জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ নজরুল সঙ্গীত সংস্থা শুরু করে দুই দিনেব্যাপী ‘নজরুল সম্মেলন ২০১৪’। শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এ আয়োজনে সংগঠনের সভাপতি খালিদ হোসেন শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল। খালিদ হোসেন বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সঙ্গীত জগতে এক অনন্য নাম। যিনি তাঁর স্বল্পস্থায়ী কর্মকালে এক চিরকালীন আসন পেতে রেখে গেছেন সঙ্গীত পিপাসুদের চিত্তে, নন্দিত হয়েছেন শ্রোতাদের অকুণ্ঠ ভালোবাসায়। যে স্বদেশপ্রেম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা আর উদার মানবিকতাবোধে নজরুল গোটা বাঙালি জাতিকে উজ্জীবিত করতে চেয়েছেন, আমরা যেন আমাদের জাতীয় চেতনায় তার পরিপূর্ণ প্রকাশ দেখাতে পারি।
খায়রুল আনাম শাকিল বলেন, আমরা নজরুলকে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি। ফলে তাঁর সৃষ্টি আমাদের কাছে স্বমহিমায় ধরা দেয়নি। আমরা বিশ্বাস করি নজরুলের সৃষ্টিকর্মে আরো চর্চার এবং গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশ নজরুল সঙ্গীত সংস্থা শুরু থেকেই এ বিষয়ে বিশেষভাবে সচেতন। শুধু দেশে নয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও নজরুলকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই সম্মেলক গান পরিশেন করেন বাংলাদেশ নজরুল সঙ্গীত সংস্থার শিল্পীরা। একক ও সমবেত সঙ্গীত পরিবেশনায় অংশ নেন, সঞ্জয় কবিরাজ, নুসরাত জাহান রুনা, মাকসুদুর রহমান মোহিত খান, খালিদ হোসেন, খায়রুল আনাম শাকিল, নাসিমা শাহিন ফ্যান্সী, সামিনা হোসেন প্রেমা, সুমন মজুমদার, আফরোজা খান মিতা, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী, ছন্দা চক্রবর্তী, রেজাউর রহমান, ডালিয়া আহমেদ, সেলিনা হোসেন, শহীদ খান, মেহফুজ আল ফাহাদ, শারমিন সাথী ইসলাম ময়না, জোসেফ কমল, সুজন রহমান, মুস্তারী হোসেন পান্না, মাহফুজ হক চামেলী, এলবার্ট অনিমেষ, শরিফা শিরীন, সুরাইয়া আলম, পলি গুহ, রেজোয়ানুল হক, বৃষ্টি চৌধুরী, রওশন আজমেরী খান।
নৃত্য পরিবেশন করেন শর্মীলা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সামিনা হোসেন। নজরুলের লেখা থেকে পাঠ করেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। আজ শনিবার শেষ হবে নজরুল সঙ্গীত সংস্থা আয়োজিত নজরুল সম্মেলন।
