ওয়াজিরিস্তানে
জঙ্গিবিরোধী
হামলা
ওয়াজিরিস্তানে জঙ্গি বিরোধী হামলার বিষয়ে আফগানিস্তানের সহযোগিতা চেয়ে অনুরোধ করেছে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। ওয়াজিরিস্তানে হামলার দ্বিতীয় দিনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের সাথে টেলিফোনে এ বিষয়ে আলোচনা করেন।
টেলিফোন সংলাপে জঙ্গি বিরোধী বিমান হামলার প্রেক্ষিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলাপ করেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। ওয়াজিরি-স্তানে জঙ্গি বিরোধী হামলা চালানোর সময় সীমান্ত দিয়ে তালেবান জঙ্গিরা যাতে আফগানিস্তানে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা নিতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
করাচিতে তালেবান হামলার পরদিন থেকেই সেনাবাহিনী ওয়াজিরিস্তানে বিমান হামলা শুরু করে পাকিস্তান। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দুই দিনের হামলায় এখন পর্যন্ত ১৭০ জঙ্গি এবং ছয় জন সেনা নিহত হয়েছে। উপজাতীয় মুসলমান অধ্যুষিত পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর ওয়াজিরিস্তানে তালেবান জঙ্গি বিরোধী হামলার জন্য ঐ অঞ্চলে ট্যাক, বিমান এবং পদাতিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ওয়াজিরিস্তানের প্রধান শহর মিরানসাহসহ বেশ কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
সোমবার পার্লামেন্টে নওয়াজ শরীফ বলেন, বিমান হামলার বিষয়টি খুবই জরুরি হয়ে পড়েছিল। কারণ শত্রুরা আমাদের সামনে বিকল্প কোন রাস্তা খোলা রাখেনি। আমরা কোন কিছুর বিনিময়েই পাকিস্তানকে আর সন্ত্রাসের আশ্রয়স্থল হতে দিতে পারি না। সারা বিশ্ব জানে তালেবানদের সাথে শান্তি আলোচনার জন্য আমরা কতটা আন্তরিক ছিলাম। শান্তি আলোচনার পথ তৈরি করতে চাইলেও তারা ঠিকই তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ অব্যাহত রেখেছে। এটা খুবই দুঃখজনক, গত সাড়ে চার মাসে তারা শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিন্দুমাত্র কোন ভূমিকাই রাখেনি।
