একসময় স্পেনজুড়ে বিশাল বিশাল বিলবোর্ডে ছিল তার বিশাল বিশাল ছবি। দেশের পত্র-পত্রিকার অন্যতম গ্ল্যামার মুখ হিসেবে হাজির হতেন তিনি। তার সিডিউল পেতে পরিচালকদের গলদঘর্ম হতে হতো। তাকে একনজর দেখার জন্য ভক্তদের লাইন লেগে যেত। বেশিরভাগ সময় কাটতো রূপচর্চা আর সাজসজ্জায়। কিন্তু হঠাত্ কি হয়ে গেল কেউ বুঝতে পারলেন না। গ্ল্যামার দুনিয়া ছেড়ে ত্যাগী সন্ন্যাসিনী হলেন স্প্যানিশ মডেল ওঁলা ওলিভারোস। মডেলিং ও অভিনয়ের পেশায় নাম লিখিয়ে বহু মানুষের মন চুরি করেছিলেন এই তরুণী। তার ঝলক দেখা গেছে রূপালী পর্দাতেও। কিন্তু আচমকাই মেরুবদল। খোলামেলা বসন ছেড়ে তার গায়ে উঠল নানের ইউনিফর্ম। জনপ্রিয়তা বিসর্জন দিয়ে ওঁলা এখন সন্ন্যাসিনী।
কিন্তু হঠাত্ সর্বত্যাগী হলেন কেন ওঁলা? এর উত্তরে এই স্প্যানিশ মডেল জানান, জগেজাড়া খ্যাতি আর সাফল্যের পরও সুখী ছিলেন না তিনি। মনের মধ্যে ঘোরাফেরা করত উষ্ণ স্রোত। গির্জায় প্রার্থনা করতে যাওয়ার সময় নিজের মধ্যে এক আলোড়ন অনুভব করেন তিনি। এরপরই মাদ্রিদে এক ধর্মযাজকের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি বলেন, ঈশ্বর তাকে ডাকছে। সেই আহ্বান আর উপেক্ষা করতে পারেননি। তিনি এখন আর এই দুনিয়া নয়, হতে চান ‘ওই দুনিয়ার’ অর্থাত্ পরকালের মডেল। মডেল থেকে সন্ন্যাসিনী হয়ে ওঠার ঘটনা অবশ্য প্রথম নয়। ২০০৫ সালে মডেলিং ছেড়ে গির্জার পথে পাড়ি দিয়েছিলেন কলম্বিয়ান মডেল আমাদা রোসা প্যারেজ। তিনি বলেছিলেন, আমি এমন এক মডেল হতে চাই, যা নারীর সত্যিকারের মর্যাদাকে তুলে ধরবে। নিজেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চাই না।’
