ক্লাব ফুটবলে এক খেলোয়াড় এক ক্লাব থেকে পারশ্রমিক নিয়ে অন্য ক্লাবে যোগদানের বহু ঘটনা রয়েছে ঢাকার ফুটবলে। কিন্তু পেশাদার লিগে এমন ঘটনার সুযোগ কম। কারণ এখানে রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপার রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে খেরোয়াড় রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ নেই। তারপরও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। উত্তর বারিধারা ক্লাবের খেলোয়াড় মো. জীবন লিগের প্রথম পর্বের পর মধ্যবর্তী খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশনের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে দল পরিবর্তন করেনি। দ্বিতীয় পর্বের লিগে উত্তর বারিধারা ক্লাবের খেলোয়াড় তালিকায় মো. জীবনের নামও ছিল। এখন হঠাত্ করে এই খেলোয়াড়ের নাম উঠেছে বিজেএমসির তালিকায়। নাম পরিবর্তন করে মো. জীবন থেকে হয়েছেন নাবিব নেওয়াজ জীবন। এই নামে বিজেএমসিতে খেলার প্রস্তুতি নিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে রেজিস্ট্রেশন না করে দল পরিবর্তনের কোনো নিয়ম নেই। কিন্তু নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এখন তিনি বিজেএমসির খেলোয়াড়। এটা কিভাবে হলো শুনে অবাক হয়েছেন লিগ কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান আবদুর রহীম। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লিগ কমিটির সভায় তাকে অন্য ক্লাবে খেলার অনুমতি দেয়া হয়নি। এব্যাপারে লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেছেন, ‘দুই ক্লাবের সমঝোতার ভিত্তিতে ওই খেলোয়াড়কে খেলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। যতদূর জানি দুই দল লিগ কমিটির সভায় বলেছে তারা সমঝোতা করেছে।’ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে দুই ক্লাব সমঝোতা করে এক দল আরেক দলের খেলোয়াড় নিতে পারতো। এখন সে সুযোগ নেই। তারপরও সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে কিভাবে এমন ঘটনা ঘটলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। জানা গেছে, উত্তর বারিধারা ক্লাবের স্ট্রাইকার মো. জীবনকে বিজেএমসিতে নেয়ার জন্য দুই ক্লাবের সমঝোতা হয়েছিল। সেখানে উত্তর বারিধারার শর্ত ছিল লিগের প্রথম পর্ব খেলবে বারিধারায়। দ্বিতীয় পর্বে দলবদলের সময় স্বাভাবিক নিয়ম অনুসরণ করে বিজেএমসিতে খেলবে। কিন্তু মো. জীবন প্রথম পর্বে এক দিনও দলের সাথে অনুশীলন করেনি ম্যাচও খেলেনি। এ কারণে মধ্যবর্তী সময়ে দলবদল করতে দেয়া হয়নি তাকে। এ নিয়েই বাঁধে জটিলতা।
