বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৪, ২১:৩০
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন প্রভাব ফেলবে না প্রতিটি দেশকেই তার দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হলে অন্যান্য দেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হয়; বিশেষত প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে। তাই একজন তরুণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, ভারতে বিজেপির বিজয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলবে না। কারণ প্রতিটি সরকার তার নিজের দেশের উন্নয়নের কথা ভেবেই রাষ্ট্র পরিচালনা করে থাকেন। তাই আমার মনে হয়, উভয় সরকার যার যার দেশের কল্যাণের কথা ভেবে নিজেদের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম হবেন। আর আমরা কিছুটা হলেও তার অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছি। মিথুন দাস শিক্ষার্থী, ইউডা ০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি যে সম্পর্ক বিদ্যমান, তা বজায় থাকবে ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়। এটা নিয়ে আমাদের দেশের সরকারি দল এমনকি এদেশের কিছু বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষিত সমাজ সংশয় প্রকাশ করছেন। আমি মনে করি, সংশয়ের কোন কারণ নেই। কারণ বাংলাদেশ তার পার্শ্ববর্তী একটি উন্নয়নশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্বের মাঝে যেমন সমাদর ঠিক তেমনি তার কাছেও কদর আছে। সম্প্রতি খবরে জানতে পারলাম যে, মোদীর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুনের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে আসছে। আশাকরি, ঢাকা-দিল্লি যে সম্পর্ক বিদ্যমান তা বজায় রাখবে। কামরুন নাহার শিক্ষার্থী, ইডেন মহিলা কলেজ ০০০০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও ঘনীভূত হবে প্রতিবেশী দেশ হিসাবে ওদের সহায়তা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখে। নবনির্বাচিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিপুল ভোটে ক্ষমতার আসনে সমাসীন হয়েছেন। প্রতিবেশী দেশ হিসাবে পূর্বের ন্যায় আশা করা যায় তিনিও সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ হাত বাড়িয়ে দেবেন বাংলাদেশের প্রতি যথারীতি- এমনটাই প্রত্যাশা রাখি। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো ঘনীভূত হবে, পূর্বের ন্যায় সুসম্পর্ক অটুট থাকবে—এমনটাই ভাবনা আমার। সাইদুর রহমান শিক্ষার্থী, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ০০০০০০০০০০০০০০০ প্রতিবেশীর সাথে ভাল সম্পর্ক ছাড়া কোন দেশ উন্নতি সাধন করতে পারে না ভারত সরকার পরিবর্তনের সাথে-সাথেই মুদ্রানীতি ছাড়া পররাষ্ট্রনীতির বিশাল কোন পরিবর্তন করে না। রাজনীতিতে চিরস্থায়ী শত্রু বা মিত্র বলে কিছু নেই। প্রতিবেশীর সাথে ভাল সম্পর্ক ছাড়া কোন দেশ বা জাতি উন্নতি সাধন করতে পারে না। বিজ্ঞ মোদী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সরকার প্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি তা প্রমাণ করেছেন ও একটি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে- তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে আন্তরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে রাষ্ট্রপ্রধান ও কূটনীতিক পর্যায়ে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তাই ভারতের নিজ স্বার্থেই, ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক ভাল হবে। জিলফুল মুরাদ শিক্ষার্থী, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি ০০০০০০০০০০০০০০০ নতুন সরকার আসায় বাংলাদেশ আরো সমৃদ্ধশালী হবে ভারত একটি উন্নয়ন-মূলক রাষ্ট্র। তারা আমাদের সহোদর প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসাবে অনেক উন্নতি সাধন করে থাকে। যেমন ঃ ব্যবসা-বাণিজ্য কূটনৈতিক সম্পর্ক অনেক ফলপ্রসূ। সার্বিকভাবে সহযোগি-তার হাত বাড়িয়ে দেয়। নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। বিজেপির ক্ষমতা গ্রহণ নতুন ভাবে বাংলাদেশকে আরো সমৃদ্ধশালী করবে। খাইরুল আলম বি এ অনার্স দশম সেমিস্টার ইসলামিক স্টাডিস বিভাগ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ০০০০০০০০০০০০০০০ অধিকার চাই বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার মোদীকে নিয়ে বাংলাদেশের মিডিয়া যত মাতামাতিতে মত্ত থাকুক না কেন, মোদীর এ ব্যাপারে কোন মাথা ব্যথা নেই। মমতা ব্যানার্জির মতো নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদই বাংলা-দেশের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধ অপরিকর। সেখানে মোদীর কাছে কিছু আশা করা সম্পূর্ণই শাপে বর। তবুও আমরা চাই মোদীর রাজত্বে বাংলার ফেলানিরা বৈদ্যুতিক তারে বাদুড়ের মতো ঝুলে না থাকুক। কোন বাংলাদেশি বিএসএফ-এর গুলিতে বলির পাঁঠা না হোক। বাংলাদেশের কোটি প্রাণের অস্তিত্বের দাবি তিস্তার পানি চুক্তি আন্তর্জাতিক নদী আইনে সফল বাস্তবায়ন ঘটুক। ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ার প্রতিদানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলব- ওহে নরেন্দ্র মোদী, তোমার প্রতি আশীর্বাদ নিরবধি। মুহাম্মাদ হাবিবুর রহমান অনার্স শেষ পর্ব ইংরেজি বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন