[ অ র্থ নী তি ]

জাতীয় বাজেট ভাবনা ২০১৪-১৫ অর্থবছর

আপডেট : ২১ মে ২০১৪, ২২:৫৯
বাংলাদেশের ন্যায় একটি উন্নয়নশীল দেশ যা কয়েক বছরের মধ্যেই মধ্যবর্তী আয়ের দেশে পরিণত হবে তাদের জন্য জাতীয় বাজেট অনেক গুরুত্ব বহন করে। যদিও জাতীয় বাজেট প্রণীত হয়ে থাকে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায়, তথাপি যে অর্থবছরের জন্য বাজেটটি প্রণীত হয়, তা যদি বাস্তবতার নিরিখে হয়ে থাকে তবে তা দেশের উন্নয়নের কাঠামো বিন্যাস এবং ভিত্তি শক্ত করতে মূল ভূমিকা রেখে থাকে। আগামী অর্থবছরের বাজেট ৫ জুন অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে পেশ করবেন। প্রাথমিকভাবে যে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে তাতে জাতীয় বাজেটের পরিধি হতে পারে ২৫০,০০০ কোটি টাকা। অথচ চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের পরিমাণ হচ্ছে ২,১১,২২০ কোটি টাকা। বিপুল আয়তনের প্রস্তাবিত বাজেট আবার ঘাটতি বাজেট হিসাবেই চিহ্নিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৬৮,০০০ কোটি টাকা। এই বিশাল ঘাটতি মেটানোর জন্য ৪০,০০০ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উত্স থেকে নিষ্পত্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যার মধ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে ২৫,০০০ কোটি টাকা এবং নন ব্যাংকিং খাত থেকে ১৫,০০০ কোটি টাকার সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে বহিঃস্থ খাত থেকে ২৮,০০০ কোটি টাকা মেটানোর প্রস্তাবনা রয়েছে। আসলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করতে হলে অবশ্যই জাতীয় বাজেটকে বাস্তবতার নিরিখে যেমন তৈরি করা প্রয়োজন, তেমনি অবকাঠামোগত সংস্কার, ভৌত কাঠামো নির্মাণ, চলাচল ও যাতায়াতের উন্নয়নের সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা ও বাস্তবায়নের প্রয়াস থাকা বাঞ্ছনীয়। উত্পাদনশীল খাতে ব্যয় নিশ্চিত করা গেলে, তা রাষ্ট্রীয় তথা সামাজিক কল্যাণ সুনিশ্চিত হয়ে থাকে। আসলে জাতীয় বাজেটকে দেশের উন্নয়নে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। বাজেট ঘাটতি শেয়ার মার্কেটের শেয়ারের মূল্যের উপর ভূমিকা রেখে থাকে। বাজেটে পুঁজিবাজারের পুন:গঠন, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও ফাইন্যান্সিয়াল ডেরিবেটিবস চালুর ব্যাপারে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। পুঁজিবাজারের উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি যৌক্তিক ব্যবস্থার জন্য সুষ্ঠু নীতিমালা প্রয়োজন এবং সেই নীতিমালা কার্যকর করার ব্যবস্থা থাকা দরকার। দেশের শিল্প বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা ভৌত-অবকাঠামো নির্মাণে পুঁজিবাজারকে আমাদের দেশে পুঁজিবাজারের সূচনালগ্ন থেকে কখনো সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়নি। এটি অবশ্যই দূর হওয়া দরকার। একটি দেশের করদাতার সংখ্যা বাড়ানো দরকার। দেশে যে হারে অপ্রত্যক্ষ কর VAT বাড়ানো হয়েছে তার তুলনায় প্রত্যক্ষ কর কিন্তু তেমন বাড়েনি। কর-ব্যবস্থাপনায় গত বছরগুলোতে ধীরে ধীরে সাফল্য আসতে শুরু করেছে। তবে তার গতি সীমিত। ইটিআইএন ব্যবস্থা চালুর প্রয়াস একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ভ্যাটের সফটওয়্যারও চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে এখন কর ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের প্রয়োজন। ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আগামী পাঁচ বছরে ১৩ শতাংশে উন্নীত করার প্রয়াস নেয়া হবে। তবে যারা বিত্তশালী, তারা কিন্তু সঠিক মাত্রায় কর দিচ্ছেন না। বরং তারা একের পর এক কর হ্রাসের জন্য নানাদিক থেকে চাপ দিয়ে থাকে। সম্প্রতি এফবিসিসিআই অনেকগুলো পণ্যের ক্ষেত্রে কর হ্রাসের আহ্বান জানিয়েছেন। আসলে কর যদি হ্রাস করা যায়, তবে দেশের সরকারি খরচ হ্রাস করা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যয় করাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। বরং বাজেটের ঘাটতি বাড়বে। কর্পোরেট ট্যাক্স হ্রাসের কোন যৌক্তিকতা নেই। তবে প্রত্যক্ষ-অপ্রত্যক্ষ কর, ডিউটিকে আরো দক্ষভাবে সুসমন্বিত করা যায়। কর ব্যবস্থাপনার উন্নতি একটি পর্যায়ক্রমিক ধারাবাহিকতা। এদেশের দীর্ঘদিনের যে অভ্যাস কর ফাঁকি দেয়ার সংস্কৃতি তা রাতারাতি দূর করা যাবে না। বাংলাদেশের যে বিত্তশালীরা আছেন তাদের সত্যিকার আয়ের উপর