রক্তের কোলেস্টেরল হূদরোগ এমনকি হার্ট এ্যাটাকের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। আর রক্তের কোলেস্টেরলের ক্ষেত্রে ট্রাইগ্লিসারিড অনেক ক্ষেত্রে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ ট্রাইগ্লিসারিডকে ভাসমান চর্বি বলা হয়ে থাকে। যাদের রক্তের ট্রাইগ্লিসারিড বেশি এবং ভাল কোলেস্টেরল এইচডিএল বা হাই ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন কম তাদের জন্য কিছু পরামর্শ দিয়েছেন সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির হার্ট সেন্টারের বিশেষজ্ঞ ডা: ক্যারোলাইনা। এই বিশেষজ্ঞের মতে সবাই কোলেস্টেরল কমানোর জন্য চর্বি জাতীয় খাবার কম খেতে বলেন। কিন্তু শুধু চর্বি জাতীয় খাবার কম আহার করলে চলবে না। পাশাপাশি সব ধরনের প্রসেসড ফুড এবং অধিক তেলে ভাজা খাবার পরিহার অথবা একেবারেই কম খেতে হবে। পরিহার করতে হবে জাংক ফুড ও ডেয়ারি প্রডাকটস। এতে রক্তের ট্রাইগ্লিসারিড কমতে শুরু করবে।
এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে অধিক কার্বোহাইড্রেট ও ট্রাইগ্লিসারিড বাড়ায়। রক্তের ভাল কোলেস্টেরল (এইচডিএল) নূন্যতম ৩৫ মাত্রার বেশি থাকা ভালো। আর রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) বা লো-ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন ৭০ মাত্রার নীচে থাকা ভালো।
আর রক্তের ভালো কোলেস্টেরল যাদের কম তাদের এই ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়ানোর ক্ষেত্রে কোন ধরনের চিকিত্সা বা ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। ডা: ক্যারোলাইনার অভিমত হচ্ছে শুধু ব্যায়াম যেমন: হাঁটাচলা, হালকা দৌড়ানো, সুইমিং, সাইক্লিং ইত্যাদিই যথেষ্ট। এই খ্যাতিমান হূদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ হচ্ছে প্রত্যেকের সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন, প্রতি দিন ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করা উচিত।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
