দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালটিতে ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসারের অনুমোদিত ৬টি পদের একটিতেও চিকিত্সক নেই। যেখানে একটি পদও শূন্য থাকার কথা না। সেখানে রোগীরা হোঁচট খাবেন এটাই স্বাভাবিক। এ তো গেল হাসপাতালে প্রবেশের বিষয়। প্রশ্ন হলো এই বিভাগটি চলছে কিভাবে? সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন চিকিত্সককে বিভিন্ন বিভাগ থেকে এনে এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে। এর পরে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালটিতে পরিচালকের একটি অনুমোদিত পদ থাকলেও সেটিও শূন্য। পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন একজন উপ-পরিচালক। সহকারী পরিচালক-এর পদ দুটি থাকলেও ১ জন দিয়েই সেটি চালিয়ে নেয়া হচ্ছে। সিনিয়র কনসালটেন্ট-এর অনুমোদিত ১২টি পদ থাকলেও কর্মরত আছে মাত্র ৫ জন। জুনিয়র কনসালটেন্ডের ৫টি পদের ১টি শূন্য। আবাসিক ফিজিসিয়ানের ৪টি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ১ জন। এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালটিতে আউটসোর্সিংসহ সর্বমোট অনুমোদিত পদের মধ্যে ফাঁকা আছে ১৩৭টি। এ বিষয়ে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডাঃ মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান জানান, চিকিত্সক ও জনবল সংকটের কারণে এই বিশাল হাসপাতালটির চিকিত্সা সেবা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশেষ করে ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসারের ৬টি পদই শূন্য থাকায় রোগীদের হয়রানির সীমা নেই। অন্যদিকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালটিতে দালালদের দৌরাত্ম্য এখন চরমে। তাদের কবলে পড়ে অসহায় ও দুস্থরা সর্বস্বান্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এ সকল দালালদের কারণে রোগীরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো পার্শ্ববর্তী প্যাথলজিগুলোতে করাতে বাধ্য হচ্ছে।
