বিজেপির জয় ও ঢাকা-
দিল্লি সম্পর্কের
গতিপথ
সমপ্রতি লোকসভা নির্বাচনের মাধ্যমে কংগ্রেস থেকে বিজেপি সরকার ভারতের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। সরকার পরিবর্তনের ফলে দেশটির পররাষ্ট্রনীতিতে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা পরিবর্তন আসবে, যার প্রভাব পড়বে প্রতিবেশী দেশগুলোর উপর। এর কারণে হয়ত বাংলাদেশের সাথে ভারতের অব্যাহত সম্পর্কের ধরনও কিছুটা পাল্টে যেতে পারে। বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের যে উন্নতি সাধিত হয়েছে তাতে কিছুটা ভাটা পড়বে কিনা সময়ই তা বলে দিবে। আর এই সবকিছুই আসলে নির্ভর করে দুটি দেশের সরকারের ইচ্ছাশক্তির উপর। যদি ভারতের পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশের অনুকূলে হয় তাহলে দুটি দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। আর আমরাও চাই ঢাকা-দিল্লি তথা বাংলাদেশ ও ভারতের সুসম্পর্কের যে ধারা বজায় ছিল সেটি যেন অব্যাহত থাকে।
বহ্নি দাশ
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ
১ম বর্ষ, ২য় সেমিস্টার
শা.বি.প্র.বি, সিলেট।
০০০০০০০০০০০
ঢাকার সাথে
দিল্লির সম্পর্ক
আরো দৃঢ় হবে
মোদী নিঃসন্দেহে একজন মেধাবী রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশ প্রসঙ্গে নির্বাচন পূর্ববর্তী তার যে মন্তব্য, আমার মনে হয় সেটা একটা কৌশল। কোন দেশে প্রগতিশীলদের চেয়ে অপ্রগতিশীল মানুষ বেশি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তাই তার বক্তব্য এবং ইস্তেহার তাকে নির্বাচনে জয়ে সহায়তা করেছে। নির্বাচনের পরেই তিনি তার মেধার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছেন প্রতিক্ষেত্রে। তার সরকার সকল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে এটা নিশ্চিত। ঢাকার সাথে এই সম্পর্ক পাবে নতুন মাত্রা। মোদির প্রথম লক্ষ্য যেহেতু অর্থনীতিবিষয়ক সেহেতু ঢাকার সাথে দিল্লির সম্পর্ক আরো দৃঢ় হতে বাধ্য।
আবীর সমুদ্র
বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (৪র্থ বর্ষ)
আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বরিশাল।
০০০০০০০০০০০০০০
ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্ক ভাল
হবে
ভারতের লোকসভা নির্বাচনের মাধ্যমে বৈধভাবে জনগণের ভোট পেয়ে বিজেপির জয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে মোদি সরকার। ভারত প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে সর্বদা গুরুত্বের সাথে দেখে। অতীতের সরকারের সাথে ভারতের সহযোগিতা পাওয়া গেছে বিভিন্নক্ষেত্রে। তারা এখনও আমাদেরকে সহযোগিতা করতে চায়। তাই দিল্লি-ঢাকার সম্পর্ক আগের চেয়েও ভাল হবে।
শাহাদাত হোসেন
শিক্ষার্থী
ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
০০০০০০০০০০০০০
ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্ক আরও
গভীর হবে
যেহেতু বিজেপি দলটি একটি সাম্প্রদায়িক দল। তাই তাদের ব্যাপারে এইটুকু বলা যায় তাদের যখন নিজেদের স্বার্থে আঘাত আসবে তখন আমাদের দেশের সাম্প্রদায়িক তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এক ধরনের উগ্র সাম্প্রদায়িকতাকেই উস্কে দিতে চেষ্টা করবে। তবে বর্তমানে যা দেখা যাচ্ছে মোদী সরকার এমনটি করবে বরে মনে হয় না। কারণ প্রতিবেশী দেশের সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটবে না। কারণ মোদি সরকারের বাংলাদেশ দরকার আছে নিজেদের স্বার্থেই কারণ প্রতিবেশিকে যদি নিজেদের আওতায় না আনতে পারে তা হলে সমস্যা হতে পারে বিধায় ঢাকার সঙ্গে মোদী সরকার ঘনিষ্ঠতা বাড়াবে। তাই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে।
ফরিদ আহমেদ
আইন অনুষদ
৩য় বর্ষ, ৭ম সেমিস্টার
বিইউবিটি, ঢাকা।
০০০০০০০০০০০০
মোদী জয়েও
সুসম্পর্ক অটুট
থাকবে
ইতিহাস সৃষ্টি করা রাষ্ট্রনায়ক নরেন্দ্র মোদী মেধা, প্রজ্ঞা, পরিশ্রমের বলে আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। দেশকে নেতৃত্ব দেয়ার মত যোগ্য নেতা তিনি। প্রতিটি দেশ তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করে। বাংলাদেশ ভারতের সবচেয়ে নিকটবর্তী দেশ হিসেবে এই দু’দেশের আঞ্চলিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় আছে। বিজেপির জয়ে ক্ষমতা পাওয়া মোদির পররাষ্ট্রনীতির ফলে এ সম্পর্ক আরো জোরালো হবে এটা আশা করাই যায়। দু’দেশ পরস্পরের কল্যাণার্থে কাজ করে গেলে সম্পর্ক বজায় থাকার সমূহ সম্ভাবনা থাকবে।
মো.মাহবুবুর রহমান
এগ্রিবিজনেস ফ্যাকাল্টি
তৃতীয় বর্ষ
শেরেবাংলা কৃিষ বিশ্ববিদ্যালয়!