কর যথাযথভাবে কর আরোপ ও আদায় করা গেলে দেশের উন্নতি বিধান করা সম্ভব হতো। ট্যাক্স এবং ট্যারিফ সিস্টেম সেবামূলক ও যানবাহন খাতে সুসমন্বিত করা যেতে পারে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে কর হ্রাস করা যেতে পারে। কেননা সত্যিকার অর্থে মানবসম্পদ গঠনের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। যেহেতু শিক্ষা জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম উপাদান, সেহেতু এক্ষেত্রে কর আরোপ করা উচিত নয়। আবার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভাড়া বাড়িতে থাকলে ভ্যাট দিতে হয়। কর ব্যবস্থাপনায় যে সমস্ত অসামঞ্জস্য রয়েছে সেগুলো দূর করা দরকার। বাংলাদেশে পোল্ট্রি শিল্পের বিকাশে স্থানীয় খামারীরা প্রচণ্ড পরিশ্রম করলেও এখন তাদের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। পোল্ট্রি শিল্পে স্থানীয় খামারীরা যাতে দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন সেজন্য বিশেষ প্রণোদনার দরকার রয়েছে। এদিকে স্মল এন্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজের ক্ষেত্রে নানা অসঙ্গতির কারণে অনেক উদ্যোক্তা যথাযথভাবে ব্যবসা করতে পারছেন না। এক্ষেত্রে কেবল কর ব্যবস্থাপনা নয়, হোলিস্টিক নেচারের সুযোগ-সুবিধা ব্যাংকিং কার্যক্রমসহ অন স্টপ সার্ভিসের আওতায় আনা দরকার। বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্যে লালিত পোশাক শিল্প যেমন জামদানী, বেনারসীর ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিশেষ প্রণোদনা দান করা উচিত। বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এবং ইনফরমেশন সার্ভিসেস ১০ বছরের জন্য কর্পোরেট ট্যাক্সের অব্যাহতি চেয়েছে। সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে দেশে রপ্তানি আয় যদি বাড়ানো যায়, তবে ভাল হয়। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আয় আসে পোশাক শিল্প খাত থেকে। নানামুখী সমস্যায় পোশাক শিল্প খাত জর্জরিত। যারা এই রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট তাদের জন্য অবশ্যই একটি যৌক্তিক পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয় হচ্ছে ১২৫,০০০ কোটি টাকা আর আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের প্রাক্কলন করা হচ্ছে ১৪৯,০০০ কোটি টাকা। এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সরাসরি সুযোগ থাকছে না। তবে কালো টাকা সাদা না করতে দিলে দেশ থেকে পুঁজি পাচারের সমূহ সম্ভাবনা থাকবে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৪,০০০ কোটি টাকা অঘোষিত অর্থ বৈধ করা হয় এবং কর বাবদ ১৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব বোর্ড পেয়েছে। এটিকে ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিনেন্স-১৯৮৪ সালে আবাসন ও গৃহশিল্প বিনিয়োগের সুযোগ আছে। আসলে দেশে একটি সামষ্টিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একজোটে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে সুষ্ঠু বিনিয়োগ পরিবেশ পেলে অবশ্যই দেশের স্বাভাবিক বিনিয়োগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। মানিলন্ডারিং প্রিভেনশন এ্যাক্টের সাথে ট্যারোরিজম আটকানোর জন্য আইন আছে। এই আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়েও কিন্তু একদিকে দেশ থেকে অর্থ পাচার হচ্ছে অন্যদিকে দাতাদের নামে অনেক ক্ষেত্রে অবৈধ পথে অর্থ এসে থাকে। দেশে একটি সুষ্ঠু পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা উচিত। পর্যটন কেবল যে বিনোদনের জন্যও হবে তা নয় বরং ধর্মীয়, চিকিত্সা, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের স্বাস্থ্য খাতে যাতে উপযুক্ত চিকিত্সা কাঠামো গড়ে উঠে সেজন্য বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের প্রয়োজন। কেননা প্রচুর পরিমাণে অর্থ বিদেশে বৈধ ও অবৈধ পথে চিকিত্সা বাবদ পাচার হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দেশে চিকিত্সা কাঠামোর উন্নয়ন প্রয়োজন। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে কেবল সরকার নয়, প্রতিটি নাগরিকের উচিত অগ্রযাত্রাকে সহায়তা করা। যার যার উপর অর্পিত দায়িত্ব যদি সচেতনতার সাথে পালন করে থাকে, তবে দেশের উন্নয়ন সম্ভব। চিকিত্সা কেন্দ্রসমূহের সাথে দক্ষ মানব সম্পদ স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা পালন করে থাকে। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ৭% রাখার কথা। আসলে মূল্যস্ফীতির হার উচ্চ হলে দেশের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়। ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেলে ব্যাষ্টিক চাহিদা যেমন কমে যায় তেমনি সামষ্টিক চাহিদাও হ্রাস পাবে। এই অবস্থায় ধীরে ধীরে মূল্যস্ফীতি যত হ্রাস করা যায় তত ভাল। এজন্য সামষ্টিক অর্থনীতির পাশাপাশি ব্যাষ্টিক অর্থনীতির ভিত্তিসমূহ কল-কারখানা শিল্পকে ঢেলে সাজাতে হবে। আবার আগামী অর্থবছরে জিডিপি-র প্রবৃদ্ধির হার ৭.৩% ধরা হয়েছে। আসলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সহিংসতা, দুর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহে মিথ্যে অপবাদ-দুর্নামের কারণে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা চলতি অর্থবছরে ব্যাহত হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা থাকবে না বলে আশা করা যায়। দেশের যে সমস্ত শিল্প কল-কারখানা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রটেকশনের ব্যবস্থা করতে হবে। নইলে প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থায় টিকে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়বে। এদিকে কৃষিখাতে বেশ অগ্রগতি হলেও তা আরো বিকশিত এবং পরিসর বড় হওয়া বাঞ্ছনীয় হয়ে পড়েছে। কৃষিখাতে সার্বিকভাবে সাবসিডির পরিমাণ বাড়ানো দরকার। বর্তমানে সামগ্রিকভাবে ১% হারে জিডিপির সাবসিডি পেয়ে থাকে। দরিদ্র ও প্রান্তিক চাষীরা যাতে সরাসরি নানাভাবে সুযোগ-সুবিধা পায় সেটি নিশ্চিত করা হয়। এডহক ভিত্তিতে পরিকল্পনা না করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় কৃষি খাতের বিকাশ সাধন করা দরকার। গ্রামীণ অবকাঠামোয় যে ধরনের উন্নয়ন ধীরে ধীরে সাধিত হচ্ছে, তা যেন বজায় থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার। দারিদ্র্য বিমোচনে যে সাফল্য সাম্প্রতিককালে এসেছে, তা বজায় রাখতে হলে আসলে প্রয়োজনের নিরিখে পরিবর্তনশীল পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে চলতি অর্থবছরে ৮০,০০০ কোটি টাকা ধরা হলেও এটি সংশোধিত হয়ে ৬০,০০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সুষ্ঠু ও সময়মত বাস্তবায়ন করা দরকার। বিগত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর বাস্তবায়নের গতি শ্লথ হয়েছে। অবশ্য এর পেছনে কারণও রয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। তবে আশা করব, আগামী অর্থবছরের জন্য যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে তা মাসওয়ারী কোন মাসে কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে তার একটি সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা এবং সেই অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা দরকার। এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্রকল্প থাকা দরকার। বিভিন্ন বিদেশি এনজিও সেখানে কাজ করলেও তারা সেখানকার ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীদের মধ্যে যেভাবে ঋণ বিতরণ করে থাকে সে অনুপাতে বাঙালিরা সুযোগ পায় না। আর এর সুযোগ নিয়ে থাকে জঙ্গি সংগঠনগুলো। সমতার ভিত্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচনের ব্যবস্থা করতে হবে। এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের কোনো কোনো অঞ্চলে পপি চাষ যেভাবে বাড়ছে তা অংকুরে বিনষ্ট হওয়া দরকার। দেশে জনসংখ্যা অনুপাতে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা খুবই স্বল্প। এদেশে প্রায় সাড়ে এগারোশ’ জনের জন্য একজন মাত্র পুলিশ। দেশে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য পুলিশ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানো উচিত। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দেশের জন্য গর্বস্বরূপ। তাদের আধুনিকায়নের জন্য যে প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে তা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে অব্যাহত থাকা বাঞ্ছনীয়। আগামী অর্থবছরের বাজেটটি বর্তমান সরকারের একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ হিসাবে বিবেচিত হোক— যাতে জনকল্যাণ, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়। লেখক :উপাচার্য, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাইক্রো-ফিন্যান্সিয়াল ইকোনোমিস্ট।। ই-মেইল ([email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন