ইনজুরির ধকল আগেই কাটিয়ে উঠেছেন। ব্যক্তিগত ছুটি কাটিয়ে গতকাল জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। স্বভাবতই কথা বলতে হল তাকে ভারতের বিপক্ষে সিরিজে নিজেদের বাস্তবতা ও সম্ভাবনা নিয়ে। সে কথা বলতে গিয়ে মুশফিকুর পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, ভারতের দল যেমনই হোক, তাদের হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই—
আপনার শরীরের কী অবস্থা?
আগের থেকে অনেক ভালো আছি। আজকে ব্যাটিং করলাম ১ ঘণ্টা। খানিকটা দুর্বলতা আছে। আশাকরি, ২-৩ দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।
ভারতের দলটা তো বলা হচ্ছে ‘দ্বিতীয় সারি’র দল। আপনার কেমন মনে হচ্ছে?
যদি নামের কথা বলেন, ওদের বড় বড় ক্রিকেটাররা আসছে না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে দল একেবারে খারাপ। আইপিএলে যারা টপ ফর্মে আছে, ওদের নিয়েই দল গড়া হয়েছে। আমি বলব যে, আমরা কোনো দলের বিপক্ষে খেলছি, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা নিজেদের সেরাটা কতটা দিতে পারছি। গত ২-৩ মাস আমরা স্ট্রাগল করেছি। যদি ব্যক্তিগতভাবে সবাই সেরাটা দিতে পারি এবং দল হিসেবে খেলতে পারি; ওদের সেরা দল আসলেও জেতা সম্ভব।
তারপরও এটা ভালো একটা সুযোগ নিশ্চয়ই আপনাদের জন্য?
ওদের সেরা দল আসলে যে সুযোগ থাকত না, তা কিন্তু নয়। ওদের সেরা দলকেও তো আমরা হারিয়েছি আগে। হ্যাঁ, ওদের এটা অনেক তরুণ দল। আর ওরা এক ধরনের চাপে থাকবে। যে দলই ওরা পাঠাক, হারলে কিন্তু ভারতই হারবে, ভারত ‘এ’ দল হারবে না। ফলে ওদের ওপর তাই জেতার চাপ থাকবে।
ওদের দলটায় তারকা কম থাকায় আমাদের তো প্রত্যাশা বেশি থাকবে।
দল দেখার পরই বুঝতে পেরেছি যে প্রত্যাশাটা বেশি থাকবে। তবে ভারতের বিপক্ষে চাপ এমনিতেই সবসময় বেশি থাকে, ধোনিরা এলেও থাকত। সবাই চায় আমরা ওদের হারাব। চাপ তাই থাকতই।
এই দলটার খেলোয়াড়দের সম্পর্কে ধারণা আছে?
ওদের নতুনদের সবাইকে আমি চিনি, খেলা দেখেছি আইপিএলে। বিপক্ষে না খেললেও তাই আইডিয়া আছে ওদের সম্পর্কে। আর সাকিব তো সবার বিপক্ষেই খেলেছে। ওর কাছ থেকেই কিছু ধারণা নেব। সব মিলিয়ে এই যুগে আসলে কারও সম্পর্কে অজানা থাকার সুযোগ নেই।
‘এ’ দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাজেভাবে হেরেছে। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এই পারফরম্যান্সে হতাশ?
ওদের খেলার খোঁজ-খবর রাখছি। হতাশ ঠিক বলব না। কারণ, ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে শুরুতেই ভালো করা সহজ নয়। আশাকরি, ওরা দ্রুত কামব্যাক করবে। সেটা আমাদের জন্য দরকার। কারণ সামনে জাতীয় দলের খেলা আছে। জাতীয় দলের অনেক ক্রিকেটার আছে ওখানে। আশাকরি, পরের ম্যাচে ওরা ভালো করবে।
