প্রথম দল হিসেবে ব্রাজিলের মাটিতে পা রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপে অংশ নিতে গত বুধবার তারা ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কুরিটিবায় এসে পৌঁছেছে। বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বেস ক্যাম্প ভিটোরিয়ায় পৌঁছানোর আগে কুরিটিবায় অবস্থান করবে সকারুরা।
সাম্প্রতিক ফর্ম কিংবা ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বর্তমান অবস্থান যথেষ্ট আশা জাগানিয়া না হলেও ব্রাজিলে ভালো কিছুই প্রত্যাশা করছে দলটি। র্যাঙ্কিং বা মাঠের বাইরের কোন বিষয় দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলবে না জানিয়ে দলের সদস্য টমি ওর বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বকাপে আন্ডারডগ হিসেবেই খেলতে এসেছি। তবে সকলকে বিস্মিত করে তোলার জন্য এটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য দারুণ একটি সুযোগ। সে কারণেই আমরা সবাই বেশ উত্তেজিত। আর একইসাথে ব্রাজিলের মত ফুটবল পাগল একটি দেশে খেলতে আসতে পারাটা অবশ্যই অতিরিক্ত এক উদ্দীপনা যোগাচ্ছে। আমরা গত কয়েক দিন ধরেই অনুশীলন করছি এবং সবকিছু ভালমতই হচ্ছে। এখনো আমাদের হাতে দুই সপ্তাহ অনুশীলনের সময় রয়েছে। তাই আমরা মনে করি বিশ্বকাপের জন্য আমরা ভালভাবেই প্রস্তুতি নিতে পারবো।’
এবারের আসরে অংশগ্রহণকারী ৩২টি দেশের মধ্যে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে নিচে অবস্থান করছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের বর্তমান ফিফা র্যাঙ্কিং ৫৯তম। সকারুজদের অভ্যর্থনা জানাতে বেশ কিছু ব্রাজিলিয়ান সমর্থক নিজ দেশের পতাকা হাতে তাদের স্বাগত জানিয়েছে। যদিও নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে বিমানবন্দর থেকে ভিন্ন পথে বেরিয়ে টিম বাসে উঠে পড়া অস্ট্রেলিয়া দলের দেখা হয়নি তাদের।
এই নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মত বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ১৩ জুন চিলির বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তারা মাঠে নামবে। এছাড়া গ্রুপ-এ’র অন্য দলগুলো হলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও নেদারল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার পরে পরবর্তী দল হিসেবে আগামী ৩ জুন ব্রাজিলে আসার কথা রয়েছে ক্রোয়েশিয়া ও ইরানের। সর্বশেষ দল হিসেবে উদ্বোধনী ম্যাচের একদিন আগে ১১ জুন সাম্বাদের দেশে আসবে দক্ষিণ কোরিয়া, ঘানা ও পর্তুগাল।-বাসস
