বিশ্বের সর্ববৃহত্ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, এক স্থান থেকে সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত দর্শন, সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহত্ অখণ্ড ম্যানগ্রোভ বনভূমি, অপর সুন্দরের লীলাভূমি পার্বত্য চট্টগ্রাম, সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অপূর্ব প্রাকৃতিক সোন্দর্য পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় এক খাত বলে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। গতকাল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৫ম ট্রাভেল এন্ড টুরিজম মেলা উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনদিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করে ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে যেমন আমাদের কাজ করতে হবে, তেমনই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় স্থানগুলোতে হোটেল-মোটেল ও যাতায়াত সুবিধা বৃদ্ধি তথা অবকাঠামোর উন্নয়ন করে পর্যটন শিল্পকে ধরে রাখতে হবে, স্থায়িত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন টোয়াবের সভাপতি তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, ইস্টার্ন ব্যাংকের কনজুমার হেড নাজিম এ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আক্তার-উজ-জামান প্রমুখ। বক্তারা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মতো সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন মেলার আয়োজন এবং ট্যাক্স ফ্রি বা স্বল্প ট্যাক্সে টুরিস্ট ভেহিক্যাল আনার দাবি জানান।
এদিকে মেলায় গতকাল বিকালে ‘ মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও আমাদের পর্যটন ’শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) এ.কে খন্দকার বীর উত্তম। রবিবার বিকাল তিনটায় ‘পর্যটন ও দক্ষ জনশক্তি’ শীর্ষক গোলটেবিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের অতিরিক্ত সচিব মাকসুদুল আহসান খান। ঐদিন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
