চারশ’ কোটিতে একবার...

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৪, ২১:৫৯
ওয়ান চান্স ইন এ মিলিয়ন তো নয়ই, এমনকি বিলিয়নেও নয়। বরং ওয়ান চান্স ইন ফোর বিলিয়ন। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, ব্রিটেনের বিস্ট্রলে এমন একটি পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে, যে পরিবারের পর পর ৪ প্রজন্মেই জন্ম নিয়েছে যমজ সন্তান! চিকিত্সাবিজ্ঞানের মতে, চারশ’ কোটির মধ্যে কেবল একটিমাত্র পরিবারে পরপর চার প্রজন্মেই যমজ শিশু জন্ম নেয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। এবার ঘটনার বিস্তারিত জানা যাক। সম্প্রতি যমজ শিশুর মা হয়েছেন মিলানি গন। নাম রেখেছেন জেসিকা এবং ক্লারা। এই দুই জমজ হচ্ছে চতুর্থ প্রজন্ম। প্রথম প্রজন্মে ১৯৩১ সালে জন্ম নিয়েছিলেন মিলানির দাদিমা জয়েস গার্রাড এবং তার জমজ বোন মার্গারেট। ১৯৫৩ সালে কিথ এবং কেভিন নামে দুই যমজ পুত্রসন্তান জন্ম দেন জয়েস। কেভিন ১৯৭৮ সালে মিলানি এবং তার যমজ বোন শেরিলের পিতা হন। এবার মিলানিরও যমজ সন্তান হলো। যমজ সন্তান জন্মের পরই মিলানি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জরুরি নথিপত্র জমা দিয়েছেন। মিলানি জানিয়েছেন, প্রথম স্ক্যানে যমজ সন্তানের খবর পেয়ে তিনি মোটেও বিস্মিত হননি। তাঁর স্বামী ক্রিস্টোফার এই খবরে আনন্দে চমকে উঠেছিলেন। যমজ মেয়েকে জন্ম দেয়ার আগে মিলানির বেন্টলি নামে একটি ছেলে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বেন্টলি হওয়ার সময়ে আমি ভেবেছিলাম যমজ হবে। কারণ আমি একটিমাত্র সন্তানের আইডিয়া পছন্দ করি না। আমার মনে হয় না যমজ সন্তানের দেখাশোনা করা খুব কঠিন।’ মেয়ের যমজ হওয়ায় খুশি মিলানির বাবা কেভিন। উচ্ছ্বসিত মিলানি বলেন, ‘বাবা সবসময় বলতেন, যমজ সন্তান হওয়ার আলাদা খুশি রয়েছে। নিজেকে খুব স্পেশ্যাল মনে হচ্ছে। আমি এবং আমার বোন জানতাম, আমাদের মধ্যে একজন যমজ সন্তানের মা হবে। আমার মেয়েদের যমজ সন্তান হলেও আমি আরও খুশি হব। তারা আমাদের পরিবারের ঐতিহ্য বজায় রাখবে।’ বিষয়টি নিয়ে শিগগির টিভিতে প্রতিবেদন দেখানো হবে।