বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

আপডেট : ০১ জুন ২০১৪, ২২:১৫
ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক কারণেই সম্পর্ক অটুট থাকবে ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সম্পর্ক সব সময়ই ঘনিষ্ঠ। সব সরকার ও দলের শাসনামলে বন্ধু প্রতীম ছিলো। ভারতের মতো বৃহত্ গণতন্ত্রের রাষ্ট্রে বার বার ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে কিন্তু বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে যিকঞ্চিত পরিবর্তন ছাড়া তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি। প্রত্যেক সরকারই চেয়েছে ভালো কিছু করার। অর্থনৈতিক কারণে বলুন আর রাজনৈতিক কারণে বলুন, নিজেদের প্রয়োজনেই ভালো সম্পর্ক রাখা প্রয়োজন মনে করেছে দিল্লি। তবে কংগ্রেসের সাথে যে রকম মধুর সম্পর্ক ছিলো এতে কিছুটা ভাটা পড়বে বলে মনে হচ্ছে। এটাও তাদের আদর্শগত কিংবা তার দলের পলিসির কারণ হতে পারে। আবু বকর সিদ্দিক তৃতীয় বর্ষ, অর্থনীতি এম.সি.কলেজ, সিলেট ০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি¬ সম্পর্ক অটুট থাকবে মোদী সরকার জনগণের অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে এসেছে। আর পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের অবনতি হলে তাদের জন্য চরম ক্ষতি ডেকে আনবে। সেটা মোদী ভালো করে জানে। অনেক রাজনৈতিক দল ভাবছে মোদী সরকার বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকবে না। এটা তাদের ভুল ধারণা। কারণ ভারত বাংলাদেশের পাশে ছিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। আর এ সরকার জঙ্গিবাদের হাত থেকে ভারতকে নিরাপত্তা দিতে পেরেছে। এটা কংগ্রেস বিজিপিসহ সবাই স্বীকার করেছে। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সাথে অনেকগুলো সমস্যা রয়েছে। যা পূর্বের সরকার সমাধান করতে পারেনি। আশা করা যায় এ সরকার সমস্যাগুলো সমাধান করবে। মোদী বাংলাদেশ সফর এবং অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের কথাও বলেছে। আর মোদীর প্রথম সফর বাংলাদেশেই হতে পারে। এসব দ্বারা বুঝা যায় ঢাকা-দিল্লি¬র সম্পর্ক-অটুট থাকবে। মোহাম্মদ ইয়াকুব আল মাহমুদ অর্থনীতি (প্রথম বর্ষ) নোয়াখালী কলেজ ০০০০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে দু’পক্ষেরই বিশেষ উদারতা বাঞ্ছনীয় বিজেপি’র এই পর্বোতোত্থিত ফলাফল যে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের মধ্যে নানাবিধ দ্বিমাত্রিক সমীকরণের জন্ম প্রদান করবে না তাও নয়। সেইক্ষেত্রে সমীকরণসমূহের আন্তরিক সমাধানকল্পে দু’পক্ষেরই বিশেষ উদারতা যে বাঞ্ছনীয় তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তবে ঢাকা যদি ব্যক্তি সখ্যতা অথবা ধর্মীয় অবগুণ্ঠনে আচ্ছাদিত থাকে তাহলে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের মহাবৃত্তে ঢাকা রাজনীতির বিশেষ অস্থিতিশীলতার সম্ভাবনা দৃষ্ট হয়। বাংলাদেশের চলমান সংখ্যালঘু নির্যাতন যদি চলমান থাকে তাহলে শিবশেনা সমর্থিত বিজেপি সরকার যে তা সহনশীল দৃষ্টিতে দেখবে তা ভাববার কোনো কারণ দৃষ্ট হইতেছে না। সর্বপরি দু’দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুখ-দুঃখ তথা ভাগ্য পরস্পরের অবস্থার সাথে জড়িয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা থাকবে। আমাদের আসাবাদ থাকবে উভয় দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ই সুখে-শান্তিতে থাকবে। আর চিরায়ত ইন্দো-বাংলা সম্পর্ক খালি যে অটুট থাকবে তাই নয়, দু’দেশের সুসম্পর্ক পর্বতপ্রতীম হবে এটাই আমাদের একান্ত কাম্য। পদ্মপ্রতিম ধর গণিত (সম্মান) ৪র্থ বর্ষ সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর ০০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক হউক আরো গভীর ২৬ মে, ২০১৪ বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে গঠিত হল লোকসভা। যা ভারত বর্ষের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত বিরল ঘটনা। কারণ মোদী সরকার যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে তা আর ভারত বর্ষ দেখেনি। তাতে জল্পনা-কল্পনারও শেষ নেই। পার্শ্ববর্তী দেশ হিসাবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কেমন হবে, তা আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। আর মোদীর ইতিহাস সবাই জানে, জানে বিজেপিরও ইতিহাস। আর সেই ইতিহাস ভাঙ্গতে পারবে কিনা তা নিয়ে দু’দেশের জনমনে সংশয়। বিজেপির জয়ে ঢাকার অতি উত্সাহের কোন কারণ নেই। কারণ তারা ভাল করেই জানে অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ, অপরের কাঁদে বন্দুক রেখে শিকার করা ইত্যাদি বিষয়গুলো। মোদী সরকার একমুখি হবে না বলেই প্রায় সবার ধারণা। তারা কারও সাথে অতিরঞ্জিত সম্পর্কে বিশ্বাসী নয়। প্রতিবেশীর সম্পর্ক নজর থাকবে তাদের বেশি। সে রকমই দু’দেশের সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকের একই ধারণা ও বিশ্বাস। তাই বিজেপি সরকারের বা মোদী সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা আগের সরকারের মত যেন না হয়। শাহজাহান আলী মূসা সমাজকর্ম বিভাগ মাষ্টার্স (ফাইনাল) সরকারি বাংলা কলেজ, ঢাকা। ০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো ভাল হবে মানুষের দৃশ্যমান দুটি হাত তথা ডান হাত এবং বাম হাত মানুষকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয় । এ দুটি হাত ছাড়াও মানুষের আরও একটি অদৃশ্য হাত আছে; যার হাতছানিতে মানুষ হতাশ হয়। তার নাম অজুহাত। তরুণ সমাজকে বলব হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সমাজের যাবতীয় অসঙ্গতির অজুহাতে নিজেকে ঘুটিয়ে রেখো না। তুমি তোমার মধ্যকার গুপ্ত প্রতিভার সুপ্ত বিকাশ ঘটাও। তবেই তুমি সমাজের সকল অসঙ্গতির মূলে কুঠারাঘাত করতে পারবে। একজন তরুণ হিসেবে হতাশ না হয়ে বলব ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো ভাল হবে। মুহাম্মাদ হাবিবুর রহমান অনার্স শেষ বর্ষ, ইংরেজী বিভাগ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন