[ রা জ নী তি ]

মোদী-ঝড়ে ভেসে গেল সব

আপডেট : ১৯ মে ২০১৪, ২২:৫৭
গত সপ্তাহে জগদ্বাসী ভারতীয় রাজনীতিতে এক অবিশ্বাস্য ঝড় প্রত্যক্ষ করেছে। এ ঝড়ের নাম মোদী-ঝড়। এই মোদী-ঝড়ের প্রবল বাত্যা-প্রবাহে ভারতের রাজনীতির সকল হিসেব-নিকেশ বদলে যাবার উপক্রম হয়েছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর সংগ্রাম-সাধনার মধ্যদিয়ে ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে অসামান্য ভূমিকা পালন করার সুবাদে এবং গান্ধী-নেহরু-মওলানা আজাদ-প্যাটেল প্রমুখ বাঘা বাঘা নেতার তুলনারহিত অবদানের কারণে ভারতবাসীকে বিগত ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে মোহিত করে রেখেছিল। তাই বিগত ১৫টি লোকসভা নির্বাচনের অধিকাংশটিতে কংগ্রেসের আধিপত্য দেখা গেছে। কিন্তু এবার কংগ্রেসের সকল অর্জন-ইতিহাস-ঐতিহ্যকে সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে একাকার করে দিয়েছে এই মোদী-ঝড়। এবারের এই ষোলশ’ লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের এমন ভরাডুবি ঘটবে একথা ছিল পর্যবেক্ষকদের ভাবনারও অতীত। বিজেপির জয়লাভের সম্ভাবনা যে অনেক বেশি এ কথাটি সকল পর্যবেক্ষক তারস্বরে বললেও বা অনুমান করলেও সে বিজয় যে এমন দু’কূলপ্লাবী রূপ নিবে তা আঁচ করা সম্ভব হয়নি। গান্ধী-নেহরু-আজাদের অভিপ্রায় ছিল একটি অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠা। কিন্তু মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও তার মুসলিম লীগের অভ্যুদয়ে এবং নেহেরুর অনমনীয়তায় অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন চুরমার হয়ে যায় এবং ’৪৭-এ ভারত ভূমিতে স্বতন্ত্র মুসলিম আবাসভূমি হিসাবে পাকিস্তান রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন ঘটে। ভরত রাজের নামে প্রতিষ্ঠিত ভারতে রাম-রাজত্ব প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ’৪৭-পূর্ব ভারতে অনেকে দেখেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা অর্জিত হবার পর ভারতে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে দৃঢ়মূল করার মধ্যদিয়ে একটি সেক্যুলার ভারত নির্মাণ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা স্বাধীন ভারতে কখনও কখনও মাথাচাড়া দিয়ে উঠলেও ভারতে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রীয় চেতনাকে জোরদার করার ব্যাপারেই অধিক যত্নবান থেকেছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। যাহোক, কংগ্রেস এতকাল ভারতের শাসন ধারায় এক অপরিহার্য সত্তারূপে উদ্ভাসিত থাকলেও এবারের মোদী-ঝড় যে একে সম্পূর্ণভাবে নড়বড়ে করে দিয়েছে এতে কোনই সন্দেহ নেই। আর মোদীর এই ভারত বিজয়ে সকলে স্তম্ভিত। তার এই সাফল্য লাভের কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা নানান যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেছেন ও করছেন। কারও কারও মতে, কংগ্রেসের দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮ থেকে ৫ শতাংশে নেমে আসা ইত্যাদি মূলত কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোটের ভরাডুবির কারণ। আবার কেউ কেউ মনে করেন, রাহুলের দ্বিধাগ্রস্ত নেতৃত্ব, প্রিয়াংকাকে অধিক দেরিতে দৃশ্যপটে হাজির করা, আধুনিক প্রচার কৌশলে পিছিয়ে থাকা, মোদীর প্রার্থিতাকে প্রথম থেকে আমলে না নেয়া এবং সর্বোপরি খুব আত্মতুষ্টিতে ভোগাই হচ্ছে কংগ্রেসের হারের মূল কারণ। সত্যিই তো ভারতীয় জনগণের ধর্মনিরপেক্ষ মাইন্ড সেট মোদীর সাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার আঘাতে কেন এভাবে পপাত্ ধরণীতল হলো? মোদী সাম্প্রদায়িক, কট্টর ও প্রচণ্ড প্রতিক্রিয়াশীল তার এমন একটি নেতিবাচক ভাবমূর্তি সাধারণভাবে উচ্চমহলের কাছে বিদ্যমান। কিন্তু ভারতীয় দরিদ্র ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী এ নির্বাচনে তার দিকে পতঙ্গের মতো ধাবিত হয়েছে। নিশ্চয়ই এর অনেক কারণ রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় কারণটি বোধকরি এই যে, ভারতবাসীর এক বৃহত্ অংশ সম্ভবত দীর্ঘদিনের একঘেঁয়েমিপূর্ণ শাসনে হাঁপিয়ে উঠেছে। তাই তারা পরিবর্তন চায়। আর মোদীর জীবনচর্চা ও সাধারণ জীবনধারা, গুজরাটে তার নেতৃত্বাধীনে অর্জিত অর্থনৈতিক সাফল্য, হিন্দুপ্রধান ভারতে হিন্দু জনগোষ্ঠীর মন জয় করতে হিন্দুত্ববাদী অহংকারের সলতেটি প্রজ্বলিত করা ইত্যাদি সকল শ্রেণি-পেশা ও বর্ণের মানুষকে আকৃষ্ট করেছে। তারা বলতে চেয়েছে ঘুণেধরা এই সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে একজন আদর্শবাদী, ত্যাগী, কর্মঠ জনগণের দুঃখ-কষ্টের সমব্যথী নেতার প্রয়োজন। নিষ্ঠাবান, বিনয়ী কিন্তু কর্তব্য-কর্মে দৃঢ়চিত্ত একজন নেতার ছায়া ভোটাররা বা জনগণ সম্ভবত মোদীর মাঝে নিশ্চিতভাবে প্রত্যক্ষ করেছে। ভোটারদের মতে মোদীর কথায় ও কাজে মিল রয়েছে, তিনি যে জনগণের প্রতি দারুণ মমত্ত্বশীল এবং একনিষ্ঠ কর্মবীর এমন একটি ভাবমূর্তি জনসমক্ষে তুলে ধরতে তিনি সফল হওয়ায় জনগণ তার দিকে ধেয়ে গেছে পাগলপারা হয়ে। তিনি দূরদর্শী রাজনীতিবিদ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিন্তা-চেতনা পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে অনুধাবনে সক্ষম। স্বীয় ক্যারিশমা দেখিয়ে এবং বিজেপির উদার ও জনপ্রিয় নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ীর ভঙ্গিমার সার্থক অনুকরণের মাধ্যমে রাজনীতিতে তিনি বিশেষ মাত্রা লাভ করেছেন। আসলে নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী একজন কর্মবীর। ইংরেজিতে যাকে বলে ‘ডুয়্যার’। তিনি ধীর-স্থির কিন্তু লক্ষ্যে অবিচল। তিনি জনগণের সামনে নিজেকে একজন সফল ব্যক্তিত্বরূপে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে সফলতার এক প্রতীকে পরিণত হয়েছেন তিনি। ‘হও করমেতে বীর/ হও ধরমেতে ধীর/ হও উন্নত শির হবে জয়/ সাথে আছে ভগবান নাহি ভয়’। মোদীর সামগ্রিক জীবনধারায় যেন এই কথাগুলোরই রূপ দেখতে পেয়েছে ভোটাররা। গুজরাটে অর্থনৈতিক উন্নতি সারা ভারতের ভোটারদের মনে এই প্রতীতির বীজ বুনে দিয়েছে যে, গুজরাটে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি যখন সেখানকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটাতে পেরেছেন তাহলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসীন হলে তিনি গোটা ভারতবাসীর জন্য অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন করতে পারবেন। তাছাড়া তার নিরাভরণ, আদর্শবাদী জীবনাচার ভারতকে সামনে এগিয়ে নেয়ার সহায়ক হবে। মোদী নির্বাচনী প্রচারণা এবং বক্তৃতা অভিব্যক্তি শারীরিক ভাষা ভঙ্গি সবকিছুর মধ্য দিয়ে জনগণের মনে নিজের ব্যাপারে এ জাতীয় বিশ্বাসবোধ প্রোথিত করতে সক্ষম হয়েছেন এবং দরিদ্র জনগণ তার মাঝে নিজেদের প্রতিচ্ছবি দেখছে। গরিবী হটাবার কথা বলা হলেও দেশ থেকে গরিবী হটেনি। তখন তারা বিরক্ত না হয়ে পারে না। আবার তারা যখন দেখে যে মোদী দুঃখী মানুষের জীবনমান উন্নীত করার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও সফল তখন তারা স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয় যে, তিনিই সেই নেতা যার জন্য ভারত অপেক্ষা করেছে এতকাল। অপেক্ষাকৃত দুর্বল কিংবা পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠীর কাছে মোদী সম্পর্কে এটিই সরল ও সহজ হিসেব। মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত আর এবারের নতুন ২০ কোটি তরুণ ভোটারের অধিকাংশই চেয়েছে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। মোদীর বিজয় যে তাদের চোখে সে পরিবর্তন বা বিপ্লবের প্রথম ধাপ তাতো বলাই বাহুল্য। মোদী আজীবন সন্ন্যাসীর মতো নিষ্ঠাবান, বিশ্বাসে হিমাচলের মতো অটল আর কর্মে ও দক্ষতায় অনন্য সাধারণ- এটিই হচ্ছে পাবলিক পারসেপশান এবং সেটিরই প্রকাশ দেখা গেল এবারের এ নির্বাচনে। মোদীর নির্বাচনী বক্তৃতায় সাধারণ ভোটাররা যুক্তি খুঁজে পেয়েছেন সুবিধাভোগী শাসকদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবার। আমাদের দেশের নাম ভারত একে ইন্ডিয়া বানালো কারা? বিদেশি শাসকরা সিন্ধু অববাহিকায় অবস্থিত বলে ভারত ভূমির নামকরণ করেছে ‘ইন্ডিয়া’ । কিন্তু না আমার দেশতো ভরত রাজার সৃষ্ট ‘ভারত ভূমি’। ’৪৭ এ যারা অখণ্ড ভারত সৃষ্টি করতে চাইলো স্বাধীনতার পর সেই ভারত থেকে ধমর্েক নির্বাসনে পাঠাবার আয়োজন হয়েছে আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে। এখানেও মোদীর চোখ দিয়েই এক প্রকার অসঙ্গতি দেখতে পায় সাধারণ ভোটাররা। ফলে তারা আপ্লুত হয় তার সেসব ভাষণে এবং এটাই তখন বুঝে নেয় বা জেনে নেয় যে, ‘তিনি আমাদেরই লোক’। তবে একথা মানতে হবে যে মোদীর এই অবিশ্বাস্য সাফল্যের মধ্যদিয়ে এই সত্যটাই পুনরায় প্রতিষ্ঠত হয়েছে যে, যিনি নিজের কাজটুকু ঠিক মতো ও নিষ্ঠার সঙ্গে করেন তার জীবনে সাফল্য আসবেই। নিষ্ঠাবান মোদী জনগণের চোখে এ সাফল্যের প্রতীকীরূপ তাই আজ। গরীবের দুঃখ যন্ত্রণাতো একজন দূরদর্শী, আদর্শবাদী ও কর্মচঞ্চল মানুষই বুঝতে পারবে, অভিজাত কেউ নয়। এ কথাটিই এবার ভোটাররা মোদীর মধ্য দিয়ে অনুধাবন করেছে প্রবলভাবে, তাই তাকে জেতাবার জন্য উল্কার মতো ছুটে গেছে সবাই পোলিং বুথগুলোতে। একজন সাধারণ কর্মবীর যে দেশ চালাবার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে স্বীয় কর্মনিষ্ঠার ও সততা -সাধুতার বলে বলীয়ান হয়ে এই কথাগুলো ভারতবাসী মোদীর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীরূপে অর্জিত সাফল্যের মধ্যদিয়ে বিশ্বাস করতে চাইছে। তবে একথা ঠিক যে, শুধু ভারতেই নয় বিশ্বের বহুস্থানেই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা ব্যক্তিদের অনেকেই রাষ্ট্র পরিচালনা ও দেশসেবায় উজ্জ্বলতর দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। মোদীর এ বিজয় ভারতের শাসনকার্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি তথা প্রশাসনযন্ত্রের মূল ভিত্তির প্রতি এক বড় আঘাতস্বরূপ। তারা ভেবেছে ’৪৭-এর পর থেকে শাসকেরা আমাদেরকে শুধু বঞ্চিত ও প্রতারিতই করেছে কেবল। স্বাধীনতা আমাদের সকলের জীবনে অর্থবহ হবে, সকল প্রকার নাগরিক ও মানব অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে দেশে, এই ছিল স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু অধিকাংশ মানুষের জীবনের দিকে তাকালে দেখা যাবে তাদের সে গুড়ে বালিই পড়েছে শুধু। সুতরাং এ অবস্থার পরিবর্তন চাই। আর তাই পরিবর্তন ঘটাতেই হবে। সৃষ্টির নবপূর্ণিমায় সকলে মিলে অবগাহন করতে হবে। মোদ্দাকথা এই নবচেতনা ও নব আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত ভারতবাসী মোদীর মধ্যে সে সম্ভাবনার ছায়াপাত দেখেছে বলেই এই মহাবিজয় লাভ ঘটেছে তার। মোদীর কণ্ঠেই তারা যেন উত্পীড়িতের ক্রন্দনরোল শুনতে পেয়েছে। এতসব কিছুর পরও বলতেই হবে যে, এসব হচ্ছে হতাশাগ্রস্ত ও বঞ্চিত শোষিত মানুষের প্রত্যাশা। মোদীর ক্যারিশমায় তারা মুগ্ধ ও বিমোহিত। মোদী-ঝড় আজ ভারত ভূমিতে সন্দেহাতীতভাবে জনমানসে নতুন আশা-উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে। কিন্তু তাদের সে আশা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে মোদী ও তার সরকার আগামী দিনগুলিতে কি ভূমিকা পালন করেন, কতটুকু সফল হন তা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে সকলকে। আমরা আশা করবো মোদী জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন। ভারতে এবারে শাসকদের পরাজয়ের মূল কারণ জনগণের সঙ্গে প্রতারণামূলক আচরণ। নির্বাচনে জিতে জনগণকে প্রদত্ত অঙ্গীকারসমূহ পূরণের পরিবর্তে একটি সুবিধাবাদী ও সুবিধাভোগী শ্রেণিকে পৃষ্ঠপোষকতা দানের নতিজা এমনটাই হয়। এবারের ভারতের নির্বাচন এ অমোঘ সত্যটিকেও আবারও খুবই স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত করে গেল। যারা জনগণকে কেবল দাবার গুটি মনে করেন এবং নির্বাচনে জিতেই তাদেরকে আমের আঁটির মত ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে দুর্নীতি অব্যবস্থা পেশীশক্তি প্রদর্শন ইত্যাদির মাধ্যমে নিজের বা মোসাহেবদের স্বার্থসিদ্ধি করেন তারা আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেনই। ভারত ৬০ বছরেরও অধিককাল যাবত্ স্বাধীন হওয়া সত্ত্বেও সেখানে আজও নানাবিধ অনাচার, অব্যবস্থা বৈষম্য, নির্দয়তা বজায় রয়েছে। শাসকরা যদি এসব ব্যাপারে অধিক যত্নবান হতেন, সম্পদ সৃষ্টি ও সম্পদের সুষম বণ্টনে বদ্ধপরিকর হতেন আর জনগণ যা বলতে চায় তা কান পেতে শুনতেন তাহলে পরাজয়ের গ্লানি কখনই এভাবে পেছন থেকে এসে তাদের কপালে কালিমা লেপন করে দিয়ে যেতে পারতো না। এই সার সত্য যেসব রাজনীতিক ও দল মেনে চলে তারাই কেবল প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে থাকেন আর অন্যদের জীবনে জোটে জগত্ জোড়া ধিক্কার। জনগণের দুঃখ দারিদ্র্য নিয়ে রসিকতা যারা করেন তাদের জন্য ভারতের এবারের নির্বাচন এক বড় সবক। লেখক : সাংবাদিক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন