প্রশিক্ষিত শিক্ষকের দিক নির্দেশনায় ভাল ফল

আপডেট : ২২ মে ২০১৪, ২১:৪৯
২০১২ সাল। এসএসসিতে ১২তম অবস্থানে স্কুলটি। ২০১৩ সালে মেধা তালিকায় ২০তম। আর এবছর মেধা তালিকায় পঞ্চম। বলছিলাম ঢাকা বোর্ডের মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের কথা। এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এক হাজার ২৭৯ জন। পাস করে এক হাজার ২৭৮ জন। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক হাজার ১৩০ জন। পাসের হার ৯৬.০৬ ভাগ। এক বছরের ব্যবধানে অবিশ্বাস্য ফলাফল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ সেলিনা শামসি বলেন, প্রশিক্ষিত একদল শিক্ষকের কারণেই আমরা ভালো করেছি। আর সৃজনশীল পদ্ধতিটা আমাদের ছেলেমেয়েরা বেশ ভালোভাবেই আয়ত্ত করতে পেরেছে। আর সচেতন অভিভাবকরা সব সময় আমাদের সহায়তা করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সঠিক দিক-নির্দেশনাও ভালো ফলাফলে সহায়ক হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আবুল কাসেম বলেন, আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের যত্ন নিয়ে পড়াই। তাদের দিক-নির্দেশনা দিয়ে সহায়তা করি। তবে আসল কাজটাতো শিক্ষার্থীরা করে। পরিশ্রম করে পড়াশোনাটা তাদের করতে হয়। শিক্ষকদের পরামর্শ আর ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার মানসিকতা দুইটাই থাকা দরকার। শিক্ষক শহীদ আবেদীন বলেন, পড়াশোনার বিষয়ে সবসময় প্রতিযোগিতা থাকবে। আর এটা বেশ ইতিবাচক। এই প্রতিযোগিতায় কোন স্কুল প্রথম, কোনটা দ্বিতীয় হবে। সেই ধারাবাহিকতায় এবছর আমরা পঞ্চম স্থান অধিকার করেছি। শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এ ফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া কামরুন নাহারের মা রেবেকা সুলতানা। শিক্ষার পরিবেশ এবং দক্ষ শিক্ষকদের কারণেই মতিঝিল মডেল ভালো করেছে। তারেক হোসেন নামের একজন অভিভাবক বলেন, বর্তমানে সব অভিভাবক খুব সচেতন। সবসময় ছেলে- মেয়েদের পড়ালেখার খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া মেধাবীরাই এখানে পড়ার সুযোগ পায়। সেরা শিক্ষকদেরই নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠানটি। আর প্রশংসনীয় ফলাফলের পেছনে রয়েছে শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান। আসিক আবদুল্লাহ। বাণিজ্যের এ ছাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছেন। ভালো ফলাফল নিয়ে তিনি বলেন, মা-বাবার উত্সাহ আর শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই আমরা ভালো করেছি। সামনের সব পাবলিক পরীক্ষায় আরো ভালো করতে চাই। ধন্যবাদ জানাই আমার বড় ভাইকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া আমার ভাই সব সময় আমাকে সঠিক রাস্তা দেখিয়েছে।