হাতের মুঠোয় জয় পেতে পেতেও হলো না। বিজেএমসিকে ড্র নিয়ে ফিরতে হলো। ৭৯ মিনিটে গোল গোল করে ছয় মিনিট পর গোল হজম করে চট্টগ্রাম আবাহনীর সাথে ১-১ গোলে ড্র করলো বিজেএমসি।
অফিস দল বিজেএমসির সামনে পয়েন্ট টেবিলে ভালো অবস্থানে যাওয়ার একটা সুযোগ এসেছিল। সেই সুযোগটা মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে হাওয়ায় ভেসে গেলো। গোল করে ছয় মিনিটও রাখতে পারলো না বিজেএমসি। রেলিগেশনের পথে এগিয়ে চলা চট্টগ্রাম আবাহনী কাল বিজেএমসির কাছ থেকে এক পয়েন্ট কেড়ে নিলেও কোনো লাভ হয়নি। ১৭ খেলায় নয় পয়েন্ট নিয়ে ১০ দলের মধ্যে সর্বনিম্নেই থাকলো দলটি।
বিজেএমসি ১৭ খেলায় ১৯ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে থাকলো। দুর্বল চট্টগ্রাম আবাহনীর বিরুদ্ধে বিজেএমসির ফুটবলাররা কাল ভালোই খেলছিলেন। আক্রমণভাগে কিছুটা শক্তিশালী ফুটবলার থাকলেও রক্ষণভাগে দুর্বলতা পরিষ্কার ফুটে উঠেছে। তারই খেসারত দিয়েছে কাল। উইং থেকে বিজেএমসির কাননের ক্রসের বল উড়ে গিয়ে ধরতে পারেননি চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলকিপার নাহিদ উদ্দিন। বলটা উরুতে রিসিভ করে গিনির ফুটবলার ইসমাইল বাঙ্গুরার পায়ে ঠেলে দেন উত্তর বারিধারা ক্লাব থেকে নাম পরিবর্তন করে আসা ফরোয়ার্ড নাবিব নাওয়াজ জীবন। বাঙ্গুরা বলটা পেয়ে জালে ঠেলে দেন ১-০। বাঙ্গুরার গোলের সংখ্যা দাঁড়ালো সাত। গোলের আনন্দ করতে না করতে খেলায় সমতা আনে চট্টগ্রাম। আক্রমণ করছিল বিজেএমসি।
বাঙ্গুরা ক্রস থেকে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা রাইট উইঙ্গার আলী আকবর কানন মাথা ছোঁয়ান। বল সাইড বারে লেগে ফেরত আসে। আর এই আশাই কাল হয়েছে বিজেএমসির জন্য। পাল্টা আক্রমণে গোল শোধ করে চট্টগ্রাম আবাহনী। চট্টগ্রাম আবাহনীর সোহেল মিয়া বল ফেলে বক্সের বাইরে। বিজেএমসির গোলকিপার হিমেল বোকার মতো গোল পোষ্ট ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আবার ফেরত গিয়ে পৌঁছানোর আগেই আব্দুল হান্না গড়ানো শট করে গোল করেন ১-১। হাত ছাড়া হয় বিজেএমসির জয়। প্রথম পর্বে বিজেএমসি জিতেছিল।
