তরুণরা হতাশ নয়, তারা নিয়োজিত হচ্ছে বিভিন্ন সৃজনশীল পেশায়
তরুণ সমাজ হতাশ নয়। তারুণ্যের সাথে হতাশা শব্দটি বেমানান। দেশের রাজনৈতিক অবস্থা দেখে বা নির্দিষ্ট কিছু তরুণকে দেখে আসলে পুরো তরুণ সমাজকে বিবেচনা করা যায় না। তারা আমাদেরকে প্রতিনিধিত্ব করে না। আজকের তরুণ সমাজ সবকিছুকে ইতিবাচকভাবে দেখতে অভ্যস্ত। আমাদের সমাজে আছে যেমন বেকারত্বের সমস্যা তেমনি আছে তরুণদের নতুন উদ্ভাবনী ক্ষমতা। তারা আজ নিয়োজিত হচ্ছে বিভিন্ন সৃজনশীল পেশায়। চ্যালেঞ্জ নিতে তারা প্রস্তুত। তাই আমার বিশ্বাস আজকের তরুণ সমাজ হবে আগামীদিনের দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত সমাজের কর্ণধার। তারাই হাল ধরবে রাজনীতি, সমাজ তথা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের।
আবীর অধিকারী
বিএসসি ইন টেক্সটাইল, ৪র্থ বর্ষ
শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।
তরুণ সমাজ কোন
বাধাকেই পরোয়া
করে না
তরুণ সমাজ সাহসী ও উদ্যমী। কোন বাধাই তাদের রুখতে পারে না। তরুণরাই জাতির ভবিষ্যত্। তাদের আদর্শ নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা উচিত নচেত্ জাতির উন্নতি সম্ভব নয়। তরুণরা ঝড়ের মত উচ্ছ্বাস। কোন বাধাকেই তারা পরোয়া করে না। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামও তরুণের অভিযান কবিতায় তরুণদের সাহসের কথা লিখেছেন। যত বাধাই আসুক তরুণ সমাজ তা দৃঢ়তার সাথে মোকাবিলা করে। তরুণ সমাজ কোনক্রমেই হতাশ নয়।
রাসেল মাহমুদ চোকদার
এমএ (অর্থনীতি)
হাবিবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি কলেজ, শান্তিনগর, ঢাকা।
দিন দিন তরুণরা
হতাশায় নিমজ্জিত
হচ্ছে
আমার আজ বলতে দ্বিধা নেই যে, দিন দিন তরুণ সমাজ হতাশার গহ্বরের অতল তলে তলিয়ে যাচ্ছে। অনেকে একটু হাসতে পারেন আবার অনেকে দ্বিমত পোষণও করতে পারেন। আমি তাতে আপত্তি করব না। শুধু দ্বিধাহীনভাবে কিছু বলে যাব। ১৯৪৭ থেকে শুরু করে ’৫২, ’৬৬, ’৬৯ এবং ’৭১-এ স্বাধীনতা প্রত্যেকটিতে তরুণ সমাজের বিশেষ অবদান উল্লেখযোগ্য এবং তরুণ সমাজ সেই বিশেষ অবদান রেখেছিল স্বতঃস্ফূর্তভাবে। তাই সরকার থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের প্রতি আমার অনুরোধ— বর্তমানে তরুণ সমাজকে হতাশা নামক পিঞ্জর থেকে বের করে আনতে চলুন এগিয়ে আসি।
ফরিদ আহমেদ
আইন অনুষদ,৩য় বর্ষ, ৭ম সেমিস্টার
বিইউবিটি, ঢাকা।
তরুণ সমাজ
সত্যি কি হতাশ
যখন একটি স্বাধীন ভূখণ্ডে রাজনৈতিক অস্থিরতা, বেকারত্ব, দুর্নীতি, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসী, চাকরিতে স্বজনপ্রীতি, গণতন্ত্রের অপব্যবহার, গুম, অপহরণ নামে নানা অপকর্ম চলতে থাকে। তারুণ্যের শক্তিতে আজ হতাশার আলো না পড়তে দিয়ে, একটি সোনালি স্বপ্ন দেখার রাস্তা দেখাতে হবে। যেন সে বাস্তবে রূপ দিতে পারে তার সেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নটি। যার জন্য মুখ্য ভূমিকা রাখতে হবে রাষ্ট্র, সরকারসহ উচ্চবিত্ত ও সমাজপতিদের।
মোহাম্মদ মাসুদ
বিএ (অনার্স), বাংলা
সিটি ক্যাম্পাস, মিরপুর, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি হতাশাগ্রস্ত নই
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি হতাশাগ্রস্ত নই। আমি আশাবাদী। দিনে দিনে আমাদের দেশ উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশের আইন তার নিজ গতিতে চলছে। মানুষ অনেক সচেতন হয়েছে— বিবেক, মানবতা বেড়েছে। ‘হতাশা’ মানুষের সৃষ্টি মনে করি। আর এ হতাশা দূর করতে হলে আমাদের দেশের মানুষের মনে ‘স্বনির্ভর’ কথাটা লালন করতে হবে। মানুষ ছোটবেলা থেকে আত্মনির্ভরশীল হয়ে বেড়ে ওঠার practice করলে পরিণত বয়সে চাকরি খুঁজে হয়রান হতে হয় না। জীবনের যে কোন সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে নিতে পারে। অলসহীন জীবন যে কোন অন্যায় করা থেকে দূরে থাকে। তাছাড়া অনেক টাকা-পয়সা থাকলে মানুষ সভ্য হতে পারে না। এজন্য সত্ সংঘের দরকার। অর্থাত্ রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে খাঁটি মানুষ হতে হয়। এভাবে জীবনটাকে গড়লে মানুষের সীমাহীন চাহিদা, লোভ প্রতিহত হয়। মানুষের উগ্র কথা উগ্রভাবে পথ চলা রোধ হয়। জীবন হয় গতিময়, ছন্দময় এবং আশাব্যঞ্জক।
কাজী কোহিনূর বেগম তিথি
দ্বিতীয় বর্ষ
হোমিওপ্যাথি কলেজ (ফার্মগেট), ঢাকা।
