এবারের নির্বাচনে দীর্ঘদিনের আচরিত আদর্শিক স্ববিরোধিতার জবাব দিয়েছে ভারতের জনগণ। তাদের সত্যি যুক্তির জয় হয়েছে। একদিকে দুর্নীতি অন্যদিকে খাবার অভাব ভারতবাসীকে জ্বালিয়ে ফেলেছিল। তাই ভারতবাসী দীর্ঘদিন পর এর প্রতিশোধ নিয়েছে নির্বাচনের মাধ্যমে।
আলমগীর হোসেন
ভৈরব বাজার, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ
যুক্তির যে জয় হয়েছে এটা আসলে পুরোপুরি সঠিক নয়। এখানে মূলত নির্বাচনে হিন্দুত্ব জাতীয়তাবাদের উত্থান হয়েছে। অন্যদিকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও নির্বাচিত যে সরকার হবে তাদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। সাম্প্রদায়িক শক্তির জয় হয়েছে। কিন্তু সমগ্র ভারতবাসীর জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে তাদের অধিকার ও মতামত প্রতিষ্ঠা পায়নি। সর্বোপরি সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান এবং ধর্মনিরপেক্ষতা উপেক্ষিত হওয়ার কারণে এবারে নির্বাচনে যুক্তির যে জয় হয়েছে কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়।
মোহিত হাসান
কৃষি অর্থনীতি
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ভারতবাসী কংগ্রেসের দুর্নীতির কারণে গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোট প্রদান করে কংগ্রেসের দুর্নীতির সমোচিত জবাব দিয়েছে। সে দেশের জনগণ যুক্তি ও মুক্তির প্রশ্নে অনুপ্রাণিত হয়ে মোদিকে তাদের ম্যান্ডেট প্রদান করেনি। তারা স্বপ্রণোদিত হয়ে কংগ্রেসের দেশ শাসনে ব্যর্থতা আর দুর্নীতির জন্যই মোদীকে জয়ী করতে বাধ্য হয়েছে। ইসলাম ধর্মে অনুমোদিত আছে আপন জান বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনে হারাম খাদ্যও ভক্ষণ করা যায়। ভারতবাসীও তাদের জানমাল বাঁচানোর জন্যই রাজনৈতিক কারণে স্ববিরোধিতা করে এক্ষেত্রে মোদীকে বেচে নিয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেলে এবং ভেজালবিহীন নির্বাচন হলে আমাদের দেশেও তাই ঘটবে বলে আমার ধারণা।
মো. লুত্ফুর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
সত্যি ভারতের নির্বাচনে এবার যুক্তির জয় হয়েছে। ভারতবাসী কংগ্রেসের দুর্নীতির জবাব দিয়েছে ভোটের মাধ্যমে। বহুদিনের কংগ্রেসের স্ববিরোধিতার জবাব দিয়েছে জনসাধারণ। তারা মোদীকে ভোট দিয়েছে দেশে শান্তি আসার লক্ষ্যে। তারা ভেবেছে যুক্তির জয় করতে হলে মোদীর কোন বিকল্প নেই।
হাবিবুর রহমান
পুরান থানা, কিশোরগঞ্জ
ভারতের এবারের নির্বাচনে যুক্তির জয় হয়েছে এটা যেমন সত্যি তেমনি হিন্দুত্ববাদী দর্শনে কট্টর সাম্প্রদায়িক পথ বেচে নেয়া এক ব্যক্তি এই প্রথম ধর্ম নিরপেক্ষ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে যাচ্ছেন এটাও সত্যি। তবু উন্নয়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বন্ধুত্ব এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন তার কাছে এটাই আমাদের চাওয়া। হিন্দুত্ববাদ দর্শনে প্রয়াত নেতা দীন দয়াল উপাদ্ধায়ের প্রতি পরম শ্রদ্ধা রেখেই বলছি বিশ্বের বৃহত্তর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শুধুমাত্র হিন্দুত্ববাদের দর্শন বিকশিত ও বিস্তৃত করতে চাওয়াটাও ঠিক হবে বলে মনে করি না।
একেএম শাহজাহান
সভাপতি, বিজ্ঞান সমিতি, নরসিংদী
ভারতের নির্বাচন নিয়ে অনেকের মতামতের সাথে যুক্তির জয় হয়েছে বলে আমরা মনে করছি। আর এটাও ঠিক ভারতবাসী যুক্তিশীলতার পক্ষে ম্যাডেন্ট দিয়ে বহুদিনের আচরিত আদর্শিক স্ববিরোধিতার জবাব দিয়েছেন। ভারতবাসীর এখন শুধু প্রত্যাশা নয় সারা বিশ্ববাসীর প্রত্যাশা ভারত এখন এগিয়ে যাবে আপন গতিতে।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
ভারতবাসী যুক্তিশীলতার পক্ষে ম্যাডেন্ট দিয়ে বহুদিনের আচরিত আদর্শিক স্ববিরোধিতার জবাব দিয়েছেন এটা নিঃসন্দেহে সত্য। তবে এই নির্বাচনে তারা ভোট দিয়ে তাদের আশা আকাঙ্ক্ষার যে স্বপ্ন দেখছে যে স্বপ্ন যেন পূরণ হয় তাহলে ভোটাধিকার প্রয়োগ স্বার্থক হবে বলে আমরা মনে করছি।
মোঃ সেলিম
মহাখালী, ঢাকা
ভারতের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ হয়েছে। আর এর ভিতর দিয়ে ভারতের এবারের নির্বাচনে যুক্তির জয় অবশ্যই হয়েছে। নতুন নেতা, নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন এবং নতুন প্রত্যাশা অনেক। সবমিলেই বৃহত্ রাষ্ট্র ভারত এখন এগিয়ে যাবে আরো এই প্রত্যাশা সারাবিশ্ববাসীর।
রবিউল হোসেন রবি
চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
ভারতবাসী এবার যুক্তিশীলতার পক্ষে ভোট দিয়ে তাদের বহুদিনের আচরিত আদর্শিক স্ববিরোধিতার জবাব দিয়েছেন। তাদের এখন দরকার শান্তি, স্বস্তি ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে কংগ্রেস। উঠে এসেছে বিজেপি। সারা বিশ্ব চায় ভারতের বর্তমান সরকার এগিয়ে যাবে উন্নয়নের ধারায় ও বন্ধুত্ব মনোভাব নিয়ে।
শাহীন
ডিওএইচএস, মহাখালী
ভারতবাসী এবার সত্যিকার অর্থে যথাযথ কাজটি করেছেন। তাই তো ভারতে এবারের নির্বাচনে যুক্তির জয় হয়েছে। দীর্ঘ কংগ্রেস ক্ষমতায় টিকে থাকার পর আগত বিজেপিকে স্বাগত জানাই। তাদের কর্ম উদ্দীপনায় ভরে উঠুক এ প্রত্যাশা সবার।
দিনা
টাইম ২৪.নেট, মতিঝিল, ঢাকা
যে কোন গণতান্ত্রিক দেশে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটই হচ্ছে গণতন্ত্রের অলংকার। ‘জোর যার মুল্লুক তার’-এই তন্ত্র গণতন্ত্রের বহির্প্রকাশ। ভারত বৃহত্ গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতের এই গণতান্ত্রিক বিজয়ে শুভ কামনা। ভোটে কংগ্রেসে ব্যর্থতাই বিজয়ী বিজেপিকে অভিনন্দন এবং কংগ্রেসের ব্যর্থতার দায়ীভার স্বীকার করাই হচ্ছে ভারতের যুক্তির জয়। জনগণ ম্যাডেন্ট দিয়ে সফল করেছে সেই যুক্তির জয়কে। সফল করেছে যুক্তির জয়কে। এই বিজয় গণতন্ত্রের বিজয়।
আমাদের দেশে মুখে গণতন্ত্রের কথা থাকলেও বাস্তবে তা উল্টো। ভারতের গণতন্ত্রের যুক্তির জয়ের কাছে আমাদের অনেক শিক্ষণীয় রয়েছে।
মন্জ খন্দকার
চুয়াডাঙ্গা
ভারতে যুক্তির জয় হয়েছে কথাটা সত্য তবে সর্বাংশে সত্য নয়। নরেন্দ্র দামোদার দাস মোদী গুজরাটের একাধিকবারের দক্ষ ও অভিজ্ঞ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সুবাধে বিজেপি’র বাঘা বাঘা কেন্দ্রীয় নেতাদের হার মানিয়ে দলের নির্বাচনী মূল চালিকাশক্তির আসনে অধিষ্ঠিত হয়ে নিজের ও তার দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন বিভিন্ন পথ ও পন্থা অবলম্বন করে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সোস্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন, ফেসবুক, টুইটার, যৌক্তিক অর্থ ব্যয়, কৌশলী ও স্থান-কাল-পাত্র ভেদে মোক্ষম যুক্তি ও সময়োপযোগী বক্তব্য রেখে। বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে পারিবারিক ও গোষ্ঠী তন্ত্র সামন্তবাদী পন্থায় পরিচালিত হওয়ার কারণে সেকেলে হয়ে পড়েছে। মাঝে মাঝে প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথাকথিত ডিগ্রির ঝলক দেখিয়ে পারিবারিক ও গোষ্ঠী তন্ত্রের প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মঞ্চে চমক সৃষ্টি করেন সত্য কিন্তু সে চমক দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নরেন্দ্র মোদীর বিপরীত নেতা রাহুল গান্ধী। অপরদিকে বিশ্ব রাজনীতিতে মূলত নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মতামতের মূল্য সর্বাধিক। স্বভাবগত কারণে এই শ্রেণীগুলো পারিবারিক ও গোষ্ঠীতন্ত্রের পূজারী নয় তবে সময়ে ফায়দা গ্রহণ করেন সত্য। এদিকে হিটলার-মুসোলিনী যুগ থেকে বিশ্ব রাজনীতিতে ধর্মান্ধতা ও উগ্র জাতীয়তাবাদ শিকড় গাড়তে এবং চমক সৃষ্টিতে অনন্য ভূমিকা রেখে আসছে যার রেশ অদ্যাবধি বিদ্যমান। হাল আমলের সামরিকতন্ত্র তথা জঙ্গিতন্ত্রীরাও ধর্মান্ধতা এবং উগ্র জাতীয়তাবাদের একনিষ্ঠ পূজারী হয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলপূর্বক ফায়দা হাসিল করছে। তর্কের খাতিরে বলা যায় নরেন্দ্র মোদীও তার ব্যতিক্রম নয়। ইতিমধ্যে তাকে ভারতে জন্মগ্রহণকারী আপদমস্তক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে। ইতিপূর্বে বিজেপি’র নেতা ও ভারতে প্রধানমন্ত্রীর আসনে দু’দুবার অধিষ্ঠিত শিক্ষিত ও মার্জিত রুচি সম্পন্ন বাজপেয়ীকে বলা হতো রাইটম্যান ইন রং পার্টি (Right man in wrong party)। বিশ্ববাসীকে অপেক্ষা করতে হবে নরেন্দ্র মোদীকেও কোন্ বিশেষণে বিশেষায়িত করা হয় তা দেখার জন্য। তবে আমরা পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে তার কাছ থেকে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যতা আশা করি।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী,
সাধারণ সম্পাদক, ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ পেশাজীবী সমিতি
৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩
গণতন্ত্র অর্থই হলো যুক্তির জয়। গণতন্ত্র অর্থই হলো Agree to disagree with you. তা না হলে গণতন্ত্রের অর্থ fool’s rule. ভারতের সাম্প্রতিক নির্বাচনে আবারো ‘যুক্তির জয় হয়েছে’ এবং জয় হয়েছে গণতন্ত্রের, জয় হয়েছে আমজনতার। ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা, শ্রেণীবৈষম্য সবকিছুকে পিছে ঠেলে সমরশক্তি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক বিকাশমান উন্নতির জন্য ভারতের মূলশক্তি হলো তাদের সুদৃঢ় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। আর তাদের সুদৃঢ় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূলশক্তি হলো তাদের স্বচ্ছ ও সুদৃঢ় নির্বাচন ব্যবস্থা। ফলে ঐদেশের নির্বাচনে জয়-পরাজয় মেনে নেয়া হয় হাসিমুখে। কোনো পক্ষই কোনো পক্ষকে দেখে নেয়ার নীতি অবলম্বন করে না বরং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবং