[ রা জ নী তি ]

উদ্বিগ্ন সমাজে সুস্থ রাজনীতির দায়

আপডেট : ০২ জুন ২০১৪, ২২:১০
সাধারণ কথায়, রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি করে মানুষের স্বার্থে। মানুষের কল্যাণই রাজনীতির লক্ষ্য। রাজনীতি এগিয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো মানুষের জন্য রাজনীতি করে, কিন্তু এজন্য ক্ষমতা দরকার। ক্ষমতায় থাকলে তাদের রাজনৈতিক ইশতেহার বাস্তবায়নে সুবিধা হয়। রাজনীতিতে মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়ে, মানুষকে কল্যাণকামী করার আকাঙ্ক্ষা ফলপ্রসূ করার উপায় বের করা সম্ভব হয়। তাহলে রাজনীতি ও ক্ষমতা সবটুকুই মানুষের জন্য নির্ধারিত, মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যয়িত। কিন্তু আদতে কী হচ্ছে? এখন জ্যৈষ্ঠ মাস কিন্তু কারো সর্বনাশ। ঠা-ঠা রোদ্দুরে পুড়ছে মানুষ-প্রান্তর। একই সঙ্গে পুড়ছে মানুষের মন, জীবন। খবরের কাগজ, মিডিয়ায় আমরা কী দেখছি! সত্যিই কী সবাই ভালো আছি আমরা! সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ড নিয়ে এক তরফা শেষ হতে না হতেই আবার নৃশংস হত্যার শিকার হয়েছেন ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক। প্রতিটি হত্যাই নিষ্ঠুর ও নির্মম। কিন্তু ইদানিং সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো যেন পূর্বের নৃশংসতার সব রকম রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এ নিয়ে সর্বত্র একপ্রকার উদ্বেগ, উত্কণ্ঠা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। ক্রমাগত মানুষের ভেতরে ভয় ও অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমাজে পরিবারে ঘটছে তার সংক্রমণ। সামাজিক অনিরাপত্তা মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সন্দেহ বাড়িয়ে তুলছে। আর যখন সমাজে এরূপ ভয়ার্ত পরিবেশ বিরাজ করে তখন রাষ্ট্র কিংবা রাজনীতি কী শঙ্কামুক্ত থাকে? থাকতে পেরেছে কখনো? নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের পর সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চাপের মুখে হোক বা রাজনৈতিক কারণেই হোক, সরকার দৃঢ়ভাবে এবং যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ায় স্থির থেকে র্যাবের কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করে রিম্যান্ডে নিয়ে আইনের হাতে সোপর্দ করেছে। আদালতে হাজিরার ছবি প্রতিনিয়তই আমরা কাগজে দেখছি। এদিকে জনপ্রশাসনের তদন্ত কমিটিও নানাভাবে কাজ করছে। দাগী পলাতক আসামিরা এখনও ধরা পড়েনি কিন্তু তাদের অস্থাবর সম্পত্তি, মালামাল বা অন্যান্য স্থাপনায় ক্রোক অভিযান হয়েছে। এর মাঝে ফেনীর ফুলগাজী চেয়ারম্যানের হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে জিরো টলারেন্স জারি হয়েছে। কিন্তু এইটিই তো শেষ কথা নয়। হত্যাকাণ্ড, অপহরণ-গুম নিয়ে টক শো, মিডিয়ায় কথা হচ্ছে, পরামর্শ তর্ক-বিতর্ক চলছে, রাজনৈতিক পক্ষ-প্রতিপক্ষ রক্ষণাত্মক মেজাজে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কথা বলছেন— সমাধান কী? আদৌ এ সমাজটাকে সুস্থ করার জন্য, বাসযোগ্য ও নিরাপদ করার জন্য আমরা কী এক চুলও সামনে এগুতে পারছি? কী পদক্ষেপ নিয়েছি? রাজনৈতিক দলগুলো কী করছে। রাজনীতি যদি মানুষের জন্য হয়, ক্ষমতা যদি জনকল্যাণে জন্য প্রয়োগ হয়— তাহলে তারা কী করছে। আজকে বৃহত্ ও প্রধান দুটি দল সম্পর্কে এদেশের সাধারণ মানুষের একটা স্পষ্ট ধারণা হয়ে গেছে। কে কোন্ ধরনের রাজনীতি করে তাও সবাই ওয়াকিফহাল। এদেশের মানুষ ঠেকে শিখেছে অনেককিছু। যখন কোনো রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র কোনো বিষয়ে কথা বলেন, তখন মানুষ একটি বাক্যেই তার রাজনৈতিক ভিউটি জেনে ফেলেন। যেমন সম্প্রতি একটি বিষয়ে খুব আলোচিত হচ্ছে। ভারতে নির্বাচন হয়ে গেছে, যথারীতি একটি দল নির্বাচিত হয়ে এখন ক্ষমতায় এসেছে— নির্বাচিত দল বা দলীয় প্রধান অভিনন্দিত বা বরণীয় হতেই পারেন— এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু মোদী জয়ের পর একটি দলের তাড়াহুড়ো করে অভিনন্দন জানানো বা উল্লাস প্রদর্শন করা, বিভিন্ন রকম উস্কানিমূলক বক্তৃতা প্রদান করা—স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কেউই কি বিষয়টিকে স্বাভাবিক মনে করেছে! এটি কী এক প্রকার রাজনৈতিক দেউলিয়াপনারই নামান্তর বলে মনে হয় না! হ্যাঁ, নিশ্চয়ই প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কূটনৈতিক অগ্রাধিকার পাওয়া বিভিন্ন অভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে কথা বলা অবশ্যই তার প্রয়োজন এবং গুরুত্ব রয়েছে। সেখানে ক্ষমতায় কে আসল বা না আসল সেটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন সুসম্পর্ক বজায় রাখা, কূটনৈতিক আস্থা স্থাপন করা। যে দেশের সঙ্গে আমাদের হাজার হাজার মাইল সীমান্ত রয়েছে, সে দেশের সঙ্গে শুধু সুসম্পর্কই নয়, বাস্তব সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করা ছাড়া এতোটুকু উপায় নেই। সরকার যেই হোক, যে মতেরই হোক, আমাদের এবং উভয়ের স্বার্থরক্ষায় সুদূরপ্রসারী মনোভাব নিয়ে কাজ করে যেতে হবে— এইটিই শেষ কথা। কিন্তু তার বিপরীতে যদি ক্ষমতারোহণের স্বার্থ বা ব্যক্তি বা দলগত লাভালাভের স্বার্থটি মুখ্য হয়, দেশের জনগণ সেখানে উপেক্ষিত হলে— তা দেশের জন্য কখনোই মঙ্গলজনক হবে না, যারা এই লোভে আক্রান্ত হন তাদের জন্যও না, সামষ্টিক রাজনীতি বা গণতন্ত্রের জন্য না— দেশের জন্য তো নয়ই। সুতরাং কী বুঝে এক শ্রেণির প্রতিক্রিয়াশীল বুদ্ধিজীবী (যারা একটি দলীয় ব্যানারের মতাদর্শপুষ্ট) বিজেপির ক্ষমতা আরোহণকে উল্লাসের চোখে দেখছেন, তা বোধগম্য হলো না। যদিও বলেছি, দেশের আমজনতার এসব বুঝতে এতোটুকু অসুবিধা হয় না। সাম্প্রতিক সময়ে বৃহত্ বিরোধীদলের রাজনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে কেন? সরকার যেভাবে চলছে, যতো অভিযোগের কথা তারা বলছেন কিন্তু মানুষকে তাদের বক্তব্যের কাতারে শামিল করাতে পারছেন না কেন? সমাজের ভেতরে যে উদ্বেগ-আতঙ্কের ক্ষত প্রকাশ্য হয়ে উঠেছে তা নিয়ে তারা সোচ্চার হতে পারছেন না কেন। প্রশ্নগুলো, যে কোনো রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষ তো অসহায়, নিরস্ত্র। ভাঁওতা দিয়ে, প্রতারণা করে, বিভ্রান্ত করে তাদের এখন আর রাস্তায় নামানো যাচ্ছে না। ভারতে নির্বাচনের ফলাফল আর এদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা কী একরকম? নিরাপত্তাহীন মানুষের নিরাপদ আশ্রয় কোথায়? ভারতবিরোধিতার রাজনীতি বা ভারততোষণের রাজনীতি এখন আর মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সেখানে মোদী-উল্লাস নয়, মোদী-চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার অর্থনীতিক পদক্ষেপই মুখ্য। কারণ, কর্পোরেট পুঁজির ফাঁদে ভারতের শতকোটি মানুষ যেভাবে আটকে গেছে, সেখানে বিজেপির তাত্ক্ষণিক জয় হলেও অসাম্প্রদায়িক বা ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের জন্য সুদূরপ্রসারী ফল কী দাঁড়ায়— সেটি দেখার অবকাশ এখনও শেষ হয়ে যায়নি। বিশ্ব রাজনীতির দাপটে পরাশক্তি হিসেবে ভারতের উত্থান বা কর্পোরেট পুঁজির সম্প্রসারণে পাশ্চাত্যের সাপ-লুডু খেলার চালে ভারতের পরিণতি কী দাঁড়ায় সেটি পরে টের পাওয়া যাবে। এ নিয়ে কারো উল্লাস করার বা বাজি পোড়ানোর কিছু আছে বলে মনে হয় না। ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী বাংলাদেশ দরিদ্র ও ঘনবসতিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে নিশ্চয়ই এর অংশীদার, কিন্তু মোকাবেলাটা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই করতে হবে। এর বাইরে কোনো উপায় নেই। আর এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের অভ্যন্তরীণ শক্তিকে দৃঢ়তর করা যথেষ্ট প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, রাজনীতি এদেশে দ্বিধাবিভক্ত। স্বার্থ আর ভোগে পরিপূর্ণ। যেন রাজনীতির জন্য মানুষ, মানুষের জন্য রাজনীতি নয়। এসব সত্য কথা এখন প্রলাপের মতোন। ফলে রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন প্রবল রকমে ছড়িয়ে পড়ছে। ভোগবাদী প্রবণতা গেড়ে বসেছে সমাজে। ফাঁপা, বিবেকশূন্য একপ্রকার মানুষ সমাজের মাতব্বর সেজে বসেছে। ক্ষমতার কর্তৃত্বে থেকে সমাজকে ও সমাজের প্রান্তিক খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষকে শোষণ করছে, নিজেদের কাজে অপব্যবহার করছে। রন্ধ্রে রন্ধ্রে সমাজের চলকগুলো এখন আটকানো। এখানে পিছিয়ে দিয়ে তুমুল অন্ধকারে গ্রাস করে ফেলছে প্রতিরোধী শক্তিকে। পদদলিত হচ্ছে বিবেক ও মানবতা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সমাজ যদি অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় তাহলে গণতন্ত্র থাকবে কীভাবে? অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় সমাজে প্রভু বা গড়ফাদার সৃষ্টি হয়েছে, তারা নিজেদের স্বার্থে বিবেকহীন করে তুলছে সমাজকে, সমাজের অন্ধকার কানাগলি সৃষ্টির ভেতর দিয়েই রাজনৈতিক সিঁড়ি অতিক্রমণের পথ তৈরি করছেন। রাজনীতির শিষ্টাচার, মূল্যবোধ সবকিছুই এর ভেতরেই আটকানো। সবচেয়ে বড় বিষয় শিক্ষা সেখানে লেশমাত্র নেই। শিক্ষাবিহীন শিক্ষার (সার্টিফিকেট সর্বস্ব) যে সংস্কৃতি তা গ্রামে মফঃস্বলে প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। ফলে সমাজের তথা রাজনীতির এ রকম প্রতিভূরাই এখন দল ও ‘গণতন্ত্রের সেবক’, মায়াকান্নায়, প্রবঞ্চনায় যারা অতিরিক্ত উদ্যোগী। এর আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত সাধারণ নিরীহ মানুষ। কিন্তু এ থেকে মুক্তির উপায় কী। মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে অর্জিত এ দেশটিকে আমরা কেউই অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাই না। আইন-বিচার-শাসন নির্ধারিত নিয়মমাফিক চলুক। তা চলতে দিতে হবে। কিন্তু যে সমাজ ব্যাধিগ্রস্ত অনিরাপদ সেখানে রাষ্ট্রীয় কোনো বাহিনী এককভাবে বেশি কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না। এর প্রমাণ তো সাম্প্রতিক সময়েই আমরা দেখছি। সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই, রাজনীতিও নেই। সুতরাং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে তাত্ক্ষণিক ফল হয়তো পাওয়া যায়, কিন্তু আখেরে কিছু লাভ হয় না। তাই সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে রাজনীতিকে শোধন করতে হবে। দুর্বৃত্তায়নের পথ পরিহার করতে হবে। কালো টাকার কর্তৃত্ব ভেঙ্গে ফেলতে হবে। আমাদের চলতি যে অস্থির রাজনীতি চলছে, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যেনতেন পথ অবলম্বনের প্রয়াস চলছে— সেখান থেকে রাজনীতিকে মুক্তি দিতে হবে। নইলে গডফাদাররা নিষ্ক্রিয় হবে না। সন্ত্রাসও দূর হবে না। দুর্বৃত্তায়ন অপসারণ হবে না। রাজনীতিকে কলুষমুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর যে নিষ্ক্রিয়তা তার কারণ এইসব বিবিধ অপকর্ম। যেখানে আপামর মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। রাজনীতিকে সুদৃষ্টিতে দেখছে না। মেধাবী নেতৃত্বও তাতে নেই। কিন্তু বিপরীতে এটিও সত্য রাজনীতিহীন সমাজ নিশ্চল। মানুষকে এগিয়ে নেয়া, শুভপ্রদ জীবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য সুস্থ রাজনীতির বিকল্প নেই। আমাদের দেশের যে প্রজন্ম এখন সম্মুখগামী, ভিশন টোয়েন্টি টোয়েন্টি ওয়ানের পথে এগিয়ে চলছে তারা সুস্থ ও জীবনমুখি কল্যাণময় রাজনীতির পক্ষে। সেটি যে দলই হোক, তাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণ এবং রাষ্ট্রের সংবিধান। রাষ্ট্র কারো একক সম্পত্তি যেমন নয়, তেমনি রাজনীতিও কোনো ব্যক্তির করায়ত্ত সম্পদ নয়। গণতন্ত্রের জন্য এ বিষয়গুলো অনেক চর্চিত কিন্তু আমরা এর ধারে কাছেও নেই। বিপরীতে নেতি ও অসহায় মানুষকে পুঁজি করে চলে ধ্বংস-হত্যা-গুম-খুন-অপহরণের রাজনীতি। অসহায় মানুষ এতে বিপন্ন। সমাজ হয়ে উঠেছে দুরভিসন্ধিমূলক। অসহায় মানুষকে পুঁজি করে এ দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি চলবে আর কতোকাল? কিন্তু সর্বাগ্রে মানুষের এ বিশ্বাসটুকুও আছে, রাজনীতিই মানুষের শেষ আশ্রয়-প্রশ্রয় ও সহায়। নতুন প্রজন্ম সে স্বপ্ন দেখেই কর্মমুখর হয়ে বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছে। তাই নির্বীর্য দোষারোপের রাজনীতি বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, শক্ত-সামর্থ্যপূর্ণ আলোক-উজ্জ্বল রাজনীতি চাই। দেশ পরিচালনার সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক দর্শন চাই। রাজনীতি হোক সহায়হীনের সহায়, মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। রাজনীতিবিদরা কী তা দিতে পারবেন! লেখক : অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় [email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন