বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৪, ২১:২৫
ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক সময়ই বলে দেবে কট্টর হিন্দুত্ববাদী মোদির পরোক্ষ উস্কানিতেই ২০০১ সালে গুজরাটে সংঘটিত হয়েছিল সংখ্যালঘুদের উপর চরম দমন ও পীড়ন। যেখানে প্রাণ হারিয়ে ছিল হাজার হাজার নিরীহ মুসলমান। নির্বাচনের আগে তিনি ঘোষণা করেছেন অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদেরকে ভারত থেকে বিতাড়িত করা হবে। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ নিয়ে অনেক উস্কানিমূলক কথা বলেছেন। নরেন্দ্র মোদি এইসব বক্তব্য কি নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য দিয়েছেন নাকি বাস্তবে তাই করে দেখাবেন এটা দেখার জন্য আমাদের হয়তো আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসাবে আমরা সবসময়ই চাইব দিল্লির সাথে আমাদের সম্পর্ক ভাল থাকুক। আমরা আশা করি মোদি এমন কোন কাজ করবেন না যাতে দুই দেশের সম্পর্কে ভাটা পড়ে। আমরা নতুন সরকার থেকে ভাল কিছু আশা করি। মো: জহিরুল ইসলাম আরবি বিভাগ প্রথম বর্ষ (১ম সেমিস্টার), ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক দ্বিপক্ষীয় স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিজেপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে ইন্দিরা পরিবারতন্ত্রের ভরাডুবি হয়েছে। এটা ভারতে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা বলা যেতে পারে। মোদি সরকার ভারতের পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন আনবে না বলে মনে হচ্ছে। বরং পররাষ্ট্রনীতি চাপিয়ে দিয়ে পার্শ্ববর্তী দরিদ্র দেশগুলোর ওপর নির্যাতন বাড়িয়ে দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপির বিজয়ে আমাদের খুশি হওয়ার কোনো কারণ দেখছি না। আমরা সেইদিন খুুশি হতে পারি, যেদিন মোদি সরকার পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন এনে আমাদের ন্যায্য হিস্যা তিন বিঘা-করিডোর ফিরিয়ে দেয়াসহ পানি চুক্তি বাস্তবায়ন করবে। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক দ্বিপক্ষীয় স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠুক, আমরা এমনটিই প্রত্যাশা করছি। রাবেয়া রহমান এ লেবেল, স্কলার স্কুল এন্ড কলেজ ধানমন্ডি, ঢাকা। বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কেমন হবে তা এখনই বলা যাবে না বিজেপি ভারতে ডানপন্থী হিন্দু দল হলেও সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছু পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করি। আমি এটাই প্রত্যাশা করি ভারতের সাথে ভাল সুসম্পর্ক থাকুক ও দেশে উন্নয়ন ঘটুক। আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগের সাথে কংগ্রেসের একটা পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। সময়ের সাথে সাথে বিজেপির সঙ্গে ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে বলে অনেকেই ধারণা করছেন। কিন্তু সেটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয় এই নীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বাসী। অনেক আসনের জয়ের মাধ্যমে ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী সহনশীল ও বন্ধু সুলভ আচরণ করবে এবং বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে এটাই আমরা কামনা করি। মাহফুজুর রহমান খান সম্মান ৩য় বর্ষ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, গাজীপুর। শান্তি, সম্প্রতী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এখন ঢাকা-দিল্লি উভয় পক্ষেরই কাম্য হোক একজন সচেতন নাগরিক, শিক্ষার্থী, গৃহিণী ও সদ্য কর্মজীবী হিসাবে যেটা বোধগম্য- বাংলাদেশ ঢাকা-দিল্লি বিষয়ক ঢাকা-কলকাতা ট্রেন চলাচলের সু-বন্দোবস্ত করেছে। তেমনি ঢাকা-দিল্লি বিষয়ক স্পর্শকাতর যে সম্পর্ক, উল্লেখযোগ্য চুক্তি বিভিন্ন ইস্যু যেগুলো এখনও আলোর মুখ দেখেনি তা যথাশীঘ্র কার্যকরি পদক্ষেপের মাধ্যমে উন্নীত করা। পরিশেষে, গত ২৬ মে (সোমবার) তুমুল আলোড়ন সৃষ্টিকারী, বিজেপির সরকার মোদির জাঁকজমকপূর্ণ শপথ, আমন্ত্রিত প্রতিবেশী দেশসহ গোটা বিশ্ব বিপুল উত্তেজনা ও আগ্রহ নিয়ে অবলোকন করেছে। তাই অত্যন্ত দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সাথে প্রতিবেশীর মতো সুন্দর, চমত্কার একটা সম্পর্ক জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ হয়ে গড়ে উঠবে। অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের ন্যায় ‘ঢাকা-দিল্লি’ উভয়পক্ষের সম্পর্কের জন্য এটাই এখন কাম্য হোক। হাসিনা সাঈদ (মুক্তা) এমএসসি (মত্স্যবিদ্যা) লালমাটিয়া মহিলা মহাবিদ্যালয় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও ভাল হবে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক আগে যেমন ছিল তার চেয়ে ভাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যেহেতু দিল্লিতে এখন নতুন সরকার। কোন সরকার চায় না তার ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক মহলে নষ্ট হয়ে যাক। তাই দিল্লি সরকার চাইবে না বাংলাদেশের সাথে আগের সম্পর্কে বাধা আসুক। বাংলাদেশ সরকারের উচিত অসমাপ্ত যেসব চুক্তি ঝুলে আছে তা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা। উভয় দেশই বলা চলে একে অন্যের প্রতি অনেক ক্ষেত্রেই নির্ভরশীল। তাই আমার মতে, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো সুন্দর ও শক্তিশালী হবে। চঞ্চল কুমার মণ্ডল বিবিএ (অনার্স) ৩য় বর্ষ, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, মানিকগঞ্জ।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন