ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্ক হবে
আরো মধুর
যেহেতু বিজেপি দলটি একটি সাম্প্রদায়িক দল। তাই এদের ব্যাপারে এইটুকু বলা যায়, তাদের স্বার্থে যখন আঘাত আসবে তখন আমাদের দেশের সাম্প্রদায়িক তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এক ধরনের উগ্র সাম্প্রদায়িকতাকেই উস্কে দেবার চেষ্টা করবে। তবে বর্তমানে যা দেখা যাচ্ছে মোদী সরকার এমনটি করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি না। কারণ প্রতিবেশী দেশ হিসাবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটাবে না। কারণ মোদী সরকারের জন্যই বাংলাদেশের দরকার আছে। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক হবে মধুর।
হাফিজা আক্তার
মনোবিজ্ঞান বিভাগ
৪র্থ বর্ষ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
০০০০০০০০০০০০০০
ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্ক আরো
গভীর হয়ে উঠবে
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক সব সময়ই ভাল ছিল, এখনও ভাল থাকবে। বর্তমানেও এ সম্পর্ক খারাপ হবে না। আগামী ২৪ জুন ভারতের দ্বিতীয় মহিলা বিদেশমন্ত্রী সুষমা সরাজ বাংলাদেশে আসছেন। সুষমার প্রথম বিদেশ সফরে বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে মোদী বুঝিয়ে দিলেন, ঢাকাই দিল্লির সর্বোত্তম কুটুম। ভারসাম্য অটুট রাখাই মোদীর ঘোষিত সুশাসন ও পররাষ্ট্রনীতির ধর্ম। তাই বর্তমান সরকারের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হওয়া উচিত আমাদের উত্তরাঞ্চলকে বাঁচানো। যেখানে হাজারো কৃষকের প্রধান জীবিকা চাষাবাদ। তাই এই তিস্তাকে বাঁচাতে হলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল সেই চুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন হওয়া উচিত। আশা করি মোদী সরকারের সময় আমরা তা দেখতে পাবো। আমার বিশ্বাস সুদৃঢ় বন্ধুত্বের মাধ্যমে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো গভীর হয়ে উঠবে।
তানাজ পাপিয়া
লোকপ্রশাসন বিভাগ
৩য় বর্ষ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
০০০০০০০০০০০০০০০
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক একটি
স্থায়ী বিষয়, রাজনৈতিক
দৌড়ঝাঁপের কিছু নয়
উন্নত বা উন্নয়নশীল কোন দেশের জন্য সরকার পরিবর্তনে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে বদলিয়ে দেয়া ঠিক নয়। কারণ কোন সরকার ক্ষমতায় আসে নির্দিষ্ট কিছুকাল দেশ সেবার জন্য। আর কোন দেশ চলে শত বছর বা হাজার বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে। তাই সরকার পরিবর্তনে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিবর্তন ঐ দেশের উন্নয়নের গতিকে ব্যহত করে। ভারতের মোদী সরকারের ক্ষেত্রেও বিষয়টি প্রযোজ্য। আর এই জন্যেই মোদী নির্বাচিত হওয়ার পর কংগ্রেস মোদী সরকারকে প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে কূটনৈতিক বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে গেছে। ভারতের মসনদে যেই আরোহণ করুক তিনিই চাইবেন নিজ দেশের স্বার্থ রক্ষা করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করতে। আর তারই অংশ হিসাবে বাংলাদেশের সাথে ভারতের অমিমাংসিত ইস্যুগুলি সমাধান করা হবে।
মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ
২য় বর্ষ, দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।
০০০০০০০০০০০০০০০০
ক্ষমতা কিংবা মোদী কোন
বিষয় নয়, দিল্লির সম্পর্ক আগের মতই থাকবে
কংগ্রেসের পরাজয়ে বাংলাদেশের এক বিশেষ শ্রেণীর ব্যক্তিরা যেমনটা খুশি তেমনটি আশাবাদী মোদী সরকার নিয়ে। বলতে গেলে, মোদী যেন তাদের নির্বাচিত সরকার (!) যে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সাহয্য করবে, যার ফলে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক হবে নতুন ধারায়। এখন আমার মন্তব্য হচ্ছে ভারতে যেই সরকার আসুখ না কেন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক চলবে নড়ে-চড়ে ঠিক আগের মতই। কারণ, ঐ দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা আমাদের দেশের রাজনৈতিকদের মত আমিত্ববাদি না। ওনারা দেশ ও জনগণের সেবার জন্য নির্বাচিত ব্যক্তি, তারা প্রতিজ্ঞাও করে দেশ ও জনগণের কল্যাণের জন্য এবং কাজও করে ঠিক প্রতিশ্রুতির মত। তাদের কাছে বাংলাদেশ কিংবা এই দেশের বিশেষ কোন রাজনৈতিক দল কোন বিষয় না। তারা যতটুকু পাওনা পূর্বের মতো আদায় করে নিবে, যতটুকু দেওয়ার ঐ টুকুই দিবে আর ঠেকে গেলে মনমোহন সিং-এর কাছে গিয়ে বলবে, ‘দাদা, এখন কি করব?” বিষ্ময়কর হলেও সত্য যে তারা জন্ম ও আদর্শ সূত্রে একই সুতায় গাঁথা! কাজেই তারা প্রয়োজনে বাংলদেশকে কাছে রাখবে প্রয়োজন শেষে দূরে সরাবে।
রকাশ বিএস
২য় বর্ষ বিবিএস, পটিয়া সরকারি কলেজ
পটিয়া, চট্টগ্রাম।
০০০০০০০০০০০
বিজেপির জয়ে ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্কে কোন নেতিবাচক
প্রভাব ফেলবে না
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, ভারত অর্থনীতিতে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দেশগুলোর তালিকায় ইতিমধ্যে স্থান করে নিয়েছে। আর মোদী সরকার যদি তাদের এ সমৃদ্ধি ধরে রাখতে চায় তাহলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। কেননা প্রতিবেশী দেশের সাথে সুসম্পর্ক ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। এর প্রমাণ মেলে মোদী সরকার নির্বাচনে জয়ের পর স্পীকার শিরিন শারমিন ভারত সফরের মধ্য দিয়ে। এবং নরেন্দ্র মোদীও তাকে সর্ব প্রথম বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। এছাড়া বিজেপি নেতারাতো বলেছেন ভারতের নতুন সরকারের সাথে বাংলাদেশের সুসর্ম্পকের কোন হানি হবে না। যদিও নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে বাংলাদেশকে নিয়ে মোদী যে বিতর্কিত কথা বলেছেন। বিশ্লেষকদের মতে তা নিতান্তই ছিল তার নির্বাচনী কৌশল । তাই বলা চলে বিজেপির জয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে কোন নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
ফারজানা বিবি
রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ
মাস্টার্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