দেশ গড়ার জনআকাঙ্ক্ষায় প্রত্যয়ী হয়। জাতীয় বিষয়ে ঐদেশের ইস্পাত কঠিন ঐক্য সম্ভব হয়েছে তাদের সুদৃঢ় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে। ভারতে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর প্রতি জনগণের allergy কম থাকার কারণ হলো দলগুলোর নীতি জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এবং দলগুলো জনবিচ্ছিন্ন নয়। আবার ঐদেশের সংখ্যালঘুদের সমর্থন পাওয়া বা পাওয়ার চেষ্টা দূষণীয় নয়। বরং সংখ্যালঘুদের সমর্থনই বিজয়ীদের পাল্লা ভারি করে। ঐদেশের সংখ্যালঘুরা কোনো দলের স্থায়ী ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহূত হন না। ভারতের সাম্প্রতিক নির্বাচনেও এমন খবরে তাই কোনো বিস্ময় নেই বরং বলা হচ্ছে ‘ভারতে যুক্তির জয় হয়েছে’। ভারতের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নেয়া সম্ভব হলে ‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের’ প্রতিবেশী যেসব দেশে গণতন্ত্র আজো পুরো মাত্রায় বিকশিত হয়নি তারাই উপকৃত হবে বেশি। কারণ দেশে দেশে গণতন্ত্রের প্রাণ হলো ঐদেশের জনগণের স্বাধীন ইচ্ছা ও স্বচ্ছ নির্বাচন ব্যবস্থা।
অধ্যাপক মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ,
বিভাগীয় প্রধান ইসলামিক স্টাডিজ
কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, কাপাসিয়া, গাজীপুর-১৭৩০
ভারতের এবারের নির্বাচনে যুক্তির জয় হয়েছে। ভারতবাসী ঠিক কাজ করেছেন। তবে ভারতের যে সমস্ত সমস্যা আছে সেগুলি সমাধানসহ বাংলাদেশের বিষয়গুলোকে নতুন সরকার যদি কাজে দ্রুত করেন তাহলে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো সুন্দর হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
হোসনে আরা করিম নীলা
এনায়েতগঞ্জ লেন
পিলখানা, ঢাকা
সমাজের নিচুতলা থেকে উঠা আসা বিজেপি নেতা নরেন্দ্রমোদী যেভাবে নির্বাচনে জয় করলেন তা নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ। দারিদ্য, বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দুর্নীতিসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত ভারতের এই নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনগণকে শুভদিনের স্বপ্ন দেখাবেন এটাই প্রত্যাশা ও পাশাপাশি বাংলাদেশের তিস্তা পানি হিস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়গুলি নজর দেবেন।
লাডলা
পিলখানা, ঢাকা
চা বিক্রেতা থেকে আজ প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি অবাক হলেও সত্য ও বাস্তব। যখন জীবনে জয় আসে তখন কারো কোন ভাগ্যকে আটকিয়ে রাখা যাবে না। ভারতের নির্বাচন বিষয়টিও তাই। তবে যেখান থেকেই যে কোন মানুষ উঠে আসুক তার ফলাফল ও কর্ম হতে হবে। সুন্দর ও স্বার্থক। ভারতবাসী যুক্তিশীলতার পক্ষে ম্যাডেন্ট দিয়ে বহুদিনের আচরিত আদর্শিক স্ববিরোধিতার জবাব দিয়েছ।
মারুফুজ্জামান মারুফ
খিলগাঁও, ঢাকা
নামে কি যায় আসে। নরেন্দ্রমোদী প্রমাণ করে দিয়েছেন তা। আটমাসে আগে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দলীয় প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিল এমন এক ব্যক্তির নাম যার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উস্কানি দেয়া ছাড়াও ছিল অনেক অভিযোগ। অথচ আজ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী। তবে সবাই চায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্বস্তি।
মো. মেজবাহ উদ্দিন সেলিম
পূর্ব ইব্রাহিমপুর
শেওড়াপাড়া, ঢাকা
প্রত্যক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনই হচ্ছে গণতন্ত্রের হাতিয়ার। এবারের ভারতের নির্বাচনে এর প্রমাণ দিয়েছে। তারা ভোট দিয়েছে যুক্তির সাথে। ভারত হচ্ছে বৃহত্ দেশ। যেখানে গণতন্ত্র পুরোপুরি অর্জন। যেখানকার মানুষ তাদের অধিকারের কথা আশা করে সর্বস্ব নিয়ে নতুন সরকারকে ভোট দিয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের কিছু বিষয় নিয়ে এবার ভারত সরকার কাজ করবে এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।
মো. খায়রুল ইসলাম (চয়ন)
কুতুবখালী,
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
অবশেষে শ্বাসরুদ্ধকর প্রতীক্ষায় অবসান ঘটেছে ভারতের নির্বাচন। নির্বাচনে অনেক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি হয়েছে। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, প্রাণহানি এবং ভোট কেন্দ্রে দখলের ঘটনাও ঘটেছে। এর পরে নির্বাচনে যুক্তির জয় হয়েছে। এই নির্বাচন মূলত জয় হয়েছে গণতন্ত্রে।
মোস্তানসিরুন করিম
ধানমন্ডি, ঢাকা
হিন্দু জাতীয়তাবাদ আদর্শে অনুপ্রাণিত ভারতবাসী। মোদী সংগ্রামী ও কারিশম্যাট্রিক নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ অবস্থা জ্ঞান করে বিজেপি ও মোদীকে ভারত পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছ। নির্বাচনের রায় যেন সাম্প্রদায়িক ভারত গড়ার রায়। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ববাসী তাই শংকিত।
মোঃ ফখরুল ইসলাম টিপু
সেনবাগ, নোয়াখালী
ভারতের এবারে নির্বাচনে বিজেপির বিপুল ভোটে জয়ী লাভ করেছ। এতে করে ভারতবাসী যুক্তিশীলতার পক্ষে ভোট দিয়েছে আনন্দে। নির্বাচনের রায় যেন মোদী’র সরকার ভারত গড়ে তোলার মত এক ধরনের রায়। যদি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও বিশ্ববাসী পুরোপুরি স্বস্তিবোধ করছে না।
মোঃ শহীদুল ইসলাম (রয়েল)
নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া
হিন্দুত্ববাদী ভারতে বিজেপি’র যুক্তির জয় হলেও বাংলাদেশের আশানুরূপ কোন জয় আসেনি। তিস্তার পানিসহ অভিন্ন চুক্তি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এখন নতুন সরকার এসেছে সেখানে। তারা কি আমাদের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসবেন? সীমান্তে হত্যা থামেনি, সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা উচিত। হিন্দুত্ব বাদী কায়েম করতে গেলে হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা বেঁধে যাবে দুই বাংলায়। আমরা চাই না। আমরা চাই দু’দেশের মধ্যে সু-সম্পর্ক বজায় থাকুক।
ফারুক আহম্মেদ
ভারতের সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়লাভ করলেও পার্শ্ববর্তী আমাদের এদেশে এখন পর্যন্ত কোন ফলপ্রসূ ফলাফল নেই বললেই চলে। সীমান্তে হত্যা থামেনি, তিস্তা পানি চুক্তি বিষয়গুলো এখন কতটুকু ফলপ্রসূ সেটাই দেখার বিষয়। আমরা দু’দেশের শান্তি প্রত্যাশা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আশা করছি।
আইরিন সুলতানা (মন্জু)
মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম
ভারতের নির্বাচন যে কথা উঠেছে তাতে বলা যায় এবারের যেখানে নির্বাচনে কৌশল পরিবর্তন হয়েছে। কেউ আসলে ভাবতে পারেনি যে কংগ্রেসের এভাবে ভরাডুরি হবে। যতি কিছুই হোক আমরা চাই শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখবে ভারতের এই সরকার।
জাহাঙ্গীর হোসাইন
পীরের বাগ, ঢাকা
ভারতের এবারের নির্বাচনে যুক্তির জয় না বলে বলা ভালো ভাবাবেগের জয়। এখানে আদর্শকে বড় করে না দেখে মানুষ হাওয়ার অনুকূলে জাল তুলে ভোট দিয়েছে। ১৬তম লোকসভার নির্বাচনে ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের বিদায় এতোটা করুণ হবে কেউ ভাবেনি। মোদী একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ভারতকে কোনদিকে পরিচালিত করে সেটাই এখন দেখার বিষয়। আমরা বাংলাদেশিরা অবশ্যই চাই সীমান্ত হত্যা বন্ধ হোক, পাশাপাশি চোরাকারবারীদের কোনভাবেই যাতে ছাড় দেওয়া না হয় সেজন্য সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা নিয়োগ করা হোক। ভারত একটি বিশাল গণতান্ত্রিক দেশ। ১০ বছর যে কংগ্রেস দেশ পরিচালনা করল। সে দলটি থেকে মানুষের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা যাওয়ার কারণ বিশাল বেকারত্ব, অর্থনৈতিক মন্দা, নারী ধর্ষণ, অনৈতিক হত্যাযজ্ঞ প্রভৃতিসহ ভারতীয় হিন্দু মৌলবাদীদের উত্থান। তিস্তার পানি হিস্যা ঝুলিয়ে রেখে যেমন মমতা করেননি ঠিক তেমনি বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ একটি অনৈতিক অমানবিক কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত হবে। ভারতের শিক্ষিত, সত্য এবং প্রগতিশীল মানুষদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক- এটাই আমাদের কামনা।
ওয়াহিদ মুরাদ
স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর
গণতন্ত্র যে কোন দেশের জন্য উন্নয়নের চাবিকাঠি। আর এই গণতন্ত্রের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। কংগ্রেস ব্যর্থতা তাদের দ্বায়ভার নিয়েই খুব সম্মানের সাথে চলে গেছেন। তাদের এই যুক্তির জয় তো হয়েছেই।
মো: হানিফ মিয়া
মনেশ্বর লেন, হাজারীবাগ, ঢাকা
ভারত একটি বৃহত্ রাষ্ট্র। আর এ বৃহত্ রাষ্ট্রে এবার যুক্তির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতবাসী বহুদিনের আচরিত্র আদর্শিক স্ববিরোধিতার জবাব দিয়েছেন। তাই ভারতবাসী এখন জয় জয়কার। তবে সামনে তারা এই নির্বাচনের সুফল ও স্বার্থক দেখতে চায়।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ
মিরপুর-১, ঢাকা
ভারতের এবারের নির্বাচনের যুক্তির জয় হয়েছে অবশ্যই। বাংলাদেশের মানুষের এ কারণে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের কাছে প্রত্যাশার মাত্রা তাই অনেকটা বেশি। এ প্রত্যাশা শান্তি, সহাবস্থান ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে বসবাসের প্রত্যাশা। এ প্রত্যাশা অভিন্ন নদীগুলোর পানি বন্টনে ন্যায্য ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আচরণ ও উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যাশা। ভারতবাসী যুক্তিশীলতার পক্ষে এবার সত্যিকার অর্থে স্বাবিরোধিতার জবাব দিয়েছেন।
মাসুম আহমেদ
শিকড় সন্ধানে
প্রকাশ ও সম্পাদন
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
বৃহত্ প্রতিবেশী দেশে ভারতে আগামী ২৬ মে নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শপথ গ্রহণ করবেন। ভারতের রাজনীতিতে নতুন মুখ ও নতুন শক্তির উত্থান ঘটেছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রায় সোয়া এক কোটি মানুষের ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন পৈতৃক সূত্রে এক সময়ের চা বিক্রেতা নরেন্দ্র মোদী। তাই ভারতের এবারের নির্বাচনে যুক্তির জয় হয়েছে বলে আমরা মনে করছি।
এম.কে মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন
প্রশিকা
প্রধান কার্যালয়
মিরপুর-২, ঢাকা
ভারতীয় জনগণের নিরঙ্কুশ রায়ে নির্বাচিত এ সরকারের প্রতি দেশ-বিদেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেকটা বেশি। নির্বাচনের যুক্তির জয় হয়েছে বলে আমরা মনে করছি।
সোহাগ
নবাবগঞ্জ, ভাগলপুর লেন, ঢাকা
ভারতের জনগণ নতুন সরকারের কাছে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক স্থিতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের হ্রাস নিয়ন্ত্রণের প্রত্যাশা করে বিপুল ভোটে রায় দিয়েছে। ভারতবাসীর বহুদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষায় প্রত্যাশায় রয়েছে নতুন সরকারের কাছে।
হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী
কবিরহাট, নোয়াখালী
ভারতের এবারের নির্বাচনে হবু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের জনগণের ভোটকে নতুন আশা এবং আকাঙ্ক্ষায় ভোট উল্লেখ করে তিনি নিজেকে গরিবের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও মন্তব্য করেন। কাজেই ভারতের এবারের নির্বাচনে যুক্তির জয় বা স্বার্থক নির্বাচন হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
মো. মনির হোসেন
মনির বুক এন্ড সংবাদপত্র বিক্রয়কেন্দ্র
মিরপুর-১, ঢাকা
গত ২০১৪ সালের ১৬ মে ঘোষিত ভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল দেশটির রাজনীতিতে যুক্তি জয় হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এবারের বির্নাচনের ফলাফল ভারতের জনতা পার্টি (বিজেপি) একাই পেয়েছে ২৮৪টি আসান আর জোটবদ্ধভাবে এনডিএ পেয়েছে ৩৭টি, কংগ্রেস পেয়েছে ৫৯টি আসন, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৩৪টি, বামফ্রন্ট ১২টি আসন, এ আইডিএ ৩৭টি। সুতরাং সবমিলে এই নির্বাচনের ফলাফল সবাইকে আশ্বস্ত করেছে। আমরা তাই মনে করছি এই নির্বাচনে যুক্তির জয় হয়েছে।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরামপুর, ঝিনাইদহ
ভারতবাসীর যুক্তিশীলতার পক্ষে ম্যাডেন্ট দিয়ে অনেক দিনের আচরিত্র আদর্শিক স্বাবিরোধিতার জবাব দিয়েছেন কথাটি কোন অংশেই কম নয়। যারা ভারতবাসীর জন্য এটি মুখের বিষয়। এতে করে ভারতবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে বলে আমরা আশা করছি।
ফারুক আলম
মালিবাগ, ঢাকা
অভিজ্ঞমহলের অনেকের অভিমত এর সাথে আমরাও একমত পোষন করি। ভারতে এবারের নির্বাচনের অবশ্যই যুক্তির জয় হয়েছে। আগামী ২৬ মে নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শপথ গ্রহণ। নরেন্দ্র মোদী ভারতের জনগণ আশা-আকাঙ্ক্ষায় ভোট দিয়েছে। তাই এই জয় ভারবাসীসহ সারা বিশ্ববাসীর।
রিফাত
মালিবাগ, ঢাকা
ভারতের নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করায় আমাদের দেশে অনেক সমালোচনা চলছে। তবে যাই হোক না কেন। এখন দরকার দু’দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ও সমস্যা নিরসন করা।
পারভীন সুলতানা
ঢাকা
ভারতে ১০ বছরব্যাপী কংগ্রেস জোটের ক্ষমতার পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্কের কোন পরিবর্তন হবে না ভারতের রাজনীতিতে একধরনের ভূমিকম্প ঘটে গেছে। রাজনীতির প্লেট ওলট-পালট হয়ে গেছে। সত্যিই এবারের ভারতের নির্বাচন যুক্তি জয় হয়েছে। তবে বাস্তবে যুক্তির সফলতা দেখতে চাই কর্মসূচীতে।
বজলুল
রিসোর্স ইন্ট্রিগ্রেশন সেন্টার (রিক)
ধানমন্ডি, ঢাকা
১৯৮৪ সালে মাত্র ২টি আসন পাওয়া বিজেপি আজ এককভাবে ২৮৪টি আসনের জয়ী হয়ে দিল্লির ক্ষমতার মসনদে বসছে। আমরা চাই নিরলসভাবে এই সরকার উন্নয়নের কাজ করবে।
আবদুল মালেক মিয়া
দলিল লেখক
মিরপুর-২, ঢাকা
দুর্নীতি ছিল কংগ্রেসের সরকারের জন্য একটা বড় সমস্যা। অন্যদিকে ধর্ষণ ভারতে ১টি ইতিহাস হয়ে আছে। ২০১২ইং সালে ডিসেম্বর মাসে এক মেডিক্যাল ছাত্রীধর্ষিত এবং মৃত্যুবরণ করার পর একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটতে থাকে। ভারতের নির্বাচন এবারের যুক্তির জয় অবশ্যই হয়েছে। ‘মোদী’ গুজরাট মডেল। জনগণের জন্য সাড়া জাগিয়েছে যেমন তেমনি বিশ্ববাসীকে সাড়া জাগাবে।
জাহাঙ্গীর খান বাবু
মুন্সীগঞ্জ
যুক্তি জয়-পরাজয় বুঝি না। আগামী ভারত কেমন হবে? কেমন হবে তার প্রশাসন। কেমন হবে আঞ্চলিক সম্পর্ক ইত্যাদি এখন সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছে।
মোঃ মোজাহারুল ইসলাম
চেয়ারম্যান
ইডাফ, সাভার
ভারতের কংগ্রেসের হেরে যাওয়া প্রধান কারণ হচ্ছে দুর্নীতি। আর অভিজ্ঞমহলের অনেকের অভিমতে এবারের ভারতের নির্বাচন যুক্তির জয় হয়েছে যে বলা হয়েছে। কথাটি একেবারেই সত্য।
আবদুর রাজ্জাক মৃধা
সাভার, ঢাকা
অভিজ্ঞমহলের অনেকের অভিমত-এর সাথে আমি একমত হতে পারছি না। কেবল নির্বাচন শেষ হয়েছে ভারতের। মসনদে বসবেন অচিরেই। আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।
নীলুফার আক্তার
টোলারবাগ, ঢাকা
ভারতের এবারের নির্বাচনে যুক্তি জয় সত্যি হয়েছে। কেবল অযুক্তি নিয়ে গণতন্ত্র চলে না। সত্যিকারের গণতন্ত্রের জন্য দরকার যুক্তিসঙ্গত নির্বাচন। এবার ভারতে তাই হয়েছে।
জুয়েল
বারিধারা, ঢাকা
ভারতবাসীর যুক্তিশীরতার পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়ে বহুদিনের আচরিত আদর্শিক স্ববিরোধিতার জবাব তারা দিয়েছে। যেহেতু বার বার ভুল করে না কেউ। সত্যিকারের গণতন্ত্রের উন্মোচন হয়েছে।
আলমগীর
লালবাগ, ঢাকা
অভিজ্ঞমহলের কথার সাথে নির্বাচন যুক্তির জয় হয়েছে ভারতে এটা সবক্ষেত্রে জয়ী হয়নি। কংগ্রেসের এমন পতন কেউ আশাও করিনি বা ভাবেনি। তবে ভারতকে এখন সম্পূর্ণ গণতন্ত্রের পথে এটা ঠিক।
মতিন
কাওরানবাজার, ঢাকা
অভিজ্ঞমহল যাই বলুক ভাই ভারতের এবারের নির্বাচনে যুক্তির জয়ের কথা বলতে আমি নারাজ। বৃক্ষ তোমার নাম কি, ফলে পরিচয়। তাই নতুন সরকারের কাজের ধারার ওপর নির্ভর করছে যুক্তির ঁজয়-পরাজয়।
লিটন
কবিরহাট, নোয়াখালী
