দুই বছর পর গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হলো। সেখানে খেলার আলোচনার চেয়ে অবকাঠামো নির্মাণ কিভাবে হবে সেটাই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। জেলা থেকে আসা প্রতিনিধিরাও নানা সমস্যার কথা তুলে ধরলেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান নিয়ে নাকি তেমন আলোচনা হয়নি। ফেডারেশন কর্মকর্তাদের অভিযোগও অনেকটাই এরকম।
সভাশেষে ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন বললেন, ‘ফিফার নিয়মের কারণে জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশেন (ডিএফএ) গঠন করতে হয়েছে। ডিএফএ এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে ফুটবল খেলাটা মাঠে গড়াতে আমরা সবার সহযোগিতা চাই।’
ডিএফএগুলো সচল করতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে অনুদান দেয়ার যে পূর্ব প্রস্তাব বাফুফে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জানিয়েছিল, তার পক্ষে কাল কাজী সালাহউদ্দিন সহযোগিতা চাইলেন জেলা ও বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কাছে। কিন্তু জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে পৃথক হওয়া জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে ক্রীড়া পরিষদ থেকে অনুদান দেয়া যাবে কিনা সে প্রসঙ্গে সভায় হট্টগোল বেঁধে যায়। এই পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদার ফ্লোর নিয়ে বলেন, ‘কিছু উচ্ছৃংখল কার্যক্রম হচ্ছে। এখানে বিশৃংখলা যেন না হয়। আমরা সবাই এখানে দায়িত্বশীল আরচণ করতে চাই। দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে চাই।’ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ডিএফএ’র ব্যাপারে বলেন, ‘১০-১২ জনের একটি কমিটি গঠন করা হবে। এক মাস সময় দেয়া হবে। তারপর সিদ্ধান্ত।’ ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় বলেন, ‘চিত্কার করে দাবী আদায় করা যায় না। এটা শিষ্টাচার লংঘন।’ এনএসসি টাওয়ারে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় ছিলেন ক্রীড়া সচিব নূর মোহাম্মদ।
