টেলিফোনে পাঠকের মতামত

প্রসঙ্গ :রাজনীতি ও ফরমালিন

আপডেট : ০৫ জুন ২০১৪, ২১:৪২
বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানীর আবিষ্কার যদিও সম্পূর্ণরূপে সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে সৃষ্ট— কিন্তু রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক হীনস্বার্থে সেই সকল আবিষ্কার অহরহ ব্যবহূত হচ্ছে। নোবেল পুরস্কারের প্রবক্তা আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইড অবশ্যই ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য আবিষ্কার করেননি। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে সেই ডিনামাইড যে চরম ধ্বংসযজ্ঞের জন্য ব্যবহূত হয়েছে তার জন্য স্বয়ং আলফ্রেড নোবেল নয় বরং সারা বিশ্ব আজও সেই গ্লানি ও বিভীষিকাময় যাতনা বহন করছে। মূলত প্রকৃতিকে বশে আনতে মনুষ্য সৃষ্ট সকল কলা-কৌশলের জন্য মানব জাতিকে কাল পরিক্রমায় বড় ধরনের খেসারত দিতে হয় এবং হচ্ছে। কারণ প্রকৃতি তার নিয়মের ব্যত্যয় কখনো সহ্য করে না। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে পচনশীল জীব-জন্তু, ফলমূল পচে প্রকৃতির সাথে মিশে যাবে এবং এটাই নিয়ম। কিন্তু মানুষ তার তাত্ক্ষণিক প্রয়োজনে সেই পচন রোধে ফরমালিন নামক রাসায়নিক দ্রব্য আবিষ্কার করে। আজ সেই ফরমালিন মাছ-মাংস, তরিতরকারি, শাকসবজি, ফলমূলসহ হেন দ্রব্য নেই যাতে ব্যবহার হচ্ছে না। ফলে মানুষ অকালে নানা কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে ইহধাম ত্যাগ করছে। শেষ পর্যন্ত সেই ফরমালিন রূপক অর্থে রাজনীতিতেও প্রবেশ করেছে। সরকারের বর্তমান কর্মকাণ্ডকে দেশের অন্যতম বৃহত্তম দল বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পচনের সাথে তুলনা করে আরও পচা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে তার অনুসারীদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার প্রতিউত্তরে সরকারপ্রধান ও দেশের আরেক অন্যতম বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলছেন, তারা পচেননি বরং বিএনপির পচনকে ফরমালিন দিয়ে তারা তাজা করে রেখেছেন। এদিকে রাজনৈতিক মঞ্চে বহুরূপী খ্যাত এইচ. এম. এরশাদ বলেছেন, বিএনপি এবং আওয়ামী লীগকে বাদ দিলেই দেশের রাজনীতি ফরমালিনমুক্ত হবে। কিন্তু জনসাধারণ ভাবছে, সর্বগ্রাসী ফরমালিন থেকে বাঁচার সকল দ্বার শেষ পর্যন্ত তাদের জন্য রুদ্ধ হলো। কাজেই ইয়ানফসি, ইয়ানফসি জপ ছাড়া তাদের আর কোন গত্যন্তর নেই। ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী ৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা ১২০৩ সরকারকে পচতে সময় দেয়া হচ্ছে, পরবর্তীতে আন্দোলন-বিএনপি চেয়ারপারসনের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বিএনপিকে ফরমালিন দিয়ে তাজা রাখা হচ্ছে”। জনস্বাস্থ্য ক্ষতিকর ফরমালিন নামের রাসায়নিক এই পদার্থটি সকল পণ্যে ব্যবহূত হয়ে নীরব ঘাতকের কাজ করে চলেছে। সেই ফরমালিন ব্যবহার করে বিএনপিকে তাজা রাখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণায় রাজনীতিকদেরই শুধু নয়, দেশবাসীকে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠায় ফেলে দিয়েছে। দেশে যখন গুম, খুন, হত্যা, হামলা-মামলায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ফুটন্ত কড়াইতে রয়েছে, সেখানে রাজনীতিতে ফরমালিন ব্যবহারের খবরটি বিরোধী দলগুলোকে বিশেষ করে বিএনপিকে জ্বলন্ত চুলোয় ঠেলে দেয়ার মতো মনে হচ্ছে। দমন পীড়নের সাথে ফরমালিন যোগ সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রকে প্রকারান্তরে ব্যাহত করবে। এমনিতেই দেশবাসী নানাবিধ সমস্যায় রয়েছে, উপরন্তু ফরমালিন নামের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থটি রাজনীতির গায়ে মাখিয়ে দিলে, জনগণের স্বস্তিতে থাকার আর কোন পথ খোলা থাকে না। সর্বজনস্বীকৃত, এদেশের রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় গেলে পচে, তা দুর্নীতিতে জড়িয়ে, জনস্বার্থকে উপেক্ষা করে, আইনি বিষয়গুলোকে পাশ কাটিয়ে, গডফাদারদের পৃষ্ঠপোষকতা করে, প্রশাসনকে ব্যক্তি ও দলের স্বার্থে ব্যবহার করে জাতীয় সমস্যাগুলো দেখেও না দেখার ভান করে। নির্বাচনের আগে ওয়াদা দিয়ে, পরে তা বাস্তবায়ন করে না। কাজেই এ সমস্ত কাজ ক্ষমতার বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষে করা সম্ভব নয়, সেহেতু ক্ষমতার বাইরে থাকা দলগুলো বিশেষ করে বিএনপিকে ফরমালিন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার এই ক্ষতিকর উদ্যোগটি না নেয়াই ভাল। ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি যদি পচে যেয়ে থাকে, তাহলে তাকে ফরমালিন দিয়ে বাঁচিয়ে না রেখে, দলটি যাতে করে নির্বাচনে আসে, সে ব্যবস্থা করে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে রায়ের মাধ্যমে হিমঘরে অথবা উষ্ণঘরে রাখার কার্যক্রমই হবে গণতন্ত্রবান্ধব। যা টেকসই পদ্ধতি। ফরমালিন গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কোন বিকল্প হতে পারে না। ফরমালিন ব্যবহার (যা রাজনীতিতে আদৌ সম্ভব নয়) করে কোন দলকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জাতীয় অর্থ ব্যয় করারও প্রয়োজন পড়ে না। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর এতদিন কেবল বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যকে পচন থেকে রক্ষা করার জন্য ফরমালিন ব্যবহার করা হত। যার ব্যবহার নিয়ে দেশময় আন্দোলনও কম হয়নি। এত আন্দোলন ফরমালিনের অস্তিত্বকে যখন প্রায় বিলুপ্তি করে দেয়ার পথে সেই সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী ফরমালিনকে পুনরায় অস্তিত্ব দিয়ে ছাড়লেন। রাজনীতির ময়দানে ফরমালিনের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে দিলেন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ঘরে নিবু নিবু করে জ্বলতে থাকা দেশের অন্যতম রাজনৈতিক সংগঠনকে নাকি ফরমালিন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে, এমনি মত প্রকাশ করলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এবং সে কাজটি তিনিই নাকি করেছেন। দেশব্যাপী ফরমালিন উচ্ছেদের আন্দোলন হলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই যদি ফরমালিনকে রক্ষা করতে চান তবে কার সাধ্য আছে তাকে তাড়িয়ে দেয়ার। এজন্য ফরমালিনের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ ধন্যবাদ পেতেই পারেন। রাজনৈতিক দলের কিছু কিছু ফরমালিন বিশেষজ্ঞ আবার মনে করছেন আওয়ামী লীগ সাম্প্রতিক সময় যেভাবে পচছে তাতে তাদেরকে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ফরমালিনে না চুবালে তাদের মধ্য থেকে অত্যন্ত দুর্গন্ধ বের হতে পারে। তাতে বাতাস দূষিত হয়ে দেশের জনগণও রোগে পড়তে পারে। কাজেই দেশের গরিব জনগণকে রক্ষা করার জন্য বিএনপিকে যেভাবে ফরমালিন দিয়ে তাজা রাখা হয়েছে তেমন আওয়ামী লীগকেও তরতাজা রাখতে হলে দেশের মধ্যে একটা হুলস্থূল অসম্ভব নয়। এমনিতেই বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা রাখার কারণে যেভাবে পথ চলার সময়ে নাক চেপে হাঁটতে হয় এরপরে আওয়ামী লীগ থেকে যদি গন্ধ বের হয় তবে তা সহ্য করা যাবে না। এই মহত্ কাজ করার জন্য দেশে যে পরিমাণ ফরমালিন আছে তা যদি ফুরিয়ে যায় তবে অতি শীঘ্র ফরমালিন আমদানির ব্যবস্থা করা হোক এবং ফরমালিনের বিরুদ্ধে সকল ক্ষোভ ভুলে জাতীয় স্বীকৃতি দেয়া হোক। রাজু আহমেদ মঠবাড়ীয়া, পিরোজপুর ফরমালিন একটি বিষ, সাধারণত মৃত তথা জীবিত নয় এমন বস্তু দীর্ঘসময় পচন না ধরার জন্য ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। মাছ পানিতে, ফল গাছে থাকা অবস্থায় জীবিত থাকে। বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীরা মাছ ও ফলসহ বিভিন্ন প্রকার খাদ্যে এই বিষাক্ত ফরমালিন ব্যবহার করে। মীর জাফর নামটির মত ফরমালিনও ঘৃণিত বস্তু, কিন্তু বাংলাদেশে ১০০ ভাগ মানুষ ফরমালিন যুক্ত খাবার খেয়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। ঠিক বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে দূষণ চলছে তা ফরমালিনযুক্ত খাবারের সাথে তুলনা চলে। রাজনীতির নামে স্বাধীনতার পর থেকে চলছে লুটপাট। অবৈধ সম্পদ আয় ও রক্ষার জন্য বাংলাদেশের কিছু অমানুষ রাজনীতির সাথে জড়িত। মৃত রাজনীতি ফরমালিন দিয়ে তাজা রেখে কোন লাভ হবে না। সব সরকারের কাছে জনগণ দুর্বল কিন্তু বোকা না। প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে ফরমালিন দিলেন। কোন দিন বিএনপিও প্রধানমন্ত্রীকে ফরমালিন দেবে। উন্নয়নের রাজনীতিতে ফরমালিন প্রয়োজন হয় না। বিরোধীদলের আন্দোলনের জন্য না হলেও সরকারি দলের অপকর্মের জন্যই জনগণ বিরোধী দলকে ভোট দেয়। এটা জনগণের অপরাধ না। দেশের ১০০ ভাগ মানুষ বিএনপি বা আওয়ামী লীগ বা জাতীয় পার্টি বা জামায়াতের সাথে জড়িত না। ফরমালিন বা ফরমালিনযুক্ত খাবার না দিয়ে দেশ ও জাতির জন্য ভালো কিছু করুন। নজরুল ইসলাম খান খান ভিলা, ৫৪ নতুন জুরাইন, ঢাকা ফরমালিন আমাদের দেশের মানুষের কাছে খুব পরিচিত। আজ ফরমালিনযুক্ত হয়েছে দেশের রাজনীতিতে। যা আমাদের জন্য মঙ্গলজনক নয়। তাই যতদূর সম্ভব এই রাসায়নিক ফরমালিন থেকে আমাদেরকে মুক্ত হতে হবে। চাই ফরমালিনমুক্ত দেশ। মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ ফরমালিন বিষাক্ত একটি রাসায়নিক। যার মিশ্রণে বিষাক্ত হয়ে ওঠে যে কোন দ্রব্য। এই বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহারে অপরাধের তালিকা অন্তর্ভুক্ত হয়ে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। সেই ধ্বংসাত্মক রাসায়নিকটি হচ্ছে ফরমালিন। ফরমালিন আমাদের দেশে রাজনীতিতে ভর করছে। যে দেশের রাজনীতির ফরমালিন বিষাক্ত সে দেশের রাজনীতি স্বচ্ছ হতে পারে না। সে দেশের রাজনীতি জনগণের জন্য মঙ্গল বয়ে পারে না। দোহাই লাগে ফরমালিন মিশিয়ে রাজনীতিকে বিষাক্ত করে তুলবেন না। আমরা সুখ চাই, শান্তি চাই— ফরমালিনমুক্ত দেশে বসবাস করতে চাই। মন্জু খন্দকার চুয়াডাঙ্গা ফরমালিনযুক্ত রাজনীতি আমাদের দেশের পরিবেশকে সার্বিকভাবে নৈরাজ্যের দিকে টেনে নেবে। আমরা এমন ফরমালিনযুক্ত রাজনীতি চাই না। আমরা চাই স্বচ্ছ, সত্, আদর্শ রাজনীতি। মাসুদ আলম বিপ্লব উর্দ্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি সাংবাদিক সম্মেলনে ফরমালিন বিষয়ে যে কথা বলেছেন তা সত্য বটে। বিএনপি-জামায়াতের গত বছরের রাজনৈতিক সহিংসতার কথা ভুলিনি। ককটেল, মানুষ পোড়ানো, গাড়ি ভাংচুর, পোড়ানো, ক্ষয়-ক্ষতির কথা ভুলে যাইনি। এখন আবার নতুন করে তারা ষড়যন্ত্র করছে। তাই প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন— ফরমালিন দিয়েই আসলে বিএনপিকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা এতোদিন মানুষ জেনেছে খাদ্যদ্রব্যে— ফল, তরিতরকারি, মাছ, শাকসবজিতে ফরমালিন ব্যবহূত হচ্ছে। এখন নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে রাজনীতিতে ফরমালিন ব্যবহার। এটা অত্যন্ত সংশয়ের বিষয়। তাই আমরা এই সংশয় থেকে মুক্তি চাই। বাবুল মালিবাগ, ঢাকা ফরমালিনযুক্ত রাজনীতি চলছে, বিষয়টির আর্বিভাব নতুন। রাজনীতিবিদদেরও পচন ধরেছে তাহলে! এটা তো আশা করি না। নার্গিস নতুন পল্টনলাইন, ঢাকা রাজনীতি ও ফরমালিন এখন এক সূত্রে গাঁথা— এটা হতে পারে না। আমরা চাই না যে দেশে এ ধরনের নিয়ম তৈরি হোক তাহলে রাজনীতির মানদণ্ড থাকবে না। বিশ্বাস, সততা, আদর্শচ্যুত হয়ে পড়বে। আমাদের সেরকম প্রত্যাশা নয়। হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী ফকির হাট, নোয়াখালী দুই রাজনৈতিক দলকে বলছি জনগণের সঙ্গে ঠাট্টা-মশকরা কম করুন। আপনারা মনে করেন যে জনগণ বোকা অথবা দুর্বল। বাঙালি জাতি কিভাবে স্বাধীনতা লাভ করেছে তা আপনাদের জানা আছে। আপনারা জনগণের সেবা করুন। তা না হলে জাতি যদি খেপে ওঠে তখন আপনারা পালানোর রাস্তাও পাবেন না। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা এখনও মরে যাইনি। প্রয়োজনে জীবন দেবো— এ দেশকে রক্ষা করবো ইন্শাল্লাহ। সৈয়দ হায়দার আলী মহাখালী, ঢাকা সম্প্রতি রাজনীতিতে এসে গেছে ফরমালিন। সবার পরিচিত এই ফরমালিন। খাদ্য দ্রব্যের মধ্যে বিরাজমান ফরমালিন। দেশের রাজনীতিতে পচনশীল হওয়াতে এখন এই ফরমালিন ব্যবহার হচ্ছে। তাহলে এ বিষয় অবশ্যই সজাগ থাকতে হবে সবাইকে। মারুফুজ্জামান মারুফ বাসাবো, ঢাকা মাছে ফরমালিন, তরকারিতে ফরমালিন, সবজিতে ফরমালিন, ফলে ফরমালিন এখন রাজনীতিতেও এসে পড়েছে। এতেই প্রমাণ হয় আমাদের রাজনীতি কত নিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। যে বা যারাই ফরমালিন নিয়ে কটূক্তি করে থাকুন না কেন এতে করে সম্মান কারোরই বাড়ে না। অপর দিকে রাজনীতি যদি ফরমালিন দিয়ে বাঁচাতে হবে তাহলে সেটা রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরাই বলতে পারতেন ভালো। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মেকিয়াভ্যালি রাজনীতিকে অনেকটা শৃগালের ধূর্ততার সাথে তুলনা করেছেন। এই প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে রাজনীতিতে ফরমালিন প্রয়োগ মেনে নেয়া যায়। এ বিষয়টি আমাদের কাছে খুবই দুঃখজনক যে আমাদের রাজনীতি বাঁচাতে ফরমালিন প্রয়োগ করতে হবে। যদি আমরা রাজনীতিতে বেঁচে থাকার জন্য মহাত্মাগান্ধী, ফিদেল কাষ্ট্রো, বঙ্গবন্ধুর মতো ধৈর্যশীল এবং বিবেকবান রাজনীতিক পেতাম তাহলে এ কষ্ট আমাদের লাগতো না। যতটুকু জ্ঞান হয়েছে তার মধ্যে এ রকম অপমানজনক কথা সমপর্যায়ের ব্যক্তিত্বের প্রতি ছুঁড়ে দেয়া নিতান্ত দুঃজনক। শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার জন্য অনেক বেশি ত্যাগী মনোভাব এবং বুদ্ধিমত্তার পরিচয় রাখতে হবে। আমরা চাই ফরমালিনমুক্ত বাজার, ফরমালিনমুক্ত ফল, ফরমালিনমুক্ত তরিতরকারি, সবজি সেই সাথে ফরমালিনমুক্ত বুদ্ধি ও রাজনীতি। ওয়াহিদ মুরাদ নেসারাবাদ, পিরোজপুর রাজনীতি ও ফরমালিন প্রসঙ্গে বলতে গেলে প্রথমে বলতে হয় ফলমূল মাছের পচন রোধ করতে এই বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করে থাকে লোভী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী। কিন্তু রাজনীতিতে ফরমালিন কেন? তবে কি পচনশীল রাজনীতিকে পচন থেকে রক্ষা করার জন্য ফরমালিনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজনীতিতে ফরমালিন প্রসঙ্গকে তুচ্ছ ভাবা উচিত নয়। জাতিকে এ নিয়েও চিন্তা করতে হবে। শাহ মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন হিরো কালিহাতি, টাঙ্গাইল জীবিত মানুষের শরীরের জন্য ফরমালিন একটি অতি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ এটি কম-বেশি আমরা সকলে জানি। যখন এ বিষাক্ত পদার্থ নিয়ে কাউকে উদ্দেশ্যে করে কৌতুক করা হয়। তখন এটিকে আমরা কৌতুক না ভেবে ভাববো অসত্ ব্যবসায়ীদের খাদ্যেদ্রব্যে ফরমালিন ব্যবহার করা যেন কোন দণ্ডনীয় কাজ নয়। পক্ষান্তরে অসত্ ব্যবসায়ীদের ফরমালিন ব্যবহার করাকে উত্সাহিত করা হয়েছে। আমাদের দেশের কোন রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে ভেজাল আর বিষবিহীন খাদ্য নির্মূলের কোন কথা থাকে না। বিষাক্ত ফরমালিন কৌতুক নিয়ে ক্ষমতাধর আর ক্ষমতাহীন দায়িত্বপূর্ণ সকল দলের রাজনীতিবিদদের কাণ্ডজ্ঞানহীন কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি জনকল্যাণার্থে এখনই বন্ধ এবং খাদ্যদ্রব্য বিষমুক্ত ও রাজনৈতিক কলুষমুক্ত হোক এই কামনা করি। মো. লুত্ফর রহমান বাদল এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা ফরমালিন আমাদের কাছে খুবই পরিচিত রাসায়নিকের একটি নাম। শোনা যাচ্ছে এই রাসায়নিক এখন খাদ্যদ্রব্য থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছে। তাহলে এই রাসায়নিকের কতটুকু মূল্য আছে? আলমগীর নবাবগঞ্জ, ঢাকা রাজনীতিতে ফরমালিনের প্রবেশ কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এতে করে রাজনীতি আদর্শচ্যুত হয়ে গেছে রাজনীতি সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয় ও ফরমালিন অন্য বিষয়। রাজনীতিতে থাকতে হবে স্বচ্ছতা। মোটেই ফরমালিন আশা করা যায় না। আবদুল মালেক মিয়া মনিপুর, মিরপুর-২, ঢাকা ফরমালিন হচ্ছে একটি রাসায়নিকের নাম। এই রাসায়নিক খাদ্যদ্রব্য থেকে এখন ছড়িয়ে পড়ছে রাজনীতিতে। অত্যন্ত ভয়ংকর বিষয়। এই রাজনীতিতে যদি ফরমালিন সম্পূর্ণভাবে এসে যায় তাহলে আর কোন উপায় নেই। তাই এখনই এ ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মো. শহীদুল ইসলাম (রয়েল) নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া আমরা যেখানে মাছ, মাংস ও ফলমূলের ফরমালিনের যন্ত্রণায় বাঁচি না সেখানে আবার রাজনীতিতেও ফরমালিন যুক্ত হলে দেশ এবং জনগণ কিভাবে বাঁচবে? জনগণ এমনিতেই খুন-খারাপি, গুম, অপহরণ, সন্ত্রাস, দুর্নীতিতে প্রতিনিয়তই পিষ্ট হচ্ছে। সেখানে ফরমালিনযুক্ত রাজনীতি দেশকে সার্বিকভাবে নৈরাজ্যের জনপদে পরিণত করবে। আমরা ফরমালিন মুক্ত রাজনীতি চাই। ফরমালিন মুক্ত মাছ, মাংস ও ফলমূলও চাই। দয়া করে সব জায়গায় ফরমালিনের ব্যবহার বন্ধ করুন। দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে আমরা আগামীতে একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে শক্তিশালী সরকার চাই এবং দেশে সম্প্রীতির রাজনীতি চাই। ফরমালিনযুক্ত রাজনীতি চাই না। শাহ আলম খান সরল বাশখালী, চট্টগ্রাম প্রকৃতির স্বাভাবিকত্ব ফরমালিনের কৃত্রিমতার আবরণে বন্দী হয়ে বিষাক্তরূপ ধারণ করে এমনটাই আমরা সবাই জানি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে ফরমালিন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার কথা বলেছেন। কিন্তু আমি মনে করি শুধুমাত্র বিএনপি নয়, এই দেশের সকল জনগণকে এবং পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রব্যবস্থাকেই বর্তমান সরকার ফরমালিনের কৃত্রিমতার আবরণে বন্দী করে রেখেছে। আমরা মুক্তি চাই এমন পরিবেশ থেকে। মো. ফখরুল ইসলাম টিপু সেনবাগ, নোয়াখালী ফরমালিন ষোল কোটি মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আসলে আমরা ষোল কোটি জনতা মানুষের ক্যাটাগরিতে পড়ি কিনা এটা পরীক্ষা করার জন্য তদন্ত কমিটি দরকার। জানা মতে, অনেক নেতাকেই খুশি করবার জন্য কিছু লোক নিজস্ব খামার থেকে তাজা ফলমূল ও শাকসবজি তাদের বাসায় নিয়ে আসেন। এরপরও নেতাদের কোন শারীরিক সমস্যা হলে সিঙ্গাপুরের হাসপাতাল তো রয়েছেই। আমরা যে পরিমাণ ফরমালিন খাই তাতে আমরা মরে গেলেও অন্তত লাশ চব্বিশ ঘণ্টা পচবে না। মফিজুর রহমান ফকিরাপুল, ঢাকা ফরমালিন শুধু একটি মারাত্মক রাসায়নিক দ্রব্য নয়— জীবনের জন্যও মারাত্মক আতঙ্ক। মানুষের রক্তে ও শ্বাস-প্রশ্বাসে এর প্রতিক্রিয়া মিশে আছে। বিষাক্ত খাবার খেয়ে কিডনি, লিভার নষ্ট হয়ে মানুষ ধুঁকে ধুঁকে মরছে। ফরমালিন রাজনীতিবিদদেরও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। এই বিষাক্ত রাসায়নিক মানুষের মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটায়। রাজনীতিবিদদের এখনই উচিত এই ফরমালিনের ব্যাপারে কঠোর আইন জারি করা। রাজনীতি কোনদিন বন্ধ হবে না। বিকৃত রাজনীতি দেশের মঙ্গল বয়ে আনবে না। সরকার ও রাজনীতিবিদদের উচিত একত্রিত হয়ে এ বিষাক্ত ছোবল থেকে দেশ রক্ষা করে মানুষের শান্তি ফিরিয়ে আনা। আশা এলিজাবেত গোমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা ১১০০ রাসায়নিক দ্রব্যের অপ-প্রয়োগকারীরা যেমন ব্যবসা ক্ষেত্রে অসাধু ব্যবসায়ী বলে চিহ্নিত, তেমনি অরাজনৈতিক শব্দের যত ইচ্ছে ব্যবহারকারীরা অসাধু রাজনীতিক বলে বিবেচিত। সমাজের যে শাশ্বত নীতি আদর্শ মূল্যবোধ তাই দেশ ও জাতিকে সম্মুখ পানে এগিয়ে নেয়। নিয়তির নির্মম পরিহাস আজ সর্বত্র মূল্যবোধ লোপ পেতে বসেছে। রাজনৈতিকরাও তার বাইরে নন। এ কে এম শাহজাহান নরসিংদী বর্তমানে ফরমালিন আর রাজনীতি একসাথে চলছে। কোনটাই কম নেই। এদেশে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যেও রয়েছে ফরমালিনের বিষাক্ত রাসায়নিক। তাই এ থেকে রাজনীতিবিদদের সরে আসা দরকার। জাহাঙ্গীর খান বাবু সিরাজদীখান, মুন্সীগঞ্জ ফরমালিন ছিল এতোদিন খাদ্যদ্রব্যে। যা মানুষের অজানা ছিল না। কিন্তু এখন রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই রাসায়নিকের নাম এসে গেছে। কী ভয়ংকর। কী আশ্চর্য। এ থেকে এখন পরিত্রাণ দরকার। মো. হানিফ মিয়া মনেশ্বর লেন, হাজারীবাগ, ঢাকা আমার দৃষ্টিতে ফরমালিন মানেই রাসায়নিক বিষ। রাজনীতিতে এমনভাবে ফরমালিন ঢুকে পড়েছে যা আজ রাজনৈতিক নেতাদের মুখ থেকে বের হচ্ছে। তবে এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারণ রাজনৈতিক নেতাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ফরমালিন। তাই রাজনীতি বা ফরমালিনের দোষ কি তাতে? সুমন গৌরনদী, বরিশাল এখনও সুযোগ আছে বিষমুক্ত হওয়ার। রাজনীতি বিষযুক্ত ফরমালিন দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তাই বলে মৌসুমী ফলের সমারোহে কোন ফলে ফরমালিন দেয়া যাবে না। আমরা বিষমুক্ত ফলমূল খেতে চাই। ফারুক আহমেদ বাগমারা, রাজশাহী দুঃখ আজ আমাদের রাজনীতিতে এসে গেছে রাসায়নিক ফরমালিন। খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু হওয়া এই ফরমালিন এখন রাজনীতিতে। কোথায় গেলো দেশের বিবেকবান মানুষ? কোথায় গেলো সত্ মানুষের মিছিল? রাজনীতিতে এমন ফরমালিন থেকে অচিরেই উদ্ধার হতে হবে। মাসুম আহমেদ যাত্রাবাড়ী ঢাকা মাছ, তরিতরকারি, শাকসবজি থেকে শুরু করে এখন রাজনীতিতে ফরমালিন। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। যা কখনো প্রত্যাশিত নয়। কোথায় গেলো আমাদের বুদ্ধিমান রাজনীতিকগণ। আজ তাদের খুব প্রয়োজন। শাহীন ডিওএইচএস, মহাখালী, ঢাকা ফরমালিন বলতে আমরা বুঝি বিষাক্ত রাসায়নিক। সম্প্রতি রাজনীতিতেও এসে গেছে এই রাসায়নিকের প্রসঙ্গ। ফরমালিন খাদ্যদ্রব্যে ফলমূলের মধ্যে বিরাজমান থাকলেও আজ রাজনীতিতে এসেছে। এটা ভালো কোন লক্ষণ নয়। এই পচা রাজনীতি থেকে শীঘ্রই উদ্ধার হতে হবে আমাদের। সোহাগ ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ লেন, ঢাকা খাদ্য দ্রব্য থেকে এখন রাজনীতিতে ফরমালিন। সত্যি বিষয়টি অবাক করার মত। তবে আমরা প্রত্যাশা করি না যে রাজনীতিতে এই ফরমালিন সম্পূর্ণভাবে যুক্ত হোক। সুষ্ঠু রাজনীতি আমরা প্রত্যাশা করি। শিশির পিলখানা, ঢাকা দেশের প্রত্যেক মানুষের কাছে খুবই পরিচিত একটি বিষয় হচ্ছে ফরমালিন। আজ সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলমূল, তরিতরকারি, শাকসবজিসহ বিভিন্ন খাদ্যে রয়েছে এই রাসায়নিক। আবার এসে পড়েছে রাজনীতিতে। রাজনীতি আদর্শচ্যুত হতে বসেছে। এমনটা চাই না আমরা। বজলুল করিম রিসোর্স ইন্ট্রিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ধানমন্ডি, ঢাকা ফরমালিন একটি রাসায়নিকের নাম। আমাদের দেশে মানুষ এখন খুবই পরিচিত এই নামের সাথে। নিত্য দ্রব্যসামগ্রী থেকে শুরু করে সর্বত্র এই ফরমালিন। রাজনীতিতেও এই ফরমালিন! মোঃ মনির হোসেন মিরপুর, ঢাকা ফল, তরিতরকারি বা সবজিসহ বিভিন্ন খাদ্যকে দীর্ঘকাল তাজা রাখতে চাই ফরমালিন। সর্বত্রই এখন ফরমালিন যুক্ত হচ্ছে। নীতি আদর্শ সেবা ত্যাগ বিশ্বাস সত্ গুণাবলির বিষয়গুলো বাদ দিয়ে আজ ভেজালযুক্ত দেশে বসবাস করছি আমরা। কাজেই ফরমালিনযুক্ত দেশ চাই! সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে রাজনীতিক দল প্রসঙ্গে ফরমালিনের বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ স্টুডিও ফুজিয়া, মিরপুর-১, ঢাকা সত্যি ফরমালিন আমাদের দেশে নতুন কোন বিষয় নয়। গাছ পাকা ফলে ফরমালিনযুক্ত ফল বিক্রি হচ্ছে যত্রতত্র। বাজারে মাছ থেকে গরুর দুধ পর্যন্ত ফরমালিনযুক্ত। মিডিয়াতে আজ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ফরমালিন। অথচ এই ফরমালিনে জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য আজ হুমকির মুখে। এবার বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে পাল্টা খোঁচা দিলেন শেখ হাসিনা। বলেছেন, তারা নির্বাচনে অংশ না নিয়ে চেয়ারপার্সন নিজেই পচছেন, তাকে ফরমালিন দিয়ে তাজা রাখা হচ্ছে। আসলেই বিএনপি আজ নানাভাবে পচছে। এস. কে মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন, মিরপুর-২, ঢাকা আমাদের দেশের মানুষের জনজীবন অনেকভাবেই আক্রান্ত হচ্ছে। যা আজ বলে শেষ করা যাবে না। বিগত ৪৩ বছরে অনেক ধরনের পরিবর্তন হয়েছে দেশে। খাদ্যে ভেজাল এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। অন্যদিকে বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার পার্শ্ববর্তী চার নদীর পানি দূষণ ও দখলমুক্ত হয়নি। সবরকম খাদ্যে আজ বিষ মিশিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। আজ এটাই সবচেয়ে বড় মারাত্মক উদাহরণ। রাজনীতিতে আজ ফরমালিন ঢুকে পড়েছে। এটা আমাদের জন্য শুভকর ও সুখকর নয়। এ থেকে অচিরেই মুক্তি দরকার। আইরিন সুলতানা (মন্জু) ধুপপুর, মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম বিষাক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে এখন ব্যাপকভাবে শরীরে নানাধরনের মারাত্মক রোগ দেখা দিচ্ছে। এটা মানুষকে শারীরিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ঠিক তেমনি আমাদের রাজনীতিতে আজ ফরমালিন ঢুকে পড়েছে। যা খুবই ক্ষতিকারক। এ থেকে অতি শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে হবে। খায়রুল বাসার (চয়ন) কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন