বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৪, ২১:৪৮
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে জনমনে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের উন্নয়নশীল একটি দেশ। স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। এই সম্পর্ক অটুট থাকুক দুই দেশের জনগণ এই প্রত্যাশাই করে। সম্প্রতি মোদির জয়ে জনমনে কিছুটা সংশয় দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনরকম ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ পরিলক্ষিত হয়নি। দু’দেশের সম্পর্কের অবনতির মত কোন অবস্থা যাতে সৃষ্টি না নয়, সে ব্যাপারে দ্রুত কূটনীতিকদের আলোচনা করা উচিত। শরিয়তুল্লাহ, ২য় বর্ষ সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো গভীর হবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুই দেশের সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো গভীর হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। এশিয়া মহাদেশের উন্নয়নশীল দুই দেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। দক্ষিণ এশীয় সার্কভুক্ত ৮টি রাষ্ট্র বিশ্ব মানচিত্রে বন্ধুভাবাপন্ন বন্ধুসুলভ আচরণ করাই হবে ভবিষ্যতের একমাত্র পুঁজি। যাতে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি একে অন্যের প্রতি স্বার্থপরতা ভুলে হাত বাড়িয়ে সাহায্য করার মন-মানসিকতা সৃষ্টি হবে। অতীতেও ঢাকা-দিল্লি মধুর সম্পর্ক ছিল, ভবিষ্যতেও সেই মধুর সম্পর্ক থাকবে বলে আমার ধারণা। আজিমউল্যাহ হানিফ স্নাতক, ১ম বর্ষ, বিএসএস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক পরিবর্তন হতে পারে বিজেপির জয়, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কেমন হবে ও বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল গণতান্ত্রিক দেশ। আর ভারত একটি নিখুঁত শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে গোটা বিশ্বের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। যার প্রমাণ ভারতের জাতীয় নির্বাচন। যদিও নির্বাচনী বক্তৃতায় তিনি ভারত থেকে বাংলাদেশিদের তাড়িয়ে দেয়ার কথা বলেছেন। ভারতের নয়া প্রধানমন্ত্রী ১৬ কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষিত তিস্তা পানি বন্টন চুক্তি কার্যকর করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে রাজি করানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। আমি একজন শিক্ষার্থী হিসাবে বলব বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও ভালর দিকে পরিবর্তন হতে পারে। মিটুন দাস (স্বপন) ১ম বর্ষ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সরকারি গৌরনদী কলেজ গৌরনদী, বরিশাল। পারস্পরিক স্বার্থরক্ষার ভিত্তিতেই প্রতিবেশি দু’দেশের সামনে এগিয়ে চলা উচিত সম্প্রতি ভারতে অনুষ্ঠিত ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে ভারতীয় জাতীয় পার্টি (বিজেপি)। দিল্লির মসনদের মালিকানা কট্টরপন্থি সাম্প্রদায়িক দল বিজেপির হাতে চলে যাওয়ায় ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে সে দেশের মুসলমানদের মধ্যে। যেহেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারতের বিরাট অবদান রয়েছে তাই আমরা চাই প্রতিবেশী দেশের সাথে দক্ষ ও বিচক্ষণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। কাজেই বিরাজমান সীমান্ত, তিস্তার পানি বণ্টন, ট্রানজিট, ছিটমহল সম্পর্কিত সমস্যায় বাংলাদেশ সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। কারো কাছে মাথা নত করে নয়, বাংলাদেশের জনগণের ন্যায্য হিস্যা আদায় করেই ঢাকা-দিল্লি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। রেজাউল ইসলাম চৌধুরী ১ম বর্ষ ২য় সেমিস্টার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট। মোদি সরকারের কাজ ইতিবাচক হবে এমনটাই আশা করছি হিন্দুত্ববাদী নেতা হিসেবে মোদির পরিচিতি ব্যাপক। এই ক্ষেত্রে আমার যা মনে হয়, দায়িত্ব নেয়ার পর মোদি সরকার নেতিবাচক কোন কিছু করবে না। কারণ সব দলেরই ক্ষমতায় টিকে থাকার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকে, আর এই আকাঙ্ক্ষাই ইতিবাচক কাজ করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে যদি বলি মনমোহন সরকার কিন্তু বাংলাদেশকে খুব বেশী সাহায্য করতে পারেনি, বরং বাংলাদেশ থেকে অনেক সুবিধা পেয়েছে। কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালে ঢাকা-দিল্লীর সম্পর্কটা দারুণ ছিল কিন্তু সুবিধা ভাগাভাগির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল অনেকটা। এই ক্ষেত্রে মোদি সরকারের সহায়তার মাত্রাটা বেশী হতে পারে । মো. আবু সালমান (শুভ্র) ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, শাহ্?জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন