বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

আপডেট : ৩১ মে ২০১৪, ২১:৫৭
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক পূর্বের মতো থাকবে নরেন্দ্র মোদির বিজয় এখন একটা প্রশ্ন “ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক” কেমন হবে? সম্পর্ক নিশ্চয় খারাপ হবে না। কারণ প্রতিবেশী দেশ অর্থনৈতিক মন্দায় পড়লে সেটা নিজ দেশের উপরও প্রভাব বিস্তার করে। প্রতিবেশী কারো ঘরে আগুন লাগলে তা নিজ ঘরে লাগারও সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং ভারত সরকার কখনোই প্রতিবেশী দেশের সাথে খারাপ সম্পর্কের দিকে ধাবিত হবে না। উল্লেখ্য যে, ভারতে নির্বাচনে বিজয়ের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুভেচ্ছা জানাতে ফোন করলে তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে কথা হয় এবং উভয়ের কথায় তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গ আসে। নরেন্দ্র মোদি তখন বলেন, তিনি ঢাকাতেই সর্বপ্রথম সফর করবেন এবং ঢাকাকে সেকেন্ড হোম বলেই মনে করেন। সুতরাং সুনিশ্চিতভাবে বলা যায়, “ঢাকা-দিল্লি” সুসম্পর্ক এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। মো. রবিউল ইসলাম রবি অনার্স, ১ম বর্ষ, দর্শন বিভাগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি কার্যকর সম্পর্ক এখন সময়ের দাবি নির্বাচনকালীন প্রচারণায় বাংলাদেশকে ছাড় না দিয়ে কথা বলা নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে তার সুর পাল্টেছেন। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ সময় ধরে ফোনালাপে তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি আলোর মুখ দেখতে পাওয়ার ইঙ্গিত সুস্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত। এদিকে ভারতের নয়া প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম বিদেশ সফরে ঢাকাকে প্রাধান্য দেয়ায় বাংলাদেশে মোদি ইমেজ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৬ কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার তিস্তা বন্টন চুক্তি কার্যকরে গোঁ ধরে বসে থাকা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে রাজি করানোর ইঙ্গিতও দিয়েছেন নরেন্দ মোদি। প্রত্যাশা করি দুই দেশ স্বীয় পররাষ্র্বনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তিস্তার পানি বন্টন চুক্তিসহ সকল বিরোধ নিষ্পন্ন করে দুই দেশের মেলবন্ধন সুদৃঢ় করতে সচেষ্ট হবে। মো. আশিকুজ্জামান ৩য় বর্ষ, ৫ম সেমিস্টার, ইসলামিক স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ০০০০০ ব্যাপক পরিবর্তনের আশংকা ভারতের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হচ্ছে কট্টর হিন্দুপন্থি, আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন উদারপন্থি। আদর্শগত কারণেই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কিছুটা পরিবর্তন হবে। নির্বাচনী বক্তৃতায় তিনি ভারত থেকে বাংলাদেশিদের তাড়িয়ে দেয়ার কথা বলেন। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের উদ্যোগও নিয়েছেন। যিনি বাংলাদেশিদেরকে তাড়িয়ে দেয়ার কথা বলতে পারেন, তিনি বাংলাদেশকে কতটুকু ভালোবাসেন তা সহজেই বুঝা যায়। এসব কারণে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের ব্যাপক পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে। বাকীবিল্লাহ ১ম বর্ষ, ইসলামিক স্টাডিজ ঢাকা বিশ্বদ্যািলয়। ০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কেমন হবে তা সময়ই বলে দেবে বিজেপি ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিপুলভাবে ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছে। আমি একজন তরুণ শিক্ষার্থী হিসেবে বলতে চাই- ভারতে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। জনগণ সঠিক রায় দিয়েছে। এটাই তো নির্বাচন। জনগণ যেদিকে রায় দিবে সেদিকেই সাফল্য অর্জন হবে। আজ যেটা বিষয়। বিজেপির জয়ে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক। কংগ্রেস ছিল সাবেক বিজয়ী দল সুতরাং আগে দিল্লির সাথে ঢাকার সম্পর্ক যেমন ছিল আশা করি এখনো সেটাই অব্যাহত থাকবে। একটা দেশের প্রতি আরেকটা দেশের সম্পর্ক আছে। তার নিয়মও আছে, নীতিমালাও আছে। কিন্তু বাংলাদেশের কিছু কিছু মানুষ মনে করছে দল পাল্টে যাওয়ার ফলে ঢাকার সাথে সম্পর্ক পরিবর্তন হবে এটা ভুল কথা। তাছাড়া সময়েই বলে দেবে এসব কথা। রুবেল মিয়া বিএ অনার্স (১ম বর্ষ),দর্শন বিভাগ আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ। ০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও ভাল হবে বিজেপির জয়, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কেমন হবে? বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নশীল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। অন্যদিকে ভারত একটি নিখুঁত শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে এশিয়া তো বটেই, গোটা বিশ্ববাসীর কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছেন। কারণ ইতিমধ্যে ভারতে যে জাতীয় নির্বাচন হয়ে গেল সেটা তার বাস্তব উদাহরণ। তাই মোদি নির্বাচনে যাই বলুক না কেন, তাঁর কর্মকাণ্ডে এখন মনে হচ্ছে প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে তারা সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে। সর্বশেষ আমার মনে হয় না বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আগের মত থাকবে। মো. আনিছুর রহমান বিএসএস (অনার্স) রাষ্ট্রবিজ্ঞান এমএসএস পরীক্ষার্থী সরকারি এওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, পাবনা।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন