পুলিশ কনস্টেবল ‘জ্বীনের বাদশা’

আপডেট : ২৪ মে ২০১৪, ২২:২২
সাত কলসি স্বর্ণমুদ্রা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছে ১৫ লাখ টাকা চেয়ে ফোন করে কথিত ‘জ্বীনের বাদশা’। এক মাস ধরে কয়েক দফায় ফোনে কথা হয়। এরপর শনিবার দুপুরে টাকা নেয়ার জন্য তিনি হাজির হন ব্যবসায়ীর পশ্চিম রামপুরার বাসায়। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ঐ ব্যবসায়ী আশপাশের লোকজনের সহায়তায় তাদের দু’জনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে জানা যায়, তাদের একজন পুলিশ কনস্টেবল মাজহারুল ইসলাম মাজেদুল, অপরজন প্রতারক চক্রের সদস্য মাহমুদুল ইসলাম। তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রামপুরা থানার এসআই মামুনুর রশীদ জানান, কনস্টেবল মাজেদুল (কং-৩২৮৯) রাজধানীর নীলক্ষেত ফাঁড়িতে কর্মরত। গতকাল দুপুর ১২টায় তিনি, মাহমুদুল ইসলাম ও আরেকজন পশ্চিম রামপুরার ওমর আলী লেনের ২৬/২ নম্বর বাসায় যান। ঐ বাসার বাসিন্দা এক ব্যবসায়ীকে তারা ফোনে জ্বীনের বাদশা পরিচয় দিয়ে ১৫ লাখ টাকা চেয়ে আসছিলেন। গতকাল তারা টাকা আনতে গিয়ে পিতলের মূর্তিকে ‘স্বর্ণমূর্তি’ হিসাবে চালানোর চেষ্টা করে ধরা পড়ে। মামুনুর রশীদ বলেন, কনস্টেবল মাজেদুল দাবি করেছেন, তিনি প্রতারণার বিষয়ে কিছুই জানেন না। তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। মাহমুদুলও একই এলাকার মানুষ হওয়ার সুবাদে তার সঙ্গে পরিচয় ছিল। গতকাল মাহমুদুল এসে বলেন, রামপুরায় এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাওনা টাকা আনতে যাবেন। এ সময় তিনি ও তার আরেক সঙ্গী মাজেদুলকেও সঙ্গে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে হট্টগোলের সুযোগে চক্রের এক সদস্য পালিয়ে যান।