অর্থনীতির স্বার্থে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সংস্কার প্রয়োজন। এ সংস্কারগুলো আংশিক হলেও তা করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে অর্থনীতির জন্য মূলস্ফীতি অন্যতম চ্যালেঞ্জ। টেকসই অর্থনীতির জন্য মূল্যস্ফীতি কমানো জরুরি।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত মাসিক মধ্যাহ্ন ভোজসভায় একথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এবারের বক্তব্যের বিষয় ছিলো ‘সামষ্টিক অর্থনীতি ও বিনিয়োগ: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’। এতে প্রধান অতিথি ও বক্তা ছিলেন গভর্নর।
সূচনা বক্তব্যে অ্যামচেম প্রেসিডেন্ট আফতাব উল ইসলাম বলেন, বিশ্ব মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি টেকসই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। একে এগিয়ে নিতে হলে দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ অপরিহার্য। সেজন্য সবদিক থেকেই অনূকুল অবস্থা রয়েছে। তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। সেসবের মধ্যে অন্যতম বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন, অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো এবং প্রবৃদ্ধি অর্জন নিশ্চিত করা।
ব্যাংক ঋণের সুদহার বিষয়ে আতিউর রহমান বলেন, তিনি মত দিয়েছেন। ভাল কর্পোরেট (গ্রাহক) হলে ব্যাংক ঋণের সুদহার এমনিতেই কমে আসবে। আর খারাপ গ্রাহক হলে সুদহার কমবে না।
ভোজসভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা, সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইদুজ্জামান, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এটিএম শামছুল হুদা, অ্যামচেমের নির্বাহী পরিচালক এ গফুর প্রমুখ।
