বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১২টি আয়োজক শহরের মধ্যে অন্তত দুটিতে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য কোন সহায়তা দিতে পারছে না স্থানীয় আয়োজক কমিটি। ফলে এখানে বড় ধরনের ঝামেলায় পড়তে পারেন দর্শক-সমর্থকরা।
বিশ্বকাপে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা টেলিকম প্রতিষ্ঠান সিনডেটেলেব্রাসিলের নির্বাহী পরিচালক এডুয়ার্ডো লেভাই এই তথ্য জানিয়েছেন। মঙ্গলবার সিনেট কমিটির শুনানিতে তিনি স্বীকার করেছেন স্টেডিয়াম নির্মাণকাজে বিলম্বের কারণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপনে তাদের বিঘ্ন ঘটেছে। আর সেই কারণেই সাও পাওলোর করিনথিয়ান্স এরিনা এবং কুরিটিবার বাঙ্য়ািডা এরিনাতে যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ পরিপূর্ণভাবে শেষ করা যায়নি।
সাও পাওলোতে ১২ জুন উদ্বোধনী ম্যাচ এবং কুরিটিবাতে চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।
স্থানীয় একটি পত্রিকায় লেভাই বলেছেন, ‘এই প্রকল্প এবং এখানে যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনের জন্য আমরা কক্ষ যখন বরাদ্দ পেয়েছি তখন হাতে ৬০ দিনেরও কম সময় ছিল। অথচ এর জন্য কমপক্ষে ১২০ থেকে ১৫০ দিনের প্রয়োজন হয়।’
এদিকে টেলিকমস প্রতিষ্ঠান ভিভোর প্রধান এন্টোনিও কার্লোস ভালেন্তে সিনেটরদের কাছে স্বীকার করেছেন এই ধরনের সমস্যা মানাওস ও পোর্তো আলেগ্রে স্টেডিয়ামেও হতে পারে। কারণ সেখানেও ট্রান্সমিশন বসানোর জন্য যে অস্থায়ী জায়গা নির্মাণ করা হয়েছে সেটা হস্তান্তর করতেও কর্তৃপক্ষ দেরী করেছে। তিনি জানিয়েছেন সাও পাওলো এবং কুরিটিবাতে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া যাবে না।
যোগাযোগ মন্ত্রী পাওলো বার্নাডো বলেছেন আয়োজকরা মোবাইল ফোনের ব্যাক-আপ হিসেবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন করার কথা বলেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ওয়াই-ফাই স্থাপনের জন্য যে ধরনের সিগন্যালের প্রয়োজন হয় সেটা ছয়টি স্টেডিয়ামে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে এখনো পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করা হচ্ছে।
সাও পাওলো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী ম্যাচকে ঘিরে যে পরিমাণ চাপ এখানে পড়বে সেই চাপ সামলাতে মূলত নেটওয়ার্কের অসুবিধা হচ্ছে। আর সে কারণেই মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা এই সময়ে সাময়িক অসুবিধার মধ্যে পড়তে পারেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। —বাসস
