[ ম নী ষা]

সমাজতন্ত্রের ‘সরদার’:অসাধারণ এক সাধারণ মানুষ

আপডেট : ২২ জুন ২০১৪, ২০:৫৭
নাম তার সরদার ফজলুল করিম। একজন অনন্য পণ্ডিত, প্রজ্ঞাবান, জ্ঞান তাপস ও নিবেদিতপ্রাণ বিপ্লবী। গত ১৫ জুন রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ৭৯ বছরের এক সার্থক জীবন সমাপন করে এই জগত্ থেকে তিনি চিরবিদায় নিয়েছেন। বেশিরভাগ মানুষ তাঁকে সম্বোধন করতো ‘সরদার স্যার’ অথবা শুধু ‘স্যার’ বলে। অবশ্য আমরা কেউ-কেউ তাঁকে আগাগোড়াই ‘সরদার ভাই’ বলে ডাকতাম। কখনো-কখনো আবেগঘন হয়ে ‘কমরেড’ বলে সম্বোধন করতাম। তাঁর শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করার একদিন আগে ১৩ জুন বিকেলে শমরিতা হাসপাতালে সিসিইউর বেডে তাঁকে যখন আমি শেষ দেখা দেখেছিলাম—তখন প্রায় সম্পূর্ণ চেতনাহীন মানুষটির সামনে দাঁড়িয়ে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে কয়েকবার জোরে উচ্চারণ করেছিলাম ‘লাল সালাম, কমরেড!’। ডাক্তার-নার্সরা পাশে ছিলেন। স্পষ্ট মনে হয়েছিল, আমার ‘কমরেড’ ডাকে তাঁর প্রায় বুজে থাকা চোখ দু’টি কেমন যেন পিট-পিট করে উঠেছিল। ডাক্তার সাহেব বলেছিলেন যে, সরদার ভাইর চেতনার মাত্রা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। এর মাঝেই হঠাত্-হঠাত্ কিছু রেস্পন্সের সামান্য আভাস ঝলকে ওঠে। হয়তো ‘কমরেড’ ডাক শুনে সেদিন তাঁর তেমনটাই হয়েছিল। সরদার ভাই ছিলেন একহারা গড়নের হালকা-পাতলা দেখতে ছোটখাটো একজন মানুষ। চোখের দেখায় মোটেও দৃষ্টিতে পড়ার মতো একেবারেই নয়। কিন্তু তাঁর দৈহিক আকার ও অবয়বের বিপরীতে তাঁর উদ্দীপ্ত প্রাণশক্তির পরিমাণ ছিল অসাধারণ উঁচুমাত্রার। অতি সাধারণ প্যান্ট-শার্ট পরিধান করে স্যান্ডেল পায়ে তিনি বাইরে চলাফেরা করতেন। চোখে পুরু ফ্রেমের চশমা। কাঁধে ঝোলানো থাকতো কাপড়ের একটি ব্যাগ। তিনি প্রচুর হাঁটতেন। হাঁটতেন ছন্দবদ্ধ গতিতে, ঋজু ভঙ্গিতে, আনত চোখে পথের পানে দৃষ্টি রেখে। অনেক মানুষের মাঝে সহজে চোখে পড়ার মতো কোনো দেহ-বৈশিষ্ট্য তাঁর ছিল না। কাঁধে কাপড়ের ঝোলা-ব্যাগধারী মানুষকে নিশানা করে তাঁকে খুঁজে নিতে হতো। যতোটা ছোটখাটো ছিল সরদার ভাইয়ের শারীরিক গঠন—ঠিক তেমনই বিপরীতরূপী অসাধারণ বড়মাপের ছিল তাঁর মুখ ও লেখনি নিঃসৃত বচন। শুধু ভঙ্গির দিক থেকেই নয়, বিষয়বস্তু ও মর্মের দিক থেকে তার বচনগুলোর গভীরতা ছিল খুবই উঁচুমাপের। তিনি কথা বলতেন স্পষ্ট ও বলিষ্ঠ উচ্চারণে, তেজোদ্দীপ্ত ভঙ্গিতে, অস্পষ্টতা না রেখে। অল্প কথা—কিন্তু তার সারবস্তু প্রগাঢ়। তাঁর কথার মতোই সাবলীল ও বলিষ্ঠ ছিল তাঁর লেখনির ভাষা, ভঙ্গি ও নির্যাস। সাধারণ শব্দচয়নে, ভাষা প্রয়োগে ও ছোটখাটো ঘটনা বা কথাবার্তা তুলে ধরার মধ্যদিয়ে তিনি উপস্থিত করতে পারতেন প্রজ্ঞাময় জ্ঞানের অমূল্য উপাদান-ঝিনুকের মাঝে মুক্তোর মতো। সরদার ভাই ছিলেন একজন অতি ‘সাধারণ’ মানুষ ও একইসাথে ‘সাধারণদের’ একজন মানুষ। সমাজে সাধারণত এ ধরনের মানুষ খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না। সেই বিচারে তিনি ছিলেন একজন ‘অসাধারণ’ মানুষ। তাই বলা যায় যে, সরদার ভাই ছিলেন একজন ‘অসাধারণ সাধারণ-মানুষ’। তিনি অতি সাধারণ ও সহজ-সরল জীবন-যাপন করতেন। বাহুল্য আরাম-আয়েশ বা খরচপাতি করাটা ছিল তাঁর স্বভাববিরুদ্ধ। যেখানে সাধারণ মানুষ আছে, সেখানে বিচরণ করতে পারলে তিনি পেতেন বিশেষ আনন্দ। মানুষের সান্নিধ্য পেলেই তিনি তার সাথে ‘কথোপকথন’ শুরু করে দিতেন। সাধারণ মানুষের সাথে এসব কথোপকথন হয়ে উঠতো তার জ্ঞান ও প্রজ্ঞার উত্স। সঞ্চিত জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সেই ভাণ্ডারকে তিনি উজাড় করে দিতেন তাঁর চতুর্দিকের মানুষের মাঝে। ‘সরদার ভাই, কেমন আছেন?’—এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি একটি প্যাটেন্ট উত্তর দিতেন। বলতেন—“ ‘কেমন’-এর মাঝখানের ‘ম’টা কেটে দাও। জিজ্ঞেস করো—কেন আছেন?” এই অসাধারণ ছোট্ট কথার মধ্যদিয়ে তিনি অনেক গভীর চিন্তা উস্কে দিতেন। এর দ্বারা তিনি মানুষের ভাবনাগুলোকে নাড়া দিয়ে জাগিয়ে তোলার একটি বুদ্ধিবৃত্তিক পটভূমি রচনা করে দিতেন। ‘কেমন আছেন?’ প্রশ্নের এরূপ জবাব পেয়ে প্রশ্নকর্তার মনে তীক্ষভাবে এ প্রশ্ন নিয়ে আলোড়ন উঠতো—ঠিকই তো, ভেবে দেখতে হয় ‘কেন আছি?’। সমাজের বিদ্যমান অবসবাসযোগ্যতা, অমানবিকতা, নৈরাজ্য সম্পর্কে একইসাথে তা জাগিয়ে তুলতো প্রতিবাদ-প্রতিরোধের প্রেরণা। ভাবিত করে তুলতো একজন মানুষের বেঁচে থাকার সার্থকতা সম্পর্কিত প্রশ্নের দার্শনিক জবাবের বিষয়ে। সরদার ভাই জন্মদিন পালনের প্রশ্নে বেশ অনাগ্রহী ও বিরূপ মনোভাবাপন্ন ছিলেন। এটি হয়তো প্রধানত তাঁর নিভৃতচারিতা, প্রচারবিমুখতা ও বিনয়ের কারণে হতো। তাঁর জীবনের শেষদিকে আমরা তাঁকে না জানিয়ে ও কিছুটা জবরদস্তি করে ১ মে তারিখে তাঁর জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে ছোট-বড় অনুষ্ঠানে একত্রিত হতাম। সেরকম একটি অনুষ্ঠানে তিনি একবার আমাদের প্রতি এভাবে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন—“জন্মদিন আবার কি? মানুষের জন্ম হয় কবে? আমি নিজেই কবে জন্মাবো? আমার মৃত্যুর মধ্যদিয়েই না আমার জন্ম হবে।” জন্ম-জীবন-মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অনন্ত জিজ্ঞাসার বিষয়টির প্রতি তিনি এভাবে আমাদের মনোযোগ জাগিয়ে তুলতেন। মৃত্যু নিয়ে সরদার ভাই আরো কথা বলতেন। তিনি বলতেন—“রাম-রহিমের মৃত্যু আছে। কিন্তু ‘মানুষের’ কোনো মৃত্যু নেই।” এই কথার অন্তর্নিহিত অর্থের মাঝে স্পষ্ট ছিল জীবন সম্পর্কে তাঁর একটি প্রগাঢ় সদর্থক আশাবাদ। ব্যক্তি মানুষের মৃত্যু আছে, কিন্তু তার স্বপ্নের-জীবনাদর্শের-কর্মের কোনো মৃত্যু নেই—এই উক্তির মধ্যদিয়ে সে সত্যটিই সরদার ভাই তুলে ধরতেন। তিনি এ শিক্ষাই দিতে চেষ্টা করতেন যে, জন্ম-মৃত্যুর রহস্য ভেদের চেষ্টায় লিপ্ত না থেকে প্রতিটি মানুষের আসল কাজ হওয়া উচিত স্বপ্ন দেখা, স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়া এবং মহত্ জীবনাদর্শের ধারায় নিজেকে পরিচালনা করা। শ্রমজীবী মানুষের প্রয়াসে সভ্যতা সৃষ্টি ও সৃজিত হয়—এই বিষয়টির প্রতি সরদার ভাইয়ের ছিল দৃঢ়প্রত্যয়। তাদের পেশী ও মগজের শ্রম, তাদের সংঘবদ্ধ ও জাগরিত হয়ে ওঠার মাঝেই তিনি অবলোকন করতে সক্ষম হতেন বিপ্লবের হাতছানি ও মুক্তির নিশানা। সরদার ভাই লিখেছেন—“এক সময়ের অবরোধবাসিনী, এ সময়ের গার্মেন্টস শ্রমিক। তারা প্রতিদিন ভোরে উঠে রাজপথ ধরে হেঁটে যায়। এরা শ্রমিক। এদের শ্রমে দেশ ও অর্থনীতি চলে। ফলে আমি বলি—রাজপথে গার্মেন্টস শ্রমিক হাঁটে মানে, প্রতিদিন সকালে বিপ্লব হেঁটে যায়”। ছোট-ছোট গ্রাম্য বালিকা-কিশোরীদের লাখে-লাখে গার্মেন্টস শ্রমিক হয়ে ওঠার মাঝেই ঘটে চলেছে একটি বিপ্লব। তারই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে চলেছে বৃহত্তর সামাজিক বিপ্লবের পথে পদযাত্রা। রাজপথে গার্মেন্টস শ্রমিকদের এই দল বেঁধে হেঁটে যাওয়াটাই সরদার ভাইয়ের দৃষ্টিতে বিপ্লবের অগ্রযাত্রার স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি। সরদার ভাই মাঝে-মধ্যেই বলতেন— “এই যে সরদারকে দেখছো, একদিন সরদার থাকবে না। থাকবে মানুষ।” সরদার ভাইয়ের সেই ‘মানুষ’ আদতে কি? তাঁর কাছে ‘মানুষ’ হচ্ছে একটি আদর্শিক পাটাতন। সে পাটাতন তৈরি হয়েছে কমিউনিস্ট রাজনীতির দর্শনের প্রতি তার উপলব্ধিগত একাত্মতা থেকে। তিনি ‘মানুষকে’ গণ্য করতেন শ্রেণি-সংগ্রামের সামাজিক পাটাতন হিসেবে। সেই সমাজের, যে সমাজে আলাদা-আলাদা প্রতিটি মানুষ ‘সমান-ভাবে’ বাঁচবে। বাঁচার ‘সমান-অধিকার’ নিয়ে থাকবে। সরদার ভাইয়ের প্রায় সব কথায়ই একটি গভীর দার্শনিক উপাদান থাকতো। তিনি বলতেন, “দর্শনের কাজ হলো প্রথমে দেখা। তারপরে প্রশ্ন করা। প্রশ্ন করার মধ্যদিয়ে সেই দেখাকে আরো স্পষ্ট ও গভীর করা।” তিনি বলতেন, “বুঝতে হলে প্রশ্ন করা শিখতে হবে। জিজ্ঞাসা ছাড়া চিন্তার জগতে বদল ঘটানো যায় না। শুধু চিন্তায় বদলই নয়, সমাজ বদলও ঘটানো যায় না। তুমি যদি না জানো, না বোঝো, না শোনো, না শেখো— তাহলে রাজনীতি করবে কিভাবে? জানতে হলে, শিখতে হলে প্রশ্ন করতে হবে।” আলাপচারিতার সময় সরদার ভাই ক্রমাগত নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করতেন। অন্যদেরকে প্রশ্ন করতে প্ররোচিত করতেন। নিজেই আবার সেসব প্রশ্নের জবাব দিতেন। জবাব দিতে দিতে নতুন প্রশ্ন হাজির করতেন। অনেকটা গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিসের কায়দায়। সরদার ভাই প্রায়শই বলতেন— “এই যে আমাকে দেখছো, আমি হচ্ছি সরদার ফজলুল করিম। আমার এই জীবনের জন্য আমি আমার বাবা-মার কাছে ঋণী। তারাই আমার জীবনদাতা। আমি কৃষকের ছেলে। কৃষি দিয়ে আমি আমার জীবন শুরু করেছি। আমার সমস্ত সত্তায় ছড়িয়ে আছে কৃষকের অস্তিত্ব। আমি যা বলছি, তোমরা যা শুনছো তার ভেতর সেই কৃষক-প্রাণ। আমার কথা বুঝতে হলে তোমাদেরকে মানুষের কাছে যেতে হবে। প্লেটো, এরিস্টটল, সক্রেটিসদের কাছে যেতে হবে। তাদের লেখা পড়তে হবে। আরো আরো বই পড়তে হবে। সবচেয়ে বড় কথা—কৃষকের কাছে যেতে হবে। আমার শিক্ষকের কাছে যেতে হবে।” সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদের প্রতি সরদার ভাইয়ের ছিল সুদৃঢ় আস্থা। