদেরও গ্রহণ করা উচিত। গতানুগতিক ভাবধারায় কৃষিখাত পরিচালনা করে সামনের টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। তাই ভবিষ্যত্ কর্মপন্থা নির্ধারণের জন্য অবিলম্বে কৃষি সেক্টর রিভিউ করার উদ্যোগ নেয়া উচিত। আসন্ন বাজেটে তার অঙ্গীকার থাকা দরকার।
সেবাখাতে গত বছর প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল ৫.৭ শতাংশ। এবার তা ৫.৫ শতাংশে কিংবা তারও নিচে নেমে আসতে পারে। উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের অভাবে ক্রমেই ক্ষয়িষ্ণু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ সেবাখাত। রাজনৈতিক ও অন্যান্য কারণে আমরা আন্তর্জাতিক সেবাখাতেরও কিয়দাংশ হারিয়ে ফেলেছি। সংকুচিত হয়েছে বিদেশে কর্মসংস্থান।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজন বিনিয়োগ বৃদ্ধি। আমাদের দেশে সস্তা শ্রমশক্তি থাকা সত্ত্বেও বিদেশি বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি কম। ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগ ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। সেই অনুপাতে সরকারি বিনিয়োগ দ্রুত বাড়ছে না। এটি কর্মসংস্থানের জন্য তথা দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য অনুকূল নয়। এ লক্ষ্যে একটি সম্প্রসারণমূলক বাজেটই এখন কাম্য। তবে দেশের অভ্যন্তরে বিনিয়োগ উত্সাহিত করার জন্য রাজনৈতিক অঙ্গীকার, অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন খুবই প্রয়োজন।
বাংলাদেশে এখন বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ প্রায় ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। তাতে ৬ মাসেরও বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মিটানো সম্ভব। এ মজুদ ন্যূনতম প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। তাতে বিদেশি মুদ্রার সংগে টাকার অবচয় রোধ সম্ভব হয়েছে। স্থিরতা এসেছে টাকার বিনিময় হারে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার অতিরিক্ত মজুদ অর্থনীতিতে কখনো নেতিবাচক প্রভাবও ফেলতে পারে। তাতে উত্সাহিত হতে পারে মূল্যস্ফীতি। অতএব লাভজনকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সম্প্রতি পৃথিবীর উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধির সংগে মূল্যস্ফীতির হার হ্রাস পাচ্ছে। এ হার এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১.৫ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ১.৬ শতাংশ, ডেনমার্কে ০.৪ শতাংশ, নিউজিল্যান্ডে ১.২ শতাংশ, কানাডায় ১.৫ শতাংশ এবং চীনে ২.৪ শতাংশ। বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হার এখন ৭.৫ শতাংশ। এ হার ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। সম্প্রতি খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। এখন তা প্রায় ৯ শতাংশ। এটা কৃষির উত্পাদনে স্থবিরতা ও সরবরাহ ঘাটতির পরিচায়ক।
আসন্ন বাজেটে উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন, নতুন কর্ম সৃজন, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন, সেবাখাত সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, সামাজিক নিরাপত্তা, জ্বালানি ও শক্তি এবং স্বাস্থ্যখাতে অধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। এ সব খাতে বিনিয়োগ ও ব্যয় বাড়াতে হবে। তাছাড়া বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য। এ লক্ষ্যে অভিযোজন কর্মসূচিকে জোরদার করা দরকার। এর জন্য আর্থিক সমর্থন প্রয়োজন। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন পরিপক্বতা অর্জনের দিকে এগিয়ে চলছে। বাজেটের আকার হচ্ছে সম্প্রসারিত। বাড়ছে খরচের সক্ষমতা। এখন থেকে পাঁচ বছর আগেও উন্নয়ন বাজেটের প্রায় ১৫ শতাংশ অর্থ অব্যয়িত থেকে যেতো সক্ষমতার অভাবে। এখন তা হ্রাস পেয়েছে ৪ শতাংশে। কিন্তু সরকারি অর্থ ব্যয়ের এই সক্ষমতা বৃদ্ধির সংগে খরচের গুণগত মান কতটুকু বৃদ্ধি পেয়েছে তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। তাই আমাদের সকল আন্তরিকতা দিয়ে বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থ খরচের স্বচ্ছতা ও সুনীতি জনসমক্ষে প্রদর্শনের মনোবল অর্জন করা উচিত।
লেখক: অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও প্রাবন্ধিক]
Email:[email protected]
