মাশরাফি বিন মুর্তজা, রুবেল হোসেন বা আজকের তাসকিন আহমেদ বলেন; বাংলাদেশের পেসারদের কাছে ‘গুরু’ একজনই—সারোয়ার ইমরান।
কাউকে মফস্বল থেকে ধরে এনে বড় করেছেন, কাউকে হাতে পেয়ে ঘষে মেজে আকার দিয়েছেন। বাংলাদেশে ধিকি ধিকি করে পেস বোলিংয়ের যে একটা সরবরাহ টিকে আছে, সে জন্য এই সারোয়ার ইমরানকেই অনেক বড় ধন্যবাদ দিতে হবে। আরও এক দফা অস্থায়ীভাবে জাতীয় দল যখন সামলাচ্ছেন, ঠিক সেই সময়ে তার এক শিষ্য মাশরাফি বিন মুর্তজা বললেন, এই পেস বোলিং গুরু হিসেবেই অন্তত তাদের সবার কাছে ইমরান বিশেষ জায়গা দখল করে আছেন।
নিজের অভিজ্ঞতা দিয়েই মাশরাফি বলছিলেন, ‘আমার ১৪ বছরের ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ইমরান স্যারের সঙ্গে ছিলাম। ২০০১ সালে জিম্বাবুয়েতে ছিলেন। উনার সঙ্গে বোলিং নিয়ে অনেক কাজ করেছি। আমার মনে হয় এই মুহূর্তে দলের সঙ্গে তার যোগ দেয়াটা খুব ভালো সিদ্ধান্ত। আমি তো ইন সুইং ডেলিভারি তার কাছ থেকেই শিখেছি। আমি বিশ্বাস করি সব পেসারের জন্য খুব ভালো সুযোগ। উনি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ক্রিকেট দেখেছেন। আমার বিশ্বাস উনি আমাদের অনেক বেশি সহায়তা করতে পারবেন।’
শুধু ইমরানের দলে যোগ দেয়া নয়। এরপর আবার জাতীয় দলে আসছেন সাবেক জিম্বাবুইয়ান গ্রেট হিথ স্ট্রিক। সবমিলিয়ে পেস বোলারদের প্রতি অনেকদিন পর একটু বাড়তি নজর দেয়া হবে, এতে বেশ খুশি মাশরাফি। একটু অভিমান মেশানো গলাতেই তরুণ তাসকিনকে নিয়ে বলতে গিয়ে বললেন, ‘তাসকিন খুব প্রতিশ্রুতিশীল। ঠিক মতো খেললে বছর দশেক অন্তত বাংলাদেশকে সেরা সার্ভিসটা দিতে পারবে। তবে বাংলাদেশ কোনো পেসার এসে সারভাইভ করতে পারে না। বড় কারণ, পেসারদের কেউ ব্যাকআপ করে না। সব সময় স্পিনারদের সবাই ব্যাকআপ করে। এবার আশা করছি, পেসাররা সেই সমর্থনটা পাবে।’
সেই সমর্থন দিতে যে স্ট্রিক আসছেন, তাকে নিয়েও বেশ ইতিবাচক মাশরাফি, ‘বোলার হিসেবে তিনি অসাধারণ ছিলেন। ক্রিকেটের এক সময়ের অন্যতম সেরা বোলার ছিলেন। আইসিসির র্যাংকিংয়ে সব সময় দশের মধ্যে ছিলেন। অসাধারণ বোলার। কোচ হিসেবে কখনো কথা হয়নি। আর ভালো মানুষ বলেই জানি। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে কাজ করেছে। আমার বিশ্বাস ভালো হবে। আগে আসুক এখন আগেভাগে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। কিন্তু আমি আশা করছি ভালো হবে।’