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর তিনি বলতেন— “আর কেউ যদি নাও থাকে, আমি একা হলেও কমিউনিস্টই থাকবো।” সমাজতন্ত্রের ভবিষ্যত্ নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলতেন তাদেরকে তিনি বলতেন—“সমাজতন্ত্র একদিন হবেই। লক্ষ বছর লাগতে পারে, কিন্তু সমাজতন্ত্র আসবেই। মানুষ যদি সত্য হয়, তবে সমাজতন্ত্র সে সত্যের অনিবার্য পরিণতি।”একই সাথে সরদার ভাই বলতেন— “সমাজতন্ত্র নেই কে বললো? সমাজতন্ত্র তো আছেই। প্রতিটি পরিবার চলে সমাজতন্ত্রের নিয়ম অনুসরণ করে। ‘ফ্রম ইচ এ্যাকর্ডিং টু হিজ এ্যাবিলিটি- টু ইচ এ্যাকর্ডিং টু হিজ নীডস’— অর্থাত্ ‘প্রত্যেকের কাছ থেকে তার সাধ্যানুসারে এবং প্রত্যেককে তার প্রয়োজন অনুসারে’। কমিউনিজমের এই বিধানই হলো প্রত্যেক পরিবারের প্রাথমিক সংবিধান।” সরদার ভাই সত্য কথাটিই বলেছেন। সব পরিবারই হলো এক অর্থে সমাজতন্ত্রের এক-একটি জীবকোষের মতো সংগঠন বা ইউনিট। কার্ল মার্কস যেমন গভীর অন্তর্দৃষ্টি সহযোগে সবচেয়ে আগে ‘পণ্যকে’ পুঁজিবাদের একক কোষ বা ইউনিট হিসেবে বিবেচনা করে গোটা পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিশ্লেষণ শুরু করেছিলেন, সরদার ভাই তেমনই ‘পরিবারের’ মধ্যে কমিউনিজমের কোষ লুক্কায়িত রয়েছে বলে বিশ্লেষণ করেছেন। একটু ভাবলেই বোঝা যায়, পরিবারের অভ্যন্তরে তার সদস্যদের ‘ব্যক্তিগত মালিকানা’ বলে কিছু নেই। একান্ত নিজস্ব ব্যবহারের কিছু জিনিসপত্র বাদ দিলে বাকি সবকিছুই যেখানে পরিবারের সদস্যদের যৌথ সম্পত্তি। কাগজে-কলমে দলিলপত্রে হয়তো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নামেই সম্পত্তির মালিকানা লেখা হয়ে থাকে। কিন্তু সেটি একান্তই সমাজের শোষণমূলক চরিত্র ও বিধি-বিধানের কারণে। কিন্তু কার্যত সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার থাকে যৌথভাবে পরিবারের সব সদস্যদের হাতে। কমিউনিস্ট হিসেবে সরদার ভাইয়ের ছিল প্রচণ্ড গর্ববোধ, বিপুল অহংকার। তিনি বলতেন—“আমি একজন কমিউনিস্ট। এবং আমৃত্যু আমি একজন কমিউনিস্ট থাকবো।” একজন কমিউনিস্টকে তিনি খুবই উঁচু মর্যাদার চোখে দেখতেন। তিনি বলতেন—“একজন প্রকৃত ‘মানুষ’ সবসময় কমিউনিস্ট ও বিপ্লবী। কারণ কমিউনিস্ট ও বিপ্লবী সেই হতে পারে, যে ‘মানুষ’ হয়ে ওঠে বা ‘মানুষ’ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকে। এরূপ প্রকৃত মানুষ কখনো কোনো অসংগতি, অসাম্য, শোষণ-বৈষম্য মেনে নিতে পারে না। প্রতিনিয়ত লড়াই-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে সে ‘মানুষের’ পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য জীবনপণ সংগ্রাম করে যায়।” সেই ‘মানুষের’ আপনজন, তাদেরই একান্ত একজন মানুষ ছিলেন সরদার ফজলুল করিম। তার স্মৃতির প্রতি লক্ষ-কোটি সালাম! লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি E-mail : [email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন